
প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে খাদ্যপণ্যের দাম। অথচ সেভাবে বাড়ছে না আয়। ফলে নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে খাদ্যপণ্য। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে অর্থাৎ নভেম্বর মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ।
আরো বাড়লো খাবার খরচ, জীবনধারণের ব্যয়। নভেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১১.৩৮ শতাংশে। যা গত অক্টোবরেও ছিল ১১ শতাংশের কম। আর খাদ্য মূল্যস্ফীতিও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩.৮০ শতাংশে। আজ (বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এতে দেখা যায় গত চার মাসে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি হয়েছে নভেম্বরে।
এর আগে চলতি বছর জুলাইয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতায় মূল্যস্ফীতি ১১.৬৬ শতাংশ পৌঁছায়। নতুন সরকার গঠনের পর আগস্ট থেকে আবারো কমে আসতে শুরু করে।
গত সেপ্টেম্বরে ১০ শতাংশের নিচে নামলেও আবারো ধারাবাহিকভাবে মূল্যস্ফীতি বেড়ে চলেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে সাধারণ বা গড় মূল্যস্ফীতির হারও বেড়েছে। এই হার বেড়ে ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ হয়েছে গত মাসে যা ছিল ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ। নভেম্বর মাসে বাড়িভাড়া, আসবাবপত্র, গৃহস্থালি, চিকিৎসাসেবা, পরিবহন ও শিক্ষা উপকরণের দাম বেড়েছে। অক্টোবর মাসে এখাতে মূল্যস্ফীতিরে হার ছিল ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ, অথচ নভেম্বর মাসে বেড়ে যা হয়েছে ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে জুলাই মাসজুড়ে আন্দোলন করেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে করে দেশে এক ধরনের অচল অবস্থা দেখা যায়। ফলে কার্যত দেশের সঙ্গে ঢাকা বিচ্ছিন্ন ছিল, বন্ধ ছিল পণ্যের সরবরাহ। এর ফলে জুলাই মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ১৪ দশমিক ১০ শতাংশ হয়েছিল। দেশের ইতিহাসে এভাবে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি আর দেখা যায়নি।
২০২৩ সালের আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ হয় যা ১২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল। এর আগে খাদ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ছিল ২০১১ সালের অক্টোবরে।







































