
জেলা প্রতিনিধি,নীলফামারী
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের বাহাগিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য দেওয়া মাল্টিমিডিয়া ক্লাসের ল্যাপটব চার মাস ধরে বাড়িতে রেখে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষিকা মাহজুবা উম্মে লাবনীর বিরুদ্ধে।
রোববার (২১ জুন) সকালে বাহাগিলী ইউনিয়নের বাহাগিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে এ তথ্য জানা যায়।
জানা যায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদানের জন্য সরকার ল্যাপটপ, প্রজেক্টর, মডেমসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে। বাহাগিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি ল্যাপটব দেওয়া হয়। তবে একটি দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে রেখে ব্যবহার করছেন সহকারী শিক্ষিকা মাসুদা বেগম আরেকটি নতুন ল্যাপটব চার মাস ধরে বাড়িতে রেখে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন প্রধান শিক্ষিকা মাহজুবা উম্মে লাবনী।
শিক্ষার্থীরা জানায়, বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসের জিনিসপত্র থাকলেও কখনো সেসব ব্যবহার করে ক্লাস নেওয়া হয়নি।
আরেক শিক্ষার্থী মামুনুর রাশেদ বলেন, আমাদের এখানে কখনো মাল্টিমিডিয়া ক্লাস হয়নি। শুধু মাত্র একদিন দেখেছিলাম জিনিসপত্র এনেছে।
এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক সবুজ মিয়া বলেন, বিদ্যালয়ে কখনো মাল্টিমিডিয়া ক্লাস হয়না। এখানে কখনো ক্লাস হওয়া দেখিনি। সরকার যেহেতু বাচ্চাদের শিক্ষার জন্য সরঞ্জাম দিয়েছে সেহেতু এসব ব্যবহার করা উচিত। এতে শিক্ষার্থীরা শিখতে পারবে।
মোসলেমা বেগম নামে আরেক অভিভাবক বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য ল্যাপটব মাল্টিমিডিয়া ক্লাসের জিনিসপত্র দেওয়া হয়ে থাকে তবে এসব কিছু ব্যবহার করা হয়না। শুনেছি শিক্ষক বাসায় নিয়ে ব্যক্তিগতকাজে ব্যবহার করেন।
বাহাগিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাহজুবা উম্মে লাবনী বলেন, কখনো মাল্টিমিডিয়া ক্লাস হয়না এজন্য বাসায় নিয়ে গিয়ে রাখা হয়েছে তাছাড়া একটি নষ্ট হয়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো ফিরোজুল আলম বলেন, বিষয়টি জানালেন খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য দেওয়া সরঞ্জাম বাসায় নিয়ে গিয়ে ব্যবহার করার সুযোগ নাই।
প্রসঙ্গত, এরআগে বাহাগিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাহজুবা উম্মে লাবনীর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের ইট বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ করায় লিখিত অভিযোগ করেছিল স্থানীয়রা।




























