শিরোনাম
পত্নীতলায় নজিপুর ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির উদ্বোধন পত্নীতলায় ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ২ শেরপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম,লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ধুনটে উপজেলা পর্যায়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপে প্রথম আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল ঈশ্বরগঞ্জে ইয়াবা-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার,ফারুকের বিরুদ্ধে ৯ মামলা প্রস্তাবিত ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেলে বাঁশকাইটে স্টেশন স্থাপনের দাবিতে মুরাদনগরে মানববন্ধন বান্দরবানে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে যুব উন্নয়ন ক্যাম্পেইন-২০২৬: যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অষ্টগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ,জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্তের আবেদন লালমোহনে মাসিক সমন্বয় ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত চাটখিলে সাংবাদিকের ওপর হামলা: মসজিদের টাকা চুরি চক্রের সদস্য মোতাকে কারাগারে প্রেরণ
বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬

পানির দুষ্প্রাপ্যতায় বেড়ে যাচ্ছে কৃষকের সেচ খরচ

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

পানির দুষ্প্রাপ্যতায় বেড়ে যাচ্ছে কৃষকের সেচখরচ। দেশের সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্প গঙ্গা-কপোতাক্ষের (জিকে প্রকল্প) আওতাধীন সেচ কাজে প্রতি একরে ২০ হাজার টাকা খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে কৃষকের। এক কেজি ধান উৎপাদনে ব্যয় হয় প্রায় দেড় হাজার লিটার পানি। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রায় বছরই মৌসুমে বৃষ্টির পানি পাওয়া যায় না। খরায় চৌ-চির হয় ফসলের ক্ষেত। ভূগর্ভের পানির অধিক ব্যবহারে ভূমিধস ও মাটি দেবে যেতে পারে। বিএডিসি'র ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পের হিসাবে আগামী ১০ বছরে ব্যয় তিনগুণ বাড়বে। বর্তমানে কৃষি উৎপাদনের ৬২ শতাংশ ব্যয় হচ্ছে সেচে। এক দশক আগেও প্রতি হেক্টর জমি চাষে সেচের খরচ ছিল চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। কিন্তু গত কয়েকটি মৌসুমে তা ১২ থেকে ১৭ হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এ ছাড়া পানির স্তর এক ফুট নিচে নামলে কৃষিতে বছরে অতিরিক্ত ব্যয় করতে হয় ৯০ কোটি টাকা। এক ফুট নিচে নামলে পানি উপরে ওঠাতে বেশি শক্তিশালী হর্স পাওয়ার পাম্প দিয়ে পানি তুলতে হয়। এতে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল বা বিদু্যৎ ব্যবহার হয়। বর্তমানে দেশের বেশির ভাগ এলাকায় সাব-মার্সেবল পাম্প বসিয়ে ফসলের ক্ষেতে সেচ দিতে হচ্ছে। এতে সেচখরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে। খাবার পানি, রান্না, গোসল, সেচসহ সব কাজে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নিভর্রশীল বাংলাদেশ। সুপেয় ও চাষাবাদের পানির চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশই ব্যবহার হয় ভূগর্ভস্থ স্তর থেকে। ১৯৬৮ সালে যখন বাংলাদেশে ডিপ টিউবওয়েল বসানো শুরু হয়, তখন সর্বোচ্চ ৫০ ফুট নিচে টিউবওয়েল বসিয়েই পানি পাওয়া যেত। এখন ১৬০ ফুট বসিয়েও পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাচ্ছে না। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পানিসম্পদ প্রকৌশল বিভাগের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতি বছর ভূগর্ভের পানির স্তর দুই থেকে পাঁচ মিটার করে নিচে নামছে। এতে পানিতে আর্সেনিকের পরিমাণ যেমন বাড়ছে, আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ভূমিধস ও মাটি দেবে যাওয়াসহ নানা দুর্ঘটনার। বিএডিসির গ্রাউন্ড ওয়াটার জোনিং ম্যাপে দেখা যায়, দেশের মধ্যভাগ ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বিস্তৃত ৪৮ জেলার ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ৫ থেকে ১০ ফুট পর্যন্ত নিচে নেমে গেছে। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোয় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় সেচ ও খাবার পানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বছরের পর বছর গভীর নলকূপ বসিয়ে বোরো মৌসুমে অপরিকল্পিতভাবে পানি উত্তোলনের ফলে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার সাত উপজেলায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বে সেচের খরচে শীর্ষে এখন বাংলাদেশ। গত কয়েক বছরে বরেন্দ্র অঞ্চলের তিন জেলায় প্রায় সাত হাজার ডিপ টিউবওয়েল বসানো হয়েছে। কোনো নীতিমালা না মেনেই এসব ডিপ টিউবওয়েল বসানো হয়। এর ফলে পানির স্তর প্রায় ৩৭ ফুট নিচে নেমে গেছে। ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নরসিংদী ও ঢাকার আশপাশের এলাকায় পানির স্তর নেমে গেছে প্রায় ২৫ ফুট। এসব এলাকায় পানির স্তর দ্রম্নত নেমে যাওয়ার কারণ হচ্ছে শিল্প-কারখানায় পানির যথেচ্ছ ব্যবহার। এরমধ্যে দেশের প্রায় তিন কোটি মানুষ সুপেয় পানি পাচ্ছেন না। কৃষিবিদ শহীদুল আলম বলেন, দেশের কৃষক নদী-নালা, পুকুর ও খাল-বিলের (ভূ-উপরস্থ) পানি ব্যবহার করে আগে ফসলে সেচ দিত। এ পদ্ধতিতে সেচের আওতাধীন জমির পরিমাণ ছিল ২১ শতাংশ। এখন ভূ-উপরি স্তরের পানি না পাওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার বেড়েছে। গত বছরের হিসাবে ৭৯ শতাংশ জমি মাটির নিচের পানিতে চাষ হয়। এর মধ্যে গভীর নলকূপ দিয়ে ১৫ শতাংশ জমিতে সেচ দেওয়া হয়। প্রায় ৬৪ শতাংশ জমিতে সেচ দেওয়া হয় অগভীর নলকূপ দিয়ে। ভূ-উপরিভাগ ও ভূ-গর্ভস্থ পানির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। জলবায়ুর প্রেক্ষাপটে পানি সমস্যা বাড়বে। এ জন্য আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে। পানির অধিকারে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও কৃষি উৎপাদনকে প্রাধান্য দিতে হবে। ভূগর্ভের পানি মজুত রাখতে উপরিভাগের পানির ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে হবে। পানির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত না করলে পানি নিয়ে বড় বিপদ খুব সন্নিকটে। বৃষ্টির পানি ধরে রাখতে হবে। পানি গবেষক ড. সেলিম খান বলেন, বিগত শতকের সত্তরের দশকের আগে দেশের মানুষের কাছে সুপেয় পানির প্রধান উৎস ছিল পুকুর, নদী, খাল আর জমিয়ে রাখা বৃষ্টির পানি। সত্তরের দশকের শুরুতে কৃষি কাজের জন্য ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার শুরু হয়। আশির দশকে তা ব্যাপকতা পায়। নদীগুলোতে অপরিকল্পিত বাঁধ, জলবায়ুর প্রভাবে প্রতি বছর পর্যাপ্ত বৃষ্টি ও বন্যা না হওয়া এবং দুয়েক বছর পর পর তীব্র খরা হওয়ার কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে সংকট প্রকট হচ্ছে। পানি অধিদপ্তরের পানি প্রকৌশলী কামরুজ্জামান এলাহী বলেন, গত কয়েক বছরে দেশের ৪১ জেলার ১৯২ উপজেলায় দেখা দিয়েছে সেচের পানি সংকট। দেশের অধিকাংশ এলাকায়ই শুরু হয়েছে মরুকরণ প্রক্রিয়া। মহুরি সেচ প্রকল্প, জিকে প্রকল্প, বরেন্দ্র সেচ প্রকল্প এবং মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প বন্ধ হওয়ার পথে। রংপুর, রাজশাহী, খুলনা অঞ্চলেও সেচের পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, পাবনা ও রাজশাহীতে পানির স্তর গড়ে ২০ থেকে ২৫ মিটার পর্যন্ত নেমে গেছে। ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নরসিংদী ও ঢাকার আশপাশের এলাকায় পানির স্তর নেমে গেছে প্রায় ২৫ ফুট। সবচেয়ে বেশি নেমেছে রাজশাহী ও নওগাঁ জেলায়। বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ২০২০ সালেই বিশ্বের প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মানুষ পানির স্বল্পতার শিকার হয়েছে। ২০৫০ সাল নাগাদ পানির অভাবে জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় ধান ও ভুট্টার ফলন দশ শতাংশ কমে যাবে। পানির অভাবে এই অঞ্চলের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলবে। ভিয়েতনাম ও পাকিস্তানে ইতোমধ্যে শস্যের উৎপাদন ৩০ শতাংশ কমে গেছে। 'পানি ও জীবন' ফান্ডেশনের সভাপতি পানি বিশেষজ্ঞ ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, পানির অপর নাম জীবন। খাবার পানি, রান্না, গোসল, সেচসহ সব কাজে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশ। সুপেয় ও চাষাবাদের পানির চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশই ব্যবহার হয় ভূগর্ভস্থ স্তর থেকে। অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের মানুষ সুপেয় পানির তীব্র সংকটে পড়েছেন। বাংলাদেশে আমন চাষ সম্পূর্ণ বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল। এখন কোনো কোনো বছর ভরা বর্ষায়ও বৃষ্টির দেখা মিলে না। ফেটে চৌচির হয় ফসলের মাঠ। দেশে আমন মৌসুমে ডিজেল চালিত ১৭ লাখ শ্যালো টিউবওয়েল মাটির নিচ থেকে পানি তুলে। এগুলো ২০ থেকে ২৪ ফুট মাটির নিচ থেকেও পানি তুলতে পারত। কিন্তু বর্তমানে অনেক এলাকায় মাটির ৩০ ফুট নিচেও পানি পাওয়া যাচ্ছে না। পানির এ দুষ্প্রাপ্যতায় বেড়ে যাচ্ছে কৃষকের সেচখরচ। কৃষিবিদ আব্দুস সালাম বলেন, দেশ মূলত মধ্যভাগ ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বিস্তৃত ৩১ জেলার ভূগর্ভস্থ পানির স্তর প্রতি বছরই একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। পানির স্তর এক ফুট নিচে চলে গেলে কৃষকের বছরে প্রায় ১০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হয়। এক ফুট বেশি দেবে গেলে বেশি হর্স পাওয়ারের সেচ পাম্প দরকার হয়। এতে জ্বালানি তেল বা বিদু্যৎ বেশি প্রয়োজন হয়। ১৯৬৮ সালে যখন বাংলাদেশে ডিপ টিউবওয়েল বসানো হয়, তখন সর্বোচ্চ ৫০ ফুট নিচে বসানো হতো। এখন ১৫০ ফুট নিচে বসানো হলেও পানি মিলছে না। এ বিষয়ে কৃষিবিদ সাইফুল আলম বলেন, বোরো মৌসুমে এক কেজি ধান উৎপাদনে দেড় হাজার লিটার পানির প্রয়োজন হয়। এ পানির জোগান আসে ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে। সেচকাজে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় নিচে নেমে যাচ্ছে পানির স্তর। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে শুধু বোরো উৎপাদনে সেচবাবদ নয় হাজার ৮৭ কোটি টাকার জ্বালানি ব্যয় হচ্ছে। এতে বাড়ছে কৃষকের উৎপাদন ব্যয়। দেশের কৃষককে সেচের পেছনে মোট উৎপাদন ব্যয়ের ৬৫ শতাংশ অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। ধান উৎপাদনে এ খরচ বিশ্বে সর্বোচ্চ।



আরও খবর




পত্নীতলায় নজিপুর ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির উদ্বোধন

পত্নীতলায় ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ২

শেরপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম,লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

ধুনটে উপজেলা পর্যায়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপে প্রথম আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল

ঈশ্বরগঞ্জে ইয়াবা-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার,ফারুকের বিরুদ্ধে ৯ মামলা

প্রস্তাবিত ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেলে বাঁশকাইটে স্টেশন স্থাপনের দাবিতে মুরাদনগরে মানববন্ধন

বান্দরবানে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে যুব উন্নয়ন ক্যাম্পেইন-২০২৬: যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

অষ্টগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ,জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্তের আবেদন

উলিপুরে গভীর রাতে জুয়ার আসরে পুলিশের অভিযান, নগদ টাকাসহ আটক ৪

লালমোহনে মাসিক সমন্বয় ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

চাটখিলে সাংবাদিকের ওপর হামলা: মসজিদের টাকা চুরি চক্রের সদস্য মোতাকে কারাগারে প্রেরণ

ফতুল্লায় ২০০ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

উলিপুরে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের শেয়ার প্রোফাইল ভ্যালিডেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

পত্নীতলায় ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার

পত্নীতলায় নজিপুর বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষের চারা বিতরণ

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

তিন দশকের পথচলার অবসান: খবরের কাগজ হাতে আর দেখা যাবে না নিতাইকে

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

অষ্টগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ,জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্তের আবেদন

বাউফলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ, সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

পুষ্টি নিরাপত্তায় খাদ্য ফোর্টিফিকেশন জোরদারের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামী আমিনী গ্রেপ্তার

শিশুদের মালিকানাবোধেই লুকিয়ে আছে জলবায়ু সংকটের সমাধান

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

কপ৩১-এর প্রস্তুতি: জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে সংসদে তরুণদের সম্মেলন

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

তেলের দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্টে ফেলা যাবে না: পীর সাহেব চরমোনাই

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা