শিরোনাম
২৮শে অক্টোবর ২০০৬ বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে নাঙ্গলকোটে জামায়াতের আলোচনা সভা,দোয়া ও বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে চোরাই সিএনজি সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার লগী বৈঠা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে লাকসামে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত রায়গঞ্জে ২৮ অক্টোবরের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কানুনগোর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগের প্রতিবাদে আকবর হোসনের সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে সড়ক দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মৃত্যু মুরাদনগরে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পূর্ব অষ্টগ্রামে গুদাম থেকে চাল না তুলেই বিতরণের অভিযোগ,চাল নষ্ট থাকারও দাবি নওগাঁয় অবৈধ তেল বিপণনে বিএসটিআইয়ের ১০ হাজার টাকা জরিমানা
বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ঈদ বাজারে কেমন আছেন বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ীরা

আলোকিত বাণিজ্য ডেস্ক
প্রকাশিত:সোমবার ১৮ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৮ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

বঙ্গবাজারের কথা উঠলেই চোখে ভেসে ওঠে ভয়ঙ্কর সেই অগ্নিকাণ্ডের দৃশ্য। গত বছর ঈদের আগে আগুনে পুড়ে ছাই হয় রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী বঙ্গবাজার মার্কেট। এতে নিঃস্ব হয়েছিলেন সেখানকার হাজারো কাপড় ব্যবসায়ী। অগ্নিকাণ্ডের পর গত সাড়ে এগারো মাসেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি তারা। এখন তাদের মধ্যে নেই কর্মচাঞ্চল্য। ব্যবসায়ীদের অনেকে নতুন দিনের অপেক্ষায় এখনো সময় গুনছেন। সুদিন কবে আসবে জানা নেই তাদের।


ঈদুল ফিতরের মাত্র কয়েক দিন আগে ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল ভোরে বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের ৫০টির মতো ইউনিট প্রায় সাত ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তার আগেই পুরো মার্কেটটি পুড়ে যায়। সেই ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়েই গত দুটি ঈদ কেটেছে বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ীদের। আগুন লাগার পর সেখানকার চিরচেনা রূপ পাল্টে গেছে, নেই ক্রেতার ভিড়। তবে ব্যবসায়ীরা বাঁচার তাগিদে আর ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় সেখানেই চৌকি বিছিয়ে, শামিয়ানা টাঙিয়ে যতটুকু সম্ভব বেচাকেনা করছেন।



একসময় শীত, গ্রীষ্ম বারোমাস বঙ্গবাজার থাকতো জমজমাট। ঈদ কিংবা যে কোনো অনুষ্ঠান-পার্বণে ক্রেতারা সেখানে হুমড়ি খেয়ে পড়তেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সাধারণ ক্রেতাদের পাশাপাশি পাইকারদেরও ভিড় লেগে থাকতো। সেই বঙ্গবাজার এখন যেন চেনা নগরের অচিন এক ভূখণ্ড।



বছর ঘুরে আবারও দুয়ারে কড়া নাড়ছে ঈদুল ফিতর। ঈদ ঘিরে এরই মধ্যে ঢাকাসহ সারাদেশে মার্কেট, শপিংমলগুলোতে একটু একটু করে ক্রেতাদের আনাগোনা বাড়ছে। এসময়ে কেমন আছেন বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ীরা। কেমন কাটছে তাদের দিন। ব্যবসার হালচাল কী। ঈদ ঘিরে তাদের প্রস্তুতি কেমন। 



সরেজমিনে বঙ্গবাজার (বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স, গুলিস্তান ইউনিট, মহানগর ইউনিট ও আদর্শ ইউনিট) ঘুরে দেখা গেছে, বঙ্গবাজার আর আগের মতো নেই। ব্যবসায়ীরা সেখানে অস্থায়ীভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। চৌকি বিছিয়ে আর শামিয়ানা টাঙিয়ে খুঁড়িয়ে চলছে তাদের ব্যবসা। অধিকাংশ দোকানে নেই নিজস্ব সাইনবোর্ড। কেউ কেউ পরিচিত ক্রেতাদের সুবিধার্থে বাঁশের খুঁটিতে দোকানের নম্বরসহ সাঁটিয়েছেন ব্যানার। তবে ঈদের আমেজ বলতে কিছু নেই বঙ্গবাজারে। ক্রেতাদের ভীড় কম। চোখে পড়েনি তেমন বেচাকেনাও। তবে পুড়ে যাওয়া মার্কেটটিতে বর্তমানে অস্থায়ীভাবে পাঁচশোর বেশি দোকান রয়েছে বলে জানা গেছে।


সেখানকার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত বছর আগুন লাগার পর অনেকেই স্থান পরিবর্তন করে আশপাশের মার্কেটে চলে গেছেন। তাদের বেশিরভাগই বড় ব্যবসায়ী। কেউ কেউ ব্যবসা একদম গুটিয়ে নিয়েছেন। ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় যারা আবার ব্যবসা শুরু করেছেন তারাও ভালো নেই। অনেকে পরিচিত কাস্টমার হারিয়েছেন। বর্তমানে ছোট ছোট টং দোকান হওয়ায় পর্যাপ্ত মালের পসরা সাজাতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা।



এছাড়াও সারাদেশ থেকে একসময় যারা বঙ্গবাজার এসে কেনাকাটা করতেন তারা এখন রাজধানীর অন্য জায়গা থেকে মাল সংগ্রহ করেন। আগুনে পোড়ার পর মার্কেটে যে অস্থায়ীভাবে দোকানপাট বসেছে, সেই খবর অনেকেরই জানা নেই। এ কারণে কাস্টমারও কম, এমন তথ্যই দিচ্ছেন বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ীরা।


এক বছর আগেও তিনটি দোকানের মালিক ছিলেন মায়ের দোয়া গার্মেন্টসের স্বত্বাধিকারী সুমন। বর্তমানে একটি দোকান নিয়েই ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তিনি  বলেন, সারা পৃথিবী দেখেছে বঙ্গবাজারের আগুন। কিন্তু এখানকার ব্যবসায়ীরা কীভাবে আছেন, কোনো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কখনো সেই খোঁজ নেয়নি। হাজার হাজার মানুষের রুটি-রুজি ছিল এখানে। এখন বাজার মরা। সামনের দিনগুলোতে কী অপেক্ষা করছে সেটাও অজানা। আমাদের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারবো কি না জানিনা।



এখন কেমন চলছে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগের বেচাকেনা তো নেই। ঈদ মৌসুমেও আমাদের বাজার ঠান্ডা। টুকটাক যা হয় তা দিয়েই খেয়ে-পরে কোনোভাবে বেঁচে আছি।



বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সে ৩০ বছর ধরে ব্যবসা করছেন হেদায়েত উল্লাহ। তিনি রাকিব গার্মেন্টসের স্বত্বাধিকারী। বলেন, অনেক পাইকারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বেচাকেনার সম্পর্ক ছিল। আগুন লাগার পর থেকে সব হারিয়েছি। অনেকে তো এখনকার টং দোকান খুঁজেই পায় না। কেউ কেউ আবার এসে সব মাল পায় না। তাই অন্য মার্কেটে চলে যায়। এভাবে আমাদের অনেক কাস্টমার ছুটে গেছে। এসব কারণে এখানকার ব্যবসায়ও মন্দা চলছে।



একই তথ্য দিচ্ছেন শেখ ফরিদ নামের অন্য একজন ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, আমাদের দুইটা দোকান পুড়ে গেছে। অন্য সময়ে ঈদের আগে জমজমাট বেচাকেনা হত। পাইকাররা ধাপে ধাপে এসে ঈদের মালামাল নিত। এবার ব্যবসার আকার ছোট হয়ে গেছে। বেচাকেনাও কম। বড় কোনো অর্ডার পাচ্ছি না। আগের দোকানের যে অ্যাডভান্স ছিল সেই টাকা এখনো পাইনি। শুনলাম ঈদের পর অস্থায়ী দোকানগুলোও ভেঙে ফেলবে। এরপর আমাদের কোথায় ঠাঁই হবে এখনো জানিনা।



দোকান ছোট হওয়াতে সব ডিজাইন ও সাইজের মালামাল রাখতে পারছেন না বঙ্গবাজারের বর্তমান ব্যবসায়ীরা। ফলে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে পারছেন না তারা। পাইকাররাও ধীরে ধীরে আশপাশের মার্কেটগুলোর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।


সোহাগ গার্মেন্টসের সোহেল নামের একজন জানান, দোকান আয়তনে ছোট হওয়ার কারণে সব ডিজাইন বা সাইজের মাল রাখতে পারি না। কাস্টমার এলে অনেক সময় ফিরে যেতে হয়। একজন কর্মচারী রাখলে দৈনিক খরচ, নিজের খরচ, ইফতার খরচ ও অনেক সময় ওঠে না। গত বছর থেকেই এভাবে টানাটানিতে আছি। বিগত সময়ে ঈদের আগে বেচাকেনার ধুম পড়ে যেতো। দোকান থাকতো মালামালে হাউজফুল, আমার গোডাউন ছিল দুইটা। এখন দোকানও ছোট হয়ে গেছে, বেচাকেনাও কমেছে।


বঙ্গবাজারে মালামাল কিনতে লক্ষ্মীপুর থেকে এসেছেন মুরাদ হোসেন। তিনি  জানিয়েছেন, আগে এখানকার দোকানগুলোতে সব আইটেম থাকত, এখন পাওয়া যায় না। নিউমার্কেট, কেরানীগঞ্জ বা ইসলামপুর যেতে হয়। মালের দাম মোটামুটি কম থাকলেও এখন বিভিন্ন জায়গায় ছুটে কিনতে হয়।



বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম  বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না। তাই বেচাকেনাও কিছুটা মন্দা। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের আমরা নিজ উদ্যোগে কম অ্যাডভান্সে আশপাশের মার্কেটে দোকান ভাড়া নেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। প্রণোদনার কিছু টাকাও আমাদের হাতে আছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দোকানদারদের তালিকাও রয়েছে। সেই টাকাও শিগগির দেওয়া হবে। ঈদের পর সিটি করপোরেশন মার্কেট নির্মাণের কাজ শুরু করবে। মার্কেট নির্মাণ সম্পন্ন হলে সব ঠিক হয়ে যাবে।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) বঙ্গবাজারের স্থানটিতে ১০ তলা ভবন নির্মাণ করছে। নাম দেওয়া হয়েছে ‘বঙ্গবাজার পাইকারি নগর বিপণি বিতান’। নতুন এ বিপণি বিতানে তিন হাজার ৪২টি দোকান থাকবে। আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাসহ থাকবে নানা সুযোগ-সুবিধা। ঈদের পর ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।


২০১৯ সালের ২ এপ্রিল বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সকে ‘অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষণা করেছিল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। এ ব্যাপারে বারবার নোটিশও দেওয়া হয়েছিল। ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল সিটি করপোরেশন মালিকানাধীন বঙ্গবাজারে (বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স, গুলিস্তান ইউনিট, মহানগর ইউনিট ও আদর্শ ইউনিট) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের এনেক্সকো টাওয়ার মার্কেট (একাংশ), মহানগর শপিং কমপ্লেক্স (একাংশ), বঙ্গ ইসলামিয়া মার্কেট ও বঙ্গ হোমিও মার্কেটে। এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডে তিন হাজার ৮৪৫ জন ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩০৩ কোটি টাকা।



গত বছরের ৪ এপ্রিল আগুনে পুরোপুরি পুড়ে যায় বঙ্গবাজার। সে সময় ডিএসসিসির করা তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর সংখ্যা ৩ হাজার ৮৪৫। পুড়ে যাওয়া বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সে মোট দোকান ছিল ২ হাজার ৯৬১টি। এর মধ্যে বঙ্গ ইউনিটে ৮৬৩টি, গুলিস্তান ইউনিটে ৮২৮টি, মহানগর ইউনিটে ৫৯৯টি, আদর্শ ইউনিটে ৬৭১টি দোকান ছিল। এছাড়া মহানগর শপিং কমপ্লেক্সে ৭৯১টি, বঙ্গ ইসলামিয়া মার্কেটে ৫৯টি এবং বঙ্গ হোমিও কমপ্লেক্সে দোকান ছিল ৩৪টি।



গত ১৩ মার্চ ডিএসসিসি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস জানান, ক্ষতিগ্রস্ত মার্কেটসহ অবকাঠামো উন্নয়নে এই ওয়ার্ডে (২০ নম্বর ওয়ার্ড) আমাদের ৬০০ কোটি টাকার বেশি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এখন যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে, আগামী ঈদুল ফিতর পর্যন্ত বঙ্গবাজারে সেভাবেই ব্যবসা পরিচালিত হবে। ঈদের পরই আমরা সেখানে নতুন মার্কেট নির্মাণকাজে হাত দেবো। আমাদের দরপত্র কার্যক্রম প্রায় শেষ। সেখানে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন আমরা আবারও তাদের সেখানে উঠিয়ে দিতে পারবো। আমরা আশা করছি, প্রধানমন্ত্রী এ মার্কেটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।



ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রকৌশল বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে বেজমেন্ট ১০ তলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হতে পারে। নির্মাণব্যয়ের পুরো অর্থ নেওয়া হবে দোকানমালিকদের কাছ থেকে।


আরও খবর




২৮শে অক্টোবর ২০০৬ বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে নাঙ্গলকোটে জামায়াতের আলোচনা সভা,দোয়া ও বিক্ষোভ মিছিল

মুরাদনগরে চোরাই সিএনজি সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

লগী বৈঠা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে লাকসামে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

আড়াইহাজারে দূষণের দায়ে প্রবাসী হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

মুরাদনগরে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

রায়গঞ্জে ২৮ অক্টোবরের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নারায়ণগঞ্জে শব্দদূষণ ৪ যানবাহনকে জরিমানা

কানুনগোর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগের প্রতিবাদে আকবর হোসনের সংবাদ সম্মেলন

লালমোহনে সড়ক দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মৃত্যু

মুরাদনগরে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

পূর্ব অষ্টগ্রামে গুদাম থেকে চাল না তুলেই বিতরণের অভিযোগ,চাল নষ্ট থাকারও দাবি

পুষ্টি নিরাপত্তায় খাদ্য ফোর্টিফিকেশন জোরদারের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

নওগাঁয় অবৈধ তেল বিপণনে বিএসটিআইয়ের ১০ হাজার টাকা জরিমানা

রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষকী উদযাপিত

সৈয়দপুর বিএইউএসটিতে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

সুমাইয়া বিরিয়ানি খেয়ে অসুস্থ আইইটি স্কুলের শিক্ষকরা

‘বাবা নির্দোষ, প্রভাবশালীর আক্রোশের শিকার’ জিসান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কালু ড্রাইভারের পরিবারের দাবি

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ


এই সম্পর্কিত আরও খবর

ফ্লাওয়ার মিল মালিকদের সংগঠন পেল বাণিজ্য সংগঠনের লাইসেন্স

জাতিসংঘে অনুমোদিত হবে এলডিসির সময় বৃদ্ধি : বাণিজ্যমন্ত্রী

‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’

গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন মীম শরৎ গ্রুপের এমডি মোহাম্মদ সোহাগ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে হবে: আলহাজ মো. সোহাগ

রাষ্ট্রীয় সম্পদে নতুন প্রাণ, বন্ধ পাটকলে ১,০৫০ কোটি টাকার বিনিয়োগ

শিগগিরই মার্জিন ইস্যু রুলসসহ ৩ বিধিমালায় পরিবর্তন : বিএসইসি চেয়ারম্যান

প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নে আরও শক্তিশালী হবে বিএসটিআই: শিল্পমন্ত্রী

সামনের কঠিন পথ সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ সচেতন : বিএসইসি চেয়ারম্যান

জিডিপি-কর্মসংস্থানে বড় অবদান, তবুও নীতি সহায়তার অভাবে ধুঁকছে হালকা প্রকৌশল শিল্প