
স্টাফ রিপোর্টার
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকাত আলীকে আবু সাঈদের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল তার পরিবার। তবে কবর জিয়ারতের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সময় তার পাশে বসতে দিতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন আবু সাঈদের ভাই আবু হোসেন।
গতকাল শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দীর্ঘ ২২ বছর পর রংপুর সফরে আসেন তারেক রহমান। রংপুরে আয়োজিত সমাবেশের আগে তিনি আবু সাঈদের বাড়িতে গিয়ে তার কবর জিয়ারত করেন। একই সময় আবু সাঈদের পরিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সেখানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানান।
কবর জিয়ারত শেষে তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় উপাচার্যকে পিছনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়—এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিবিরকর্মী সমালোচনা করেন।
এ প্রসঙ্গে আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক পোস্টে আবু হোসেন বলেন,আসসালামু আলাইকুম। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি স্যারকে আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে আমরা গতকাল আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। তবে আমরা তাকে যথাযথভাবে সম্মান জানাতে পারিনি। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা পরিবারের সদস্য ছাড়া কাউকে বসতে দেননি।
তিনি আরও বলেন,সবাই যেন বিষয়টি ভুলভাবে না বোঝেন। আমন্ত্রণ জানানোর পর যদি কোনো অসঙ্গতি হয়ে থাকে, সে জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।
এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান বলেন,দীর্ঘ দুই যুগ পর তারেক রহমান রংপুরে এসেছেন। এর আগে নির্বাচন কমিশনের বাধায় তিনি আসতে পারেননি। আবু সাঈদের পরিবার উপাচার্যকে নিজেদের পরিবারের একজন হিসেবে মনে করেন বলেই তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কিছু গুপ্ত শিবির অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেরোবি উপাচার্য প্রফেসর ড. শওকাত আলী বলেন,আমাকে আবু সাঈদের বাবা ও পরিবার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তারাই আমাকে তারেক রহমানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তারা বলেন, আমি তাদের অভিভাবকের মতো খোঁজখবর নিই এবং তাদের বোনকে চাকরি দিয়েছি।

























