
মোঃ আনোয়ার হোসেন ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার ধুনট উপজেলার চিকাশি ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের এক সময়ের স্বল্প বেতনের ইমাম আজ সফল উদ্যোক্তা হিসেবে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ইমাম প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আত্মকর্মসংস্থানের পথ বেছে নিয়ে বদলে দিয়েছেন নিজের ভাগ্য, পাশাপাশি সৃষ্টি করেছেন বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান।
জানা যায়, ধুনট উপজেলার আতাউর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ইমামতি পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি মাসে মাত্র ২ হাজার ২০০ টাকা বেতনে চাকরি করতেন। এত স্বল্প আয়ে সংসার পরিচালনা করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল।
পরবর্তীতে তিনি ইমাম প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও আত্মবিশ্বাস কাজে লাগিয়ে ১৫ হাজার টাকা ধার নিয়ে ছোট পরিসরে খামার কার্যক্রম শুরু করেন।
অদম্য পরিশ্রম, সততা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তার খামার সম্প্রসারিত হতে থাকে। বর্তমানে তার রয়েছে ৪টি মুরগির খামার, ১টি গরুর খামার এবং ১টি রাইস মিল।
ইমাম আতাউর রহমান জানান, “এক সময় ২ হাজার ২০০ টাকা বেতনে চাকরি করতাম। সেই আয়ে সংসার চালানো খুব কষ্টকর ছিল। ইমাম প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর সাহস পাই। ১৫ হাজার টাকা ধার নিয়ে কাজ শুরু করি। আল্লাহর রহমতে এখন মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা আয় হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, তার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ১০ জন বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে। তারা নিয়মিত কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
স্থানীয়দের মতে, আতাউর রহমানের এই সাফল্য অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণার উদাহরণ। ইচ্ছাশক্তি, প্রশিক্ষণ ও পরিশ্রম থাকলে সীমিত সামর্থ্য নিয়েও সফল হওয়া সম্ভব—তার জীবনই তার প্রমাণ।




























