
মাসুম বিল্লাহ রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর বাউফলে লোহালিয়া নদীতে যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় একটি তরমুজবাহী ট্রলার ডুবে গেছে। এতে দুইজন নিহত ও দুইজন আহত হয়েছেন। ঘটনায় জড়িত আওলাদ-৭ লঞ্চটির রুট পারমিট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। বুধবার ভোররাত প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার বামনিকাঠি লঞ্চঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর পথে আসার সময় তিনতলা যাত্রীবাহী লঞ্চ আওলাদ-৭ ট্রলারটিকে ধাক্কা দেয়। মুহূর্তের মধ্যে প্রায় ৪০০ তরমুজসহ ট্রলারটি নদীতে ডুবে যায়। ট্রলারে ছয়জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে তিনজন ছিলেন কেবিনে। সংঘর্ষের পর একজন বের হয়ে আসতে পারলেও বাকি দুইজন আর বের হতে পারেননি—ট্রলারের সঙ্গেই তলিয়ে যান তাঁরা। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত দুইজন হলেন রাঙ্গাবালী উপজেলার চরবেস্টিন গ্রামের মো. নাসির ফকির (৩৬) এবং একই উপজেলার নলুয়া গ্রামের রেজাউল হাওলাদার (৩৫)। আহত দুইজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাউফল থানার তদন্ত পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, 'দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে।' বিআইডব্লিউটিএর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তুষার কান্তি বণিক জানান, দুর্ঘটনার বিষয়টি ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে জানানোর পর লঞ্চটির রুট পারমিট স্থগিত করা হয়। তিনি বলেন, 'পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত লঞ্চটি চলাচল করতে পারবে না। তবে যাত্রীদের যাতে ভোগান্তি না হয়, সে জন্য তাঁদের অন্য লঞ্চে বুকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।' এঘটনায় নিহতদের পরিবারে শোকের ছাড়া নেমে এসেছে। এ ঘটনায় গভীর শোক ও নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন।




























