
চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষা শেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান
মোঃ রেজাউল আজিম, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি।
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পশ্চিম চেচুরিয়া ঘোনাপাড়া দারুসসুন্নাহ খাইরিয়া মাদ্রাসায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর থেকেই ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ন্যায়সংগতভাবে তদন্ত করে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। তবে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির উদ্যোগের সময় ভুক্তভোগী শিশুকেই দায়ী করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরবর্তীতে শিশুটির চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, ওই তথ্যের ভিত্তিতে বাঁশখালী থানা পুলিশ ও র্যাবের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে আটক ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সচেতন মহল বলছে, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সম্মিলিত দায়িত্ব। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত হলে শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনসহ যেকোনো ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে ইতিবাচক বার্তা যাবে।
তাদের প্রত্যাশা, কোনো ধরনের প্রভাব বা চাপের বাইরে থেকে তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিশুর নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করারও দাবি জানানো হয়েছে।
আইনগত অবস্থান: অভিযোগের সত্যতা তদন্তসাপেক্ষ। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে অভিহিত করা আইনগতভাবে সমীচীন নয়।




























