
বরগুনা-বেতাগী-বাকেরগঞ্জ মহাসড়কের বেতাগী অংশের ঝোপখালী বেড়েরধন নদীর সেতুর ঢাল ভেঙে এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে বাসসহ সকল পরিবহন বন্ধ রয়েছে। ভেঙে যাওয়া ঢালের অবশিষ্টাংশ ভেঙে যেকোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা শঙ্কা প্রকাশ করছেন স্থানীয় জনসাধারণ।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বরগুনা বেতাগী বাকেরগঞ্জ ৫২ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক উদ্বোধন করা হয় ২০০০ সালের ২৭ ডিসেম্বর।
এরপর বেতাগী সদর ইউনিয়নের ঝোপখালী অংশে বেড়েরধন নদীর ওপর ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে পুরাতন লোহার সেতু ভেঙে নতুন গার্ডার ব্রিজ নির্মান করা হয়।
নির্মানের দু'বছর পর ওই গার্ডার ব্রিজের দুই পাশের ঢাল নির্মান করা হয়। বর্তমানে বেড়েরধন নদীর গার্ডার ব্রিজের দক্ষিণ পাশের অংশ ধেবে গেছে। এতে গত দুই সপ্তাহ ধরে সকল ধরণের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
দুর্ভোগে রয়েছে দুরপাল্লার যাত্রীরা। এতে ১০টি গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ মারাত্মক দুর্ভোগে রয়েছে।
ভারি যানবাহন না চললেও ছোট ছোট ট্রাক, মোটরবাইক, রিকশা,ভ্যান, পিকআপ, সিএনজি, মাহিন্দ্রা, নসিমন, অটোরিকশা ও প্রাইভেট কার মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
নিয়মিত ঢাকার যাত্রী আব্দুল খালেক লাভলু বলেন, 'বর্তমানে লোকাল বাস ও ঢাকাগামী বাস এই রুটে না চলায় রিকশা, অটো, মাহিন্দ্রাযোগে ১৫ কিলোমিটার দুরে যেয়ে ঢাকাগামী পরিবহনে উঠতে হচ্ছে।
ঝুঁকি উঠলেও যেকোন সময় সেতুর ঢাল ভেঙে যাত্রীসহ খালে পড়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।'
ঝোপখালী গ্রামের বাসিন্দা জহিরুল হক বলেন, ‘সেতুর দক্ষিণ পাশের ঢালের অংশ দিয়ে ভুলে কোনো ভারি যানবাহন নিয়ে উঠলে যেকোনো মুহূর্তে এটি ধসে খালে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।'
বেতাগী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.খলিলুর রহমান বলেন, 'ঝোপখালী ব্রিজের ঢাল ভেঙে গেছে, এ বিষয় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে।'
এ বিষয়ে বেতাগী উপজেলা প্রকৌশলী শেখ তৌফিক আজিজ বলেন, 'বেড়েরনদীর ঝোপখালী সেতুর উভয় পাশের ঢাল ঝুঁকিপুর্ণ। ইতোমধ্যে নকঁশা করে সড়ক ও জনপদ বিভাগকে জানানো হয়েছে।
শিকগিরই প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ হলে দরপত্র আহ্বান করে প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজ করা হবে।'





























