
মোঃ হেলাল তালুকদার,ঘাটাইল (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি ঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের দেওনাপাড়া বাজারের পশ্চিম পাশে বাংলার কৃষি কাঁঠাল মার্কা মুড়ির ফ্যাক্টরি ।আধুনিকতার ছোঁয়া ও যান্ত্রিক সভ্যতার যুগে যখন প্রতিটি ক্ষেত্রে মেশিনের জয়জয়কার, তখন প্রথাগত ঐতিহ্য ও স্বাদের আভিজাত্য টিকিয়ে রাখতে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগের দেখা মিলছে। চারপাশের যখন হাই-স্পিড অটোমেটিক রাইস মিল বা আধুনিক যন্ত্রের তৈরি মুড়ির ছড়াছড়ি, ঠিক তখনই মানুষের খাঁটি স্বাদ ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে দিতে সম্পূর্ণ হাতের আদরে ও প্রাচীন পদ্ধতিতে ভাজা হচ্ছে মুড়ি।
মেশিনে তৈরি মুড়িতে রাসায়নিক বা ইউরিয়ার ব্যবহারের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। তবে এই ঐতিহ্যবাহী কর্মযজ্ঞে কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক এর বালাই নেই। নিখাদ চাল, লবণ জল আর কারিগরদের সুনিপুণ হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হচ্ছে এই সুস্বাদু মুড়ি। চুলার পাশে দাঁড়িয়ে লোহার কড়াইতে বালি গরম করে তাতে চাল ঢেলে ভাজার এই দৃশ্য যেন গ্রামীণ বাংলার চিরচেনা সোনালী অতীতকে চোখের সামনে ফুটিয়ে তোলে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, মেশিনের তৈরি ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের যুগে গ্রামীণ এই কুটির শিল্প শুধু আমাদের ঐতিহ্যকেই বাঁচিয়ে রাখছে না, বরং স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের নিশ্চয়তাও দিচ্ছে। যান্ত্রিকতার ভিড়ে ঐতিহ্যবাহী এই হাতের ভাজা মুড়ি প্রমাণ করে দিয়েছে—কৃত্রিমতার চেয়ে হাতের ছোঁয়া আর ভালোবাসায় তৈরি খাবারের স্বাদই আলাদা।





































