
মোঃ সাইফুল ইসলামঃ রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
মাদারীপুর জেলার চরফকিরা গ্রামের খালেক মিয়ার মেয়ে সালমা আক্তার, অভাবের সংসারে একটু সুখের আশায় কাজের সন্ধানে চলে আসেন শিল্পাঞ্চল খ্যাত নারায়ণগঞ্জে, স্থানীয় সিনহা গার্মেন্টসে চাকরীর সুযোগ হয় সালমার। চাকরী করে ভালোই চলছিলো সালমা এবং তার পরিবার। কিন্তু অসহায় সালমা সোনারগাঁ উপজেলার বিষ্ণাদী গ্রামের মনোয়ার হোসেনের ছেলে নারীলোভী মফিদুল ইসলামের কু-দৃষ্টির স্বীকার হয়। ২০০৬ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারী তারাব পৌরসভার নিউ ঢাকাস্থ পদ্মা টেক্সটাইল মিলের পরিত্যক্ত জায়গায় পাওয়া যায় সালমার নিথর মরদেহ।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়- ২০০৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মফিদুল ইসলাম বিয়ের প্রলোভনের বিরোধকে কেন্দ্র করে মাদারীপুর জেলার চরফকিরা গ্রামের খালেক মিয়ার মেয়ে রূপগঞ্জের সিনহা গার্মেন্টস কর্মী সালমা আক্তারকে(২৭) ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে। পুলিশ তার মরদেহ তারাবো পৌরসভার পদ্মা টেক্সটাইলের পরিত্যক্ত জমি থেকে উদ্ধার করে। রূপগঞ্জ থানার মামলা নম্বর-২(৩)২০০৬।
দীর্ঘ ২০ বছর পর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতায় বসবাসকারী ও গার্মেন্টস কর্মী সালমা হত্যা মামলার আসামী, নারীলোভী ভন্ড প্রতারক মফিদুল ইসলামকে(৫৮) ও নীলা ইসলাম(৩২) নামের এক মহিলাকে ০৪ মার্চ বুধবার সোনারগাঁ থানার মদনপুরের ইষ্ট টাউন এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তাদেরকে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোহাম্মদ সবজেল হোসেন বলেন, নারীলোভী ভন্ড প্রতারক ও একাধিক মামলার আসামী মফিদুল ইসলাম ও সোনারগাঁ থানার ভট্টপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে নীলা ইসলামকে(৩২) গ্রেফতার করে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মফিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রূপগঞ্জ থানায় আরো একটি মামলা রয়েছে। মামলা নম্বর-৩৮(২)২০২৬।
































