
মোঃ রায়হান মাহামুদ :
পুরান ঢাকার লালবাগ শাখায় পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী (পিএমকে)-এর উদ্যোগে অতিদরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ ও চশমা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন ২০২৬) লালবাগ শাখা অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে চক্ষু, মেডিসিন, গাইনি, চর্ম ও যৌনরোগ, শিশু এবং সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা প্রায় ৫ শতাধিক দরিদ্র ও অসহায় রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।
চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী চিকিৎসকদের মধ্যে ছিলেন— ডা. মনোজ সিনহা, ডা. মৌসুমী কবির, ডা. মো. রায়হানুল হক, ডা. মো. বাপ্পি ইসলাম, ডা. মো. মেরাজ হোসেন, ডা. নাজমুল ইসলাম, ডা. রাসেল রানা এবং ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিএমকের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রাম ম্যানেজার (অডিট) মো. সলিমউদ্দীন, জোনাল আইটি অফিসার মো. আমিরুল ইসলাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. ওমর ফারুক এবং লালবাগ শাখার ব্যবস্থাপক মো. আখলাখ ব্যাপারীসহ সংস্থার অন্যান্য কর্মকর্তারা।
এ সময় মো. সলিমউদ্দীন বলেন, পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী দেশের বিভিন্ন শাখায় নিয়মিতভাবে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় লালবাগ শাখায় রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ, প্রেসক্রিপশন, ওষুধ, পাওয়ারের চশমা এবং চোখের ড্রপ বিতরণ করা হয়েছে।
জোনাল আইটি অফিসার মো. আমিরুল ইসলাম ও অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. ওমর ফারুক বলেন, ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর প্রতিষ্ঠার পর থেকে পিএমকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির আওতায় মা ও শিশু স্বাস্থ্য সচেতনতা, চক্ষু চিকিৎসা, গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, শাখার গ্রাহক ও স্থানীয় এলাকার মা-শিশুসহ সকল বয়সী অতিদরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য এ ধরনের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বিনামূল্যে চিকিৎসা, ওষুধ ও চশমা পেয়ে উপকারভোগীরা পল্লী মঙ্গল কর্মসূচীর প্রধান নির্বাহী কামরুন্নাহার, উপ-প্রধান নির্বাহী দেওয়ান ফয়সাল এবং পিএমকে হাসপাতালের প্রধান উপদেষ্টা ও হেড অব হেলথ ডা. কাজী সুদীপ্তা কবির-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
এ ধরনের মানবিক উদ্যোগকে স্থানীয়রা দরিদ্র ও অসহায় মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হিসেবে অভিহিত করেছেন।




























