
পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:“নিরাপদ লিচু যেন মানুষ পায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে”— এমন বার্তা দিয়ে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেছেন, লিচু উৎপাদন থেকে বাজারজাত পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।বৃহস্পতিবার সকালে মঙ্গলবাড়িয়া এলাকার ঐতিহ্যবাহী লিচু বাগান পরিদর্শন শেষে আয়োজিত চাষিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে পাকুন্দিয়া উপজেলা প্রশাসন।জেলা প্রশাসক বলেন, কোনোভাবেই যেন লিচুতে ক্ষতিকর রাসায়নিক বা স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ স্প্রে ব্যবহার না করা হয়। একইসঙ্গে বাজারে লিচুর দামও সহনীয় রাখতে চাষিদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, “এখানে এসে আপনাদের সুযোগ-সুবিধা ও সমস্যার কথা জানতে পেরেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।”রূপম দাস–এর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন রিফাত জাহান ও নূরে-ই-আলমসহ স্থানীয় চাষি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।প্রায় আড়াইশ বছর ধরে খ্যাতি বহন করে আসা মঙ্গলবাড়িয়ার লিচু স্বাদ ও সুগন্ধের জন্য দেশজুড়ে সমাদৃত। বর্তমানে মঙ্গলবাড়িয়া, কুমারপুর, হোসেন্দীর একাংশ ও নারান্দী এলাকায় প্রায় ১২ হাজার লিচুগাছ রয়েছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে এসব এলাকা থেকে ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার লিচু বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।





























