শিরোনাম
পদ্মা পাড়ে নগরবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, এনসিপি প্রার্থী মোবাশ্বেরের গণসংযোগ শুরু কুতুব শাহী মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়, নেই প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা চন্দনাইশে দিনদুপুরে প্রধান শিক্ষকের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল লুট কুমিল্লার শ্রেষ্ঠ পিআইও লাকসামের আহমদ উল্লাহ সবুজ ২৮শে অক্টোবর ২০০৬ বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে নাঙ্গলকোটে জামায়াতের আলোচনা সভা,দোয়া ও বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে চোরাই সিএনজি সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার লগী বৈঠা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে লাকসামে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত রায়গঞ্জে ২৮ অক্টোবরের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কানুনগোর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগের প্রতিবাদে আকবর হোসনের সংবাদ সম্মেলন
শুক্রবার ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শুক্রবার ৩০ অক্টোবর ২০২৬

বছরে সড়কপথের পরিবহন খাত থেকে চাঁদা আদায় ৩ হাজার কোটি টাকা

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

সড়কপথের ওপর ভর করে বড় হচ্ছে দেশের অর্থনীতি। ৬০ শতাংশের বেশি মানুষের যাতায়াত ও ব্যবসা সড়কপথের ওপর নির্ভর। তাই বাড়ছে বাস-ট্রাক ব্যবসার চাহিদা। এই খাতের ব্যবসায়ীরা পরিবহন নিবন্ধন থেকে শুরু করেন উৎকোচ দেয়া। অফিসের উৎকোচ সড়কে নেমে হয়ে যায় চাঁদা। পরিবহনের চাকা ঘুরলেই নেতা, পুলিশ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, শ্রমিক-মালিক সংগঠন; টাকার ভাগ যায় সব টেবিলে। টিআইবির একটি গবেষণা বলছে, শুধু যাত্রী পরিবহন খাতের ব্যবসায়ীরাই প্রতি বছর প্রায় ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা চাঁদা দেয়। পণ্য পরিবহনের হিসেব করলে চাঁদার অংক ছাড়াবে ২ হাজার কোটি টাকা।


দুপুর গড়িয়েছে। এখনও পেটের আগুন নেভেনি বাস চালক রফিকুল ইসলামের। ২০ টাকার আলু,২০ টাকার শাক আর ভাতের সাথে ডাল এখনও উনুনে। আয় ব্যয়ের ফারাকের তার মেলাতে বছর দুই আগেই পরিবার গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে। হোটেলের খাবারের দামও ছুঁয়েছে আকাশ। তাই ভরসা উনুনেই।


বাস চালকের সিটে বসলেই প্রতিদিন আয় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। এ পকেট ও পকেট দিয়ে শূন্য হাতেও ঘরে ফিরতে হয় রফিকুলকে। মালিকের বেঁধে দেয়া ৩ হাজার টাকা জমার সাথে তেল খরচ ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার। হিসেবটা এমন হলে হয়তো জীবন নিয়ে এতো আক্ষেপ থাকতো না তার। জটিলতা চাঁদার টাকা নিয়ে।


তিনি বলেন, 'একদিন গাড়ি না চালালে বেতন পাবো না। আর এতে সন্তানরাও খাবার পাবে না।' 


জীবন হিসেবের এমন জটিল সমীকরণে আরও কারা আছে দেখতে চায়। শুরুটা রাজধানী দিয়ে করতে চাই। চাঁদাবাজির চাপে অতিষ্ট অধিকাংশ বাস মালিক-চালক।


একজন বাসের চালক বলেন, 'সিগন্যাল পড়লেই ২শ’ টাকা করে দিতে হবে। চাঁদা দিয়ে আমার তেলের টাকা এখন পর্যন্ত নেই।'


ভারতের ইঞ্চিনে বাংলাদেশে বানানো কাঠামো লাগিয়ে তৈরি হয় দেশের অধিকাংশ বাস। নিবন্ধন নিয়েই জীবনের গল্প শুরু হয়ে যাত্রীবাহী বাসের। উৎকোচ না দিলে নিবন্ধন নিতেই পড়তে হয় হয়রানির মুখে। এর পর বছর বছর ফিটনেস সার্টিফিকেটের জন্য শুরু হয় দৌড়ঝাপ।


অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চাঁদাবাজি হচ্ছে খুলনায়। চাঁদা বাজি এখানে ওপেন সিক্রেট। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর মোড়। শ্রমিক ইউনিয়নের নামে এখান থেকে তোলা টাকা না দিয়ে যাওয়ার উপায় নেই কারো। সবাই জানে মুখ খোলে না কেউ।


শ্রমিক ইউনিয়নের নামে চাঁদা তোলা ব্যক্তি বলেন, 'আমরা ৩০ টাকা করে নেই। ইউনিয়ন ১০ টাকা  আর বাকি টাকা মালিক সমিতি নিয়ে থাকে।' 


পাওয়া তথ্য বলছে, সোনাডাঙ্গা থেকে যশোর রুটে গাড়ি চলতে ৫টি স্থানে চাঁদা দিতে হয়। সাতক্ষীরা রুটে গাড়ি চললে ৪ টি স্থানে, পাইকগাছা রুটে ৪টি স্থানে এবং বাগেরহাটে গাড়ি চললে ২টি স্থানে চাঁদা দিতে হয় শ্রমিক ইউনিয়নের নামে। এসব স্থানে চাঁদার হার ১০টাকা থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া ঢাকা রুটে গাড়ি চললে শ্রমিক ইউনিয়নের নামে ৫০টাকা এবং রুট কমিটির নামে ৬০ টাকা চাঁদা দিতে হয়। হিসেব অনুযায়ী প্রতিদিন চাঁদা দিতে হচ্ছে।


একজন চালক বলেন, 'একটা স্লিপে ৪১০ টাকা নিয়ে থাকে। বিভিন্ন বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে বিভিন্ন দামে টাকা নিয়ে থাকে।' 


আরেকজন বলেন, 'এই যে রুটে যেই বাসগুলো চলে তার কোনো মালিক সমিতি নেই। রুটে এখন গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করছে রাজনৈতিক নেতারা।'


ব্যবসায়ীক নগরী হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের অবস্থা একই রকম। এখানে রীতিমতো চাঁদাবাজির ঘটনা বলতে ভয় পায় অধিকাংশ বাস মালিক ও চালক। শহরে চলা অধিকাংশ গাড়ির নেই রুট পারমিট, ফিটনেস সার্টিফিকেট কবে নিয়েছেন তারও নেই হদিস।


চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটিন পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল বলেন, 'ট্রাফিক বিভাগ যদি আগামী তিন মাস পরিবহনের কাছ থেকে টাকা নিবে না। তারা যদি বলে কোনো অবৈধ কাজ করতে দিবো না, কোনো ফিনটেসবিহীন গাড়ি চলতে দিবো না। তাহলে দেখবেন চট্টগ্রাম শহর পরিষ্কার হয়ে যাবে।'


চট্টগ্রাম নগরীতে বাস মিনি বাসের জন্য রুট রয়েছে ১৭। অনুমোদিত বাসের সংখ্যা ১ হাজার ১৩০ টি। হিউম্যান হলারের জন্য ১৮ টি রুট রয়েছে, সেখানে ৯৫৯ টি যানবাহনের রুট পারমিট রয়েছে। অটো-ট্যাম্পুর জন্য ২১ টি রুটের অনুমতি দেয়া আছে যেখানে ২ হাজার ১৯৩ টি যানবাহন চলাচল করতে পারে। বাস্তবে এর চেয়েও বেশি যানবাহন চলছে সড়কে। যারা চলছে প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই।


টিআইবির গবেষণা বলছে, দেশের আন্তঃজেলা-দূরপাল্লা রুটের বাসের ক্ষেত্রে বাস প্রতি গড় ঘুষের পরিমাণ ১ হাজার ১৯ টাকা, আন্তঃজেলা-আঞ্চলিক রুটের বাসের ক্ষেত্রে ১ হাজার ১৩৩ টাকা এবং সিটি সার্ভিসের বাসের ক্ষেত্রে গড় ঘুষের পরিমাণ ৫ হাজার ৬৫৬ টাকা। বছরের হিসেবে ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা গুনতে হয় পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টদের।


টিআইবি'র পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, 'আমরা যে হিসাব দিচ্ছি তা কম বাস্তবে এর থেকেও বেশি। এখানে চাঁদাবাজি সড়ক পথে স্বাভাবিক করে ফেলা হয়েছে। ফলে এর প্রভাবটা দ্রব্যমূল্য ও সেবাখাতের উপর পরে। আর এর দ্বিতীয় দফায় প্রভাব পরে জনগনকেই এর বোঝা বইতে হয়।' 


টিআইবির গবেষণার থেকেও ভয়াবহ চিত্র বাস্তবে। পণ্য পরিবহনের চাঁদাবাজির চিত্র ছিল না টিআইবির গবেষণায়। অভিযোগ রয়েছে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, মালিক সমিতি, শ্রমিক সংগঠন, পুলিশ, সবাই নেয় টাকা এই খাত থেকে।


ট্রাক চালক একজন বলেন, 'ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন হাবিজাবি বিভিন্ন নামে চাঁদা তুলছে। প্রত্যেক জায়গাতেই আমাদের টাকা দিতে হয় কোথাও কোথাও ৫০ থেকে  ৩শ’ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়।'


আরেকজন বলেন, 'চাঁদা না দিলে এরা হয়তো গ্লাস ভেঙ্গে ফেলে নয়তো লুকিং গ্লাস ভেঙ্গে ফেলে আর এতে করে বাধ্য হয়ে চাঁদা দিতে হয়।' 


সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির কারণে কৃষকের উৎপাদিত পণ্য কম দামে পায় না ভোক্তা অভিযোগ দোকান মালিক সমিতির।


দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, 'যদি আমরা এই অপ্রাতিষ্ঠানিক চাঁদাবাজি বন্ধ করতে পারতাম তাহলে নিঃসন্দেহে সারাদেশ থেকে ১ থেকে দেড় হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে পারতাম।'


বাংলাদেশ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ড্রাইভার্স ইউনিয়নের সভাপতি তালুকদার মো. মনির বলেন, সকল জায়গায় পণ্য পরিবহনে ট্রাকের ভাড়া বৃদ্ধি হয় এই চাঁদাবাজির কারণে। রাস্তায় রাস্তায় এসব চাঁদাবাজি চলে।'


মাত্র ৩ মাসে চট্টগ্রাম থেকেই চাঁদাবাজির ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে ৪৫ জন। র‌্যাবের দায়িত্বশীলরা বলছে শুধমাত্র কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকাতেই মাসে ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার চাঁদাবাজি হয়। এই টাকার ভাগ যায় সব টেবিলে। ফলে বাড়ে পণ্যের দাম সাথে যাত্রী ভাড়া তো আছেই।


অননুমোদিত ও ফিটনেসবিহীন বাস চলাচলে দৈনিক ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে হয়। এসব চাঁদা আদায় করেন প্রভাবশালীরা। ভাগ পান প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলাবাহিনী সদস্যরাও। চাঁদা আদায়ের অভিযোগে ফেব্রুয়ারি থেকে তিন মাসে ৪৫ জনকে আটক করেছে র‌্যাব। বাহিনীটির তথ্যমতে নগরীতে ৩০ টির বেশি স্থানে মাসে ৩০ থেকে ৪০ কোটি টাকার চাঁদা নেয়া হয়।


চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭ অধিনায়ক লে.ক. মো. মাহবুব আলম বলেন, 'যেসব স্থান মূলত ব্যস্ততম জায়গা সেখানেই চাঁদাবাজি হয়ে থাকে। আমরা যখন অভিযান করি তখন দেখতে পায় এদের চাঁদা তোলার কোনো বৈধতা নেই।'


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, 'তারা যে সার্ভিস চার্জ নেই তা যেন নিদিষ্টভাবে যেন নেই। যখন তারা এইটা নেই না তখন আমরা বিড়ম্বনার শিকার হয়ে যাচ্ছি যা চাঁদাবাজি। সড়কে যখন পুলিশ ফিটনেস পরিক্ষা করে তখন এইটা চাঁদাবাজির অংশ না। আমাদের পুলিশ চাঁদাবাজি যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে।'


পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী  আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, 'আমরা আশ্বস্ত করতে চায় কোন অকারণে অহেতুকভাবে কোনো যান চলাচল বন্ধ করা হবে না। '


বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী , ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত মোট নিবন্ধিত যাত্রীবাহী বাস ও মিনিবাসের সংখ্যা ছিল ৮১ হাজার ৭৭৭টি, যার মধ্যে বাসের সংখ্যা মোট ৫৩ হাজার ৬৫৬টি এবং মিনিবাসের সংখ্যা ২৮ হাজার ১২১টি। বর্তমানে বিআরটিএ হতে নিবন্ধিত বাসের ৭০ শতাংশ ঢাকায় নিবন্ধিত। অপরদিকে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন এর বাসের সংখ্যা নগণ্য যা সড়কে চলাচলকারী বাসের ১.৬ শতাংশ। অনিবন্ধিত বাসের ক্ষেত্রে কি ব্যবস্থা নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।


বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মাদ মজুমদার বলেন, 'জুনের পরে আমরা মাঠে নামবো যেন কোনো ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলতে না পারে। '


২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সড়ক ও পরিবহন খাতের উন্নয়নের বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৬২ কোটি ২১ টাকা, যা মোট বাজেটের ৪.৫ শতাংশ। তবুও দেশের ৬০.২ শতাংশ মানুষের ন্যায্যমূল্যের ভ্রমণ হাতের বাইরে। কোথায় সমাধান?


মন্ত্রী থেকে কর্তৃপক্ষ। চাঁদাবাজি থামাতে পদক্ষেপ নিয়েছে এমন দাবি সবার। তবুও কেন অজানা কারণে চাঁদাবাজি থামছে না। কার শক্তিতে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞাও আমন্য করছে সিন্ডিকেট? সেটা খুঁজে বের করা সময়ের দাবি মাত্র।


আরও খবর




পদ্মা পাড়ে নগরবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, এনসিপি প্রার্থী মোবাশ্বেরের গণসংযোগ শুরু

বগুড়ায় উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, সহযোগিতার আশ্বাস রাষ্ট্রপতির

নিষেধাজ্ঞা শেষ না হতেই মা ইলিশ শিকারে জেলেরা-অভিযানে কোস্টগার্ড বিপুল পরিমাণ জাল আটক

রাজারহাটে জরাজীর্ণ ঘরে নিভৃতে বাস করা ৭৮ বছরের বৃদ্ধা ফুলো রানী দেবের পাশে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন

মুরাদনগরে সাংবাদিক শহিদুল হকের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা

রাণীনগরে গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ

রাঙ্গাবালীতে জেলেদের মাঝে সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয় প্রদৃপ্ত প্রকল্পের আওতায়

রিকশা নষ্ট হওয়ায় কলেজে যাওয়া বন্ধ, প্রতিবন্ধী আবু সাঈদের পাশে ইউএনও

মুরাদনগরে চোরাই সিএনজিসহ আন্তজেলা চোর চক্রের তিন সদস্য আটক

ঘাটাইলে জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা

ঘুষ কেলেঙ্কারিতে বোদা ভূমি অফিস: ৩ কর্মচারীর ঘুষ লেনদেনের ভিডিও ভাইরাল

ভৈরবে পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

গাজীপুর মধ্যরাত্রে প্রেস ক্লাবের নির্বাচন স্থগিত: সাংবাদিকদের তীব্র ক্ষোভ

ফুলপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কুতুব শাহী মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়, নেই প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

‘বাবা নির্দোষ, প্রভাবশালীর আক্রোশের শিকার’ জিসান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কালু ড্রাইভারের পরিবারের দাবি

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বাউফলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ, সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা

রাজশাহীতে পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন


এই সম্পর্কিত আরও খবর

পুষ্টি নিরাপত্তায় খাদ্য ফোর্টিফিকেশন জোরদারের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামী আমিনী গ্রেপ্তার

শিশুদের মালিকানাবোধেই লুকিয়ে আছে জলবায়ু সংকটের সমাধান

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

কপ৩১-এর প্রস্তুতি: জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে সংসদে তরুণদের সম্মেলন

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

তেলের দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্টে ফেলা যাবে না: পীর সাহেব চরমোনাই

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা