শিরোনাম
অসুস্থ জামায়াত কর্মী সাজুকে দেখতে রাজশাহী মেডিকেলে ডা. জাহাঙ্গীর বাসায় ডেকে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি; রাজশাহীতে দুই আসামি গ্রেপ্তার পদ্মা পাড়ে নগরবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, এনসিপি প্রার্থী মোবাশ্বেরের গণসংযোগ শুরু কুতুব শাহী মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়, নেই প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা চন্দনাইশে দিনদুপুরে প্রধান শিক্ষকের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল লুট কুমিল্লার শ্রেষ্ঠ পিআইও লাকসামের আহমদ উল্লাহ সবুজ ২৮শে অক্টোবর ২০০৬ বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে নাঙ্গলকোটে জামায়াতের আলোচনা সভা,দোয়া ও বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে চোরাই সিএনজি সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার লগী বৈঠা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে লাকসামে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২৬
শ্রমিক অসন্তোষ

বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পোশাক শিল্প, কার্যাদেশ হারানোর শঙ্কা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

গত কয়েকদিন ধরে রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পে চলছে শ্রমিক অসন্তোষ। শ্রমিকরা বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। বেশ কয়েকটি কারখানায় ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। বিশেষ করে সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে বিরাজ করছে চরম অস্থিরতা। এতে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। দেখা দিয়েছে কার্যাদেশ হারানোর শঙ্কায়।


এমন পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন পোশাক শিল্পের মালিকরা। শ্রমিক অসন্তোষের ফলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে চরমভাবে। যথাসময়ে পণ্য শিপমেন্ট নিয়ে বাড়ছে চিন্তা। বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে উৎপাদন শেষ করতে না পারলে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে এয়ার শিপমেন্ট করতে হবে। এতে খরচ বাড়বে কয়েক গুণ। চলমান অস্থিরতা দমন করতে না পারলে ক্রেতাদের আস্থা ধরে রাখা কঠিন হবে।



এছাড়া প্রভাব পড়বে আগামী সিজনের কার্যাদেশে। প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যাদেশ না পেলে শ্রমিকের বেকার হওয়ার আশঙ্কা বাড়বে। কারণ পর্যাপ্ত কার্যাদেশ না থাকলে কারখানা চালু রাখা কঠিন। শ্রমিক আন্দলনের কারণে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়েছে শিল্পখাত।


  

শ্রমিক অসন্তোষসহ নানা কারণে গত এক মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে শতাধিক শিল্প-কারখানায় ভাঙচুর ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ সময়ে দুই শতাধিক কারখানায় উৎপাদন ও বিপণন প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল। ফলে শিল্পের প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এমসিসিআই)।



শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবি পূরণের আশ্বাস দিলেও অসন্তোষ কমেনি, বরং বিভিন্ন ধরনের অযৌক্তিক দাবি তুলে কারখানা ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মালিকরা।

শ্রমিকদের দাবি ও যৌক্তিকতা


প্রথমে মজুরি ও হাজিরা বোনাস বৃদ্ধির দাবিতে মাঠে নামেন শ্রমিকরা। পরে তারা চাকরির ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমতার দাবি জানান। পাশাপাশি তারা বেকারদের জন্য চাকরি ও কর্মচ্যুতদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি তোলেন।




শ্রমিক নেতা ও মালিকপক্ষ তাদের সব দাবি যৌক্তিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন। তারা মনে করছেন, যে ধরনের দাবি উত্থাপন করা হচ্ছে তা সব পূরণযোগ্য নয়। কোনো ক্ষেত্রে অযৌক্তিকও।



চলমান আন্দোলন সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে সম্মিলিত গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার জাগো নিউজকে বলেন, ‘এটা কোনো শ্রমিক আন্দোলন নয়। আমরা ইউনিয়ন করি, দাবি-দাওয়া পেশ করি এবং আলোচনার মাধ্যমে সেগুলো আদায় করি। যে সব দাবি উত্থাপন করা হয়েছে তা যৌক্তিক নয়। বেতন বছর শেষে বাড়বে। আর হাজিরা বোনাস ৩০ দিন কাজ করলে পাবে। সেটা বড় কোনো দাবি নয়, এটা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব।’



পোশাক শিল্পের মালিকরা বলছেন, পোশাক শিল্পে নারীর অংশগ্রহণ বেশি। ফলে দেশে নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে। কাজের ধরনের কারণে নারী শ্রমিকরা এ শিল্পের জন্য বেশি উপযোগী। তাছাড়া সমপরিমাণ পুরুষ শ্রমিক পাওয়া যায় না। সুতরাং, এটা যৌক্তিক দাবি নয়।



চাকরি দেওয়া নির্ভর করে চাহিদার ওপর। যখন কোনো কারখানায় শ্রমিকের প্রয়োজন হয় তখন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। শূন্যপদ না থাকলে কাউকে চাওয়া মাত্রই চাকরি দেওয়া সম্ভব নয়। চাকরি দেওয়ার একটি পদ্ধতি রয়েছে। সেটা অবলম্বন করেই শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয় বলে জানান তারা।



মজুরি বৃদ্ধির দাবির প্রশ্নের উত্তরে তারা বলেন, নিম্নতম মজুরি বোর্ডের নিয়ম অনুসারে বছর শেষে পাঁচ শতাংশ মজুরি বাড়ানো হয়। অনেক ক্ষেত্রে আমরা শ্রমিকের দক্ষতা ও কাজের ধরনের ওপর নির্ভর করে পাঁচ শতাংশের বেশি বাড়াই। কিন্তু এখন বছরের মাঝখানে এ ধরনের মজুরি বৃদ্ধির দাবি কতটা যৌক্তিক সেটা শ্রমিকদের ভেবে দেখা উচিত।



সর্বশেষ ওয়েজবোর্ডের নিয়ম অনুসারে শিল্প-কারখানার মালিকদের প্রতি বছর পাঁচ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধি বাধ্যতামূলক।

কার্যাদেশ হারানোর শঙ্কা


বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মাদ হাতেম বলেন, ‘চলমান শ্রমিক অসন্তোষ থামাতে না পারলে আমরা যথাসময়ে পণ্য রপ্তানি করতে পারবো না। অন্যদিকে এ অবস্থা চলমান থাকলে বৈশ্বিক ক্রেতারা আমাদের ওপর আস্থা হারাবে। ফলে আগামী সিজনের জন্য যে পরিমাণ কার্যাদেশ প্রয়োজন তা পেতে আমরা ব্যর্থ হবো।’


তিনি বলেন, ‘এতে একদিকে যেমন মালিক ক্ষতিগ্রস্ত হবে অন্যদিকে শ্রমিকের চাকরি ঝুঁকিতে পড়বে। কারণ পর্যাপ্ত কার্যাদেশ না থাকলে আমরা শ্রমিকদের বেতন-ভাতা দিতে পারবো না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ফ্যাক্টরি বন্ধ রাখতে হতে পারে।’



আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছে কারা?


সাধারণত শ্রমিকদের দাবি আদায়ের ক্ষেত্রে ট্রেড ইউনিয়নগুলো নেতৃত্ব দেয়। কিন্তু চলমান বিক্ষোভের শ্রমিক সংগঠনের নেতারা যুক্ত নন, বরং তারা এটা অযৌক্তিক আন্দোলন বলছেন। মালিক ও শ্রমিক নেতারা এ আন্দোলনের পিছনে আধিপত্য বিস্তার ও ব্যবসা দখলের অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।


তাদের দাবি, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও এক ধরনের অশ্রমিক স্থানীয় লোকজন শ্রমিকদের উসকে দিয়ে তাদের নিজস্ব উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য এ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।



নাম প্রকাশ না করার শর্তে কারখানার এক শ্রমিক জাগো নিউজকে বলেন, এলাকায় প্রভাব বিস্তার করার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের গ্রুপ থাকে। ক্ষমতার পালাবদলের পর তারা নিজেদের অবস্থান জানান দেওয়ার জন্য শ্রমিকদের ব্যবহার করছেন। এতদিন আওয়ামী লীগের লোকজন কাজ করতেন, এখন পরিবর্তনের পর সেটা অন্য কেউ করবে। যেসব এলাকায় কারখানা আছে সেখানকার লোকাল কিছু লোক থাকেন যারা বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন। যেমন ঝুটের ব্যবসা, খাবার ও অন্য সামগ্রী সরবরাহ।


তিনি বলেন, যেহেতু রাজনৈতিক একটা পরিবর্তনে যারা বঞ্চিত ছিলেন তারা নতুন করে তাদের অবস্থা জানান দিতে চাচ্ছেন। ফলে শ্রমিকদের ভুল বুঝিয়ে এ ধরনের আন্দোলনের ডাক দিচ্ছেন। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ গার্মেন্টস শিল্প দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় বিদেশি মুদ্রা জোগানদাতা।


শ্রমিক নেতা সিরাজুল ইসলাম রনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘বর্তমানে যে ধরনের আন্দোলন চলছে, আমার মতে তা শ্রমিক আন্দোলন নয়। কারণ এই মুহূর্তে শ্রমিকদের তেমন কোনো আন্দোলন দাবি-দাওয়া নেই। যদি কোনো দাবি থাকেও তাহলে সেটা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। বর্তমান অবস্থায় কোনোভাবেই আন্দোলন করা শ্রমিক ও শিল্পের জন্য সমীচীন নয়। অন্য কেউ যেন কোনো ধরনের সুযোগ না নিতে পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে এর সমাধান করতে হবে।’


শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে টিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহিল রাকিব জাগো নিউজকে বলেন, ‘এ আন্দোলন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ক্ষমতার লড়াই। এর একটা হলো ঝুটের ব্যবসা দখল, অন্যটি আওয়ামী লীগের শোডাউন দেখানো যে তারা মাঠে আছে। এখানে সাধারণ শ্রমিকদের তেমন কোনো দাবি-দাওয়া নেই। তবে এক জায়গায় বলা হচ্ছে শ্রমিক ছেলে-মেয়ে ফিফটি ফিফটি করতে হবে। আন্দোলনকারীদের একটা অংশ কারখানায় গিয়ে বলছেন ছেলেরা বসে আছে আর মেয়েদের কাজ দিচ্ছেন, এটা হতে পারে না। কিন্তু তারা জানেনই না যে, মেয়েদের হাতের টেইলারিং কাজ পুরুষরা করতে পারবেন না।’


শুধু মালিক নন, শ্রমিক নেতারাও বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্দোলন না করে বরং শিল্পের স্বার্থে কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন।



শ্রমিক নেত্রী নাজমা আক্তার বলেন, ‘পোশাক শিল্প থাকলে চাকরি পাওয়া যাবে। দাবি-দাওয়া আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করুন। আন্দোলন করে শিল্প ধ্বংস করবেন না দয়া করে। শ্রমিক ভাই-বোনদের অনুরোধ করছি, আপনার কর্মস্থল আপনার একটা পরিবার। আসুন আমরা কারও কথায় কান না দিয়ে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করি এবং কাজে যোগ দেই।’


আরও খবর




ফুলবাড়ীয়ায় তাযকিয়াতুল উম্মাহ্ গার্লস মাদরাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

অসুস্থ জামায়াত কর্মী সাজুকে দেখতে রাজশাহী মেডিকেলে ডা. জাহাঙ্গীর

বাসায় ডেকে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি; রাজশাহীতে দুই আসামি গ্রেপ্তার

পদ্মা পাড়ে নগরবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, এনসিপি প্রার্থী মোবাশ্বেরের গণসংযোগ শুরু

বগুড়ায় উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, সহযোগিতার আশ্বাস রাষ্ট্রপতির

নিষেধাজ্ঞা শেষ না হতেই মা ইলিশ শিকারে জেলেরা-অভিযানে কোস্টগার্ড বিপুল পরিমাণ জাল আটক

রাজারহাটে জরাজীর্ণ ঘরে নিভৃতে বাস করা ৭৮ বছরের বৃদ্ধা ফুলো রানী দেবের পাশে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন

মুরাদনগরে সাংবাদিক শহিদুল হকের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা

রাণীনগরে গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ

রাঙ্গাবালীতে জেলেদের মাঝে সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয় প্রদৃপ্ত প্রকল্পের আওতায়

রিকশা নষ্ট হওয়ায় কলেজে যাওয়া বন্ধ, প্রতিবন্ধী আবু সাঈদের পাশে ইউএনও

মুরাদনগরে চোরাই সিএনজিসহ আন্তজেলা চোর চক্রের তিন সদস্য আটক

ঘাটাইলে জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা

ঘুষ কেলেঙ্কারিতে বোদা ভূমি অফিস: ৩ কর্মচারীর ঘুষ লেনদেনের ভিডিও ভাইরাল

ভৈরবে পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

‘বাবা নির্দোষ, প্রভাবশালীর আক্রোশের শিকার’ জিসান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কালু ড্রাইভারের পরিবারের দাবি

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বাউফলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ, সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা

রাজশাহীতে পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন


এই সম্পর্কিত আরও খবর

পুষ্টি নিরাপত্তায় খাদ্য ফোর্টিফিকেশন জোরদারের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামী আমিনী গ্রেপ্তার

শিশুদের মালিকানাবোধেই লুকিয়ে আছে জলবায়ু সংকটের সমাধান

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

কপ৩১-এর প্রস্তুতি: জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে সংসদে তরুণদের সম্মেলন

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

তেলের দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্টে ফেলা যাবে না: পীর সাহেব চরমোনাই

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা