
মোতালেব হোসেন(কুমিল্লা)।। কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী বলেছেন, "আমি কাউকে খুশি করার জন্য কাজ করি না। আমি কাজ করি জনগণের জন্য এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। আমার কোনো ব্যক্তিগত এজেন্ডা নেই, কুমিল্লার উন্নয়নই আমার একমাত্র এজেন্ডা।"শনিবার (২৭ জুন) সকালে কুমিল্লায় সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায়ের আগমন উপলক্ষে জেলার সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, "আমাকে প্রতিপক্ষ ভাববেন না, আমি কাজপাগল মানুষ। আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে কাজ করতে দিন, আমার কাজে বাধা দেবেন না।" তিনি জানান, নির্বাচনের আগে কুমিল্লার ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে হেরিটেজ হিসেবে গড়ে তোলার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নে তিনি কাজ করছেন।তিনি বলেন, কুমিল্লার সাংস্কৃতিক অঙ্গন দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় অনেক সমৃদ্ধ হলেও অবকাঠামোগত নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধান এবং ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণের লক্ষ্যে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। সেই প্রস্তাবে আরও কী সংযোজন বা সংশোধন প্রয়োজন, সে বিষয়ে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের মতামত নিতেই এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।সভায় কুমিল্লায় একটি আধুনিক সংস্কৃতি কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হলে এমপি মনিরুল হক চৌধুরী প্রস্তাবটিকে ইতিবাচক উল্লেখ করে বলেন, সংস্কৃতি মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।এ সময় কুমিল্লা আর্ট কলেজ প্রতিষ্ঠা, মৃণালিনী দত্ত হোস্টেল, অজাচক অভয় আশ্রম, নজরুল ইনস্টিটিউট আধুনিকায়ন, শিল্পকলা একাডেমির উন্নয়ন, বীরচন্দ্র মিলনায়তন ও পাঠাগারের সংস্কার এবং শচীন দেব বর্মনের বাড়ি সংরক্ষণসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন উপস্থিত সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট ফারুক আহমেদ, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসানাত বাবুল, কুমিল্লা টাউন হলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল কবির, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজাহিদ চৌধুরী, কুমিল্লার কাগজ-এর সম্পাদক আবুল কাশেম, কুমিল্লার জমিন-এর সম্পাদক শাহজাদা এমরান, অজিতগুহ কলেজের অধ্যক্ষ শরীফুল ইসলাম, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ডেপুটি কন্ট্রোলার কাজী আপন তিভরানীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




























