
বিশেষ প্রতিনিধি,
দিন যত যাচ্ছে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে ততই ভালোবাসার স্থান করে নিচ্ছেন শিক্ষাবিদ ও শিল্পপতি আল মুজাহিদ মল্লিক। সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির ১ নং সহ-সভাপতি এবং আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। এই নেতার নিঃস্বার্থ সমাজসেবা ও মানবিক কর্মকাণ্ড এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি এলাকায় ইতোমধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন "মানবতার ফেরিওয়ালা" ও "গরিবের বন্ধু" হিসেবে।
হাজার হাজার মানুষের উপকার করা এই পরোপকারী ব্যাক্তি আল মুজাহিদ মল্লিক । তাহার পরোপকারী কথা বলে শেষ করা যাবেনা। আল মুজাহিদ মল্লিক এর কাজ থেকে কেহ খালি হাতে ফেরত আসে না। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে স্থানীয়ভাবে তিনি "মানবতার ফেরিওয়ালা" বা "গরিবের বন্ধু"র মতো উপাধি পেয়েছেন। আল মুজাহিদ মল্লিক এর ব্যক্তিত্বের জীবনের দুটি ঘটনা তুলে ধরি,
শীতের রাতে নিজের গায়ের চাদর বিলিয়ে দেওয়া-
কয়েক মাস আগের এক তীব্র শীতের রাতের ঘটনা। মোগরাপাড়া চৌরাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন আল মুজাহিদ মল্লিক। গভীর রাতে কনকনে ঠান্ডায় এক অসহায় বৃদ্ধকে রাস্তার পাশে কাঁপতে দেখে তিনি নিজের গাড়ি থামিয়ে নেমে আসেন। তিনি অত্যন্ত নিঃভৃত্যে নিজের গায়ের চাদরটি ওই বৃদ্ধের গায়ে জড়িয়ে দেন। একই সাথে তার রাতের খাবার ও নগদ আর্থিক সাহায্যও করেন। বৃদ্ধ যখন অশ্রুসিক্ত চোখে হাত তুলে দোয়া করছিলেন, আর মুজাহিদ মল্লিক তখন মুচকি হেসে বলেন— "চাচা, দোয়া করবেন যেন আমৃত্যু মানুষের সেবা করে যেতে পারি। ২০১২ সালের সেই স্মরণীয় ঘটনা- ২০১২ সালের একটি ঘটনা আল মুজাহিদ মল্লিকে একটা ঘটনা- সে বছর সপরিবারে আল মুজাহিদ মল্লিক প্রথম হজ্ব পালন শেষে দেশে ফেরার পথে বিমানবন্দরে এসে তিনি জানতে পারেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বাংলাদেশগামী হজের ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। শত শত বৃদ্ধ ও ক্লান্ত যাত্রী যখন চরম ভোগান্তিতে দিশেহারা, তখন আল মুজাহিদ মল্লিক ব্যক্তিগত উদ্যোগে এগিয়ে আসেন। তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে আটকে পড়া প্রায় ৯০০ যাত্রীর তিনবেলার খাবারের ব্যবস্থা করেন এবং নিজে দায়িত্ব নিয়ে পরপর তিনটি ফ্লাইটে তাদের দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন। সবশেষে সবাইকে নিরাপদে বিদায় জানিয়ে তিনি নিজে সর্বশেষ ফ্লাইটে বাড়ি ফেরেন। স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ ভোটারদের মতে, আল মুজাহিদ মল্লিকের মতো একজন পরোপকারী, সৎ ও নিঃস্বার্থ মানুষ যদি সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন, তবে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের ভাগ্যের আমূল পরিবর্তন ঘটবে। দলমত নির্বিশেষে এলাকার উন্নয়নে তিনি এক অভূতপূর্ব ও ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে মনে করছেন উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ।




























