
নারায়ণগঞ্জের লিংক রোডে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ফেলে রাখা কোরবানির পশুর চামড়া ও বর্জ্য অপসারণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। দুর্গন্ধে জনদুর্ভোগের অভিযোগ পাওয়ার পর সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিনের উদ্যোগে বেকু (খননযন্ত্র) দিয়ে এসব বর্জ্য সরানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা জানান, রিয়াগোপ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সামনে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের কাছসহ লিংক রোডের বিভিন্ন স্থানে কোরবানির পশুর চামড়া ও বর্জ্য ফেলে রাখা হয়েছিল। প্রচণ্ড গরমে এসব চামড়া পচে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে আশপাশের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। শ্বাসকষ্টের রোগীসহ অনেকেই অসুস্থ বোধ করেন এবং দুর্গন্ধে বমি করার ঘটনাও ঘটে।
দৈনিক যুগান্তরের ফতুল্লা প্রতিনিধি আলামিন প্রধান বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি ইউএনওকে জানান এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন। পরে প্রশাসনের উদ্যোগে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়।
স্থানীয়রা বলেন, যেখানে চামড়া ও বর্জ্য ফেলা হয়েছিল, তার বেশির ভাগ অংশ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত। এরপরও জনস্বার্থে পুরো এলাকার বর্জ্য অপসারণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা স্বস্তি পেয়েছেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, লিংক রোডের বর্জ্য অপসারণের দায়িত্বে ফতুল্লা ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদকে নির্দেশনা দেওয়া ছিল। জনদুর্ভোগের বিষয়টি জানার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। খাল খননের কাজে ব্যবহৃত বেকু দিয়ে সড়ক থেকে পশুর চামড়া ও বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
ইউএনও আরও বলেন, অনেক মানুষ সচেতনভাবে কোরবানির বর্জ্য মাটিতে পুঁতে ফেলেন। তবে কিছু অসচেতন ব্যক্তি যত্রতত্র বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দূষণ ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেন। এতে সরকারের অর্থও অপচয় হয়। সড়ক ও জনপরিসর পরিচ্ছন্ন রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।





























