
সাইফ উল্লাহ, স্টাফ রিপোর্টার:: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় সীমানা নির্ধারণ (জরিপ) সম্পন্ন হওয়ার পরেও বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়ায় উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। এতে সংস্কার কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে নিয়ম লঙ্ঘন ও উস্কানিমূলক আচরণের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে। সোমবার (১ জুন) সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলা সদর ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামের আবুল কালাম নামের এক বক্তির ৬ শতক জায়গা রয়েছে। এর মধ্যে একটি ঘরসহ সাড়ে ৩ শতক জায়গা বিক্রি করেন মোশারফ নামের ব্যক্তির কাছে। অবশিষ্ট আড়াই শতক জায়গা বিক্রি করে ওয়ারেস ফকির নামের আরেক ব্যক্তির কাছে। জায়গা বিক্রির পর গেল ২৯ মে স্থানীয় লোকজন নিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও ৩১মে ওয়ারেস আবুল কালাম ও মোশারফের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়েন করেন।জায়গা পরিমাপ হওয়ার পরেও কেন অভিযোগ করলেন এমন প্রশ্নের জবাবে ওয়ারেস ফকির বলেন,আবুল কালাম যে জায়গাটি বিক্রি করেছিলেন সেখানে আমি মাটি ভরাট করে রেখেছি, এখন তিনি অন্য দিকে দিতে চাচ্ছেন। আর মোশারফ সে জায়গায় বাউন্ডারি দেয়াল দেওয়ার চেষ্টা করছেন। সেজন্য আইনি সহায়তা নিয়েছি।তবে মোশারফের অভিযোগ, একটি ঘরসহ সাড়ে ৩ শতক জায়গা ক্রয় করার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে আমাকে সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এর পর বাউন্ডারি দেয়াল দিতে গেলে মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক মিশর আহমেদ বাধা নিষেধসহ হুমকি প্রদর্শন ও চাঁদা দাবি করেন। এমনকি রাতের আধাঁরে আমার বাউন্ডারি দেয়াল ভেঙে ফেলেন। এবিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হবে।মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক মিশর আহমেদ বলেন, তাদের সাথে পূর্ব শত্রুতা থাকায় আমার বিরুদ্ধে এ সকল অভিযোগ আনা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।আবুল কালাম জানান, ওয়ারেস ফকির শুধু শুধু জামেলা করছে। তার কাছে আড়াই শতক জায়গা বিক্রি করা হয়েছে খাল ঘেঁষা, এখন সে মাঝখানে দাবি করলেইতো হবে না, কাগজপত্র নিয়ে বসলেইতো হয়। কাগজের বাহিরে কথা বল্লেতো হবে না।ধর্মপাশা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, উভয় পক্ষের কাগজ পত্র দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।





























