শিরোনাম
ঢাকাস্থ নাঙ্গলকোট সমাজ কল্যান সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ও গুণীজন সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত শেরপুরে প্রসব করাতে গিয়ে স্বাস্থ্য সহকারীর স্বামীর বাইক খোয়া গেলো : সন্দেহের তীর মাদক ব্যবসায়ীর দিকে বাংলাদেশে মাদক বিস্তারে পার্শ্ববর্তী একটি দেশের ষড়যন্ত্র আছে- এমপি হানজালা মুন্সিগঞ্জে গণধর্ষণের পর হত্যা করে গৃহবধূকে ফেলে দেয়া হয় নদীতে,৪ জন গ্রেপ্তার শহীদ জিয়ার হাত ধরেই বিদেশে শ্রমিক রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের যাত্রা শুরু - ফজলুল হক মিলন লালমোহনে ‘লাস্ট ড্রেস বাই শওকত’ এর উদ্যোগে অসহায় ও দুস্থদের জন্য দাপন কাপনের সামগ্রী বিতরণ মুরাদনগরে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এলাকাবাসীর মাদকবিরোধী র‌্যালী মুরাদনগরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধে ২০ মামলায় জরিমানা চরফ্যাশনে ধর্ষণচেষ্টা: আত্মরক্ষায় যুবকের গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন গৃহবধূ তরুণকে পিটিয়ে হত্যা: সন্দেহভাজনদের বাড়িতে হামলা-অগ্নিসংযোগ
রবিবার ৩১ মে ২০২৬
রবিবার ৩১ মে ২০২৬

কোটা আন্দোলনের ভবিষৎ কী, কেন রাস্তায় শিক্ষার্থীরা?

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

দেশে আবারও শুরু হয়েছে কোটা বিতর্ক। শিক্ষার্থীরা কোটা বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্ত বহাল রাখতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে কোটার পক্ষে থাকা মুক্তিযোদ্ধা সন্তানরা চাইছেন আদালতের রায় মেনে পুণরায় সবক্ষেত্রে কোটা বহাল রাখার। বিশ্লেষকরা মনে করেন, পুরোপুরি বাতিল না করে কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কার প্রয়োজন। সংকট সমাধানে সরকারকে পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান তাদের।


শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলনে যেমন আছেন সদ্য পড়াশোনা শেষ করা চাকরিপ্রার্থীরা, তেমনি তাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন অধ্যয়নরতরাও। যে কারণে পুরো দেশব্যাপীই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা। বন্ধ আছে পরীক্ষাসহ শ্রেণি কার্যক্রম।


শিক্ষার্থীদের ব্যাপক আন্দোলনের মুখে ২০১৮ সালে সরকারি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে সব ধরনের কোটা বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। কিন্তু গেল মাসে উচ্চ আদালত একটি রায়ের মাধ্যমে ঐ প্রজ্ঞাপনকে অবৈধ ঘোষণা করে, যে কারণে আবারও মাঠে শিক্ষার্থীরা। ঐ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে যে কারণে বিষয়টি বিচারাধীন, কিন্তু প্রশ্ন হলো এমন পরিস্থিতিতে আবার কেন আন্দোলন করছে ছাত্ররা?


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলছেন, আগের প্রজ্ঞাপন বাতিলের পর ফের আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে।


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, 'আমরা পূর্ণাঙ্গ রায় পাচ্ছি না। শুনানি কবে হবে, সেই কথাটা বলা হচ্ছে না। এখানে আমাদের একটা অনাস্থা তৈরি হচ্ছে। এটা যদি দুই থেকে তিন বছর আপিল বিভাগে চলে তাহলে এই সময়ে কোটা পুনর্বহাল থাকবে।'


তিনি আরও বলেন, 'আমরা মনে করি সরকারের এখানে হস্তক্ষেপের অনেক সুযোগ রয়েছে। আমরা তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে কোটা সংস্কার ২০১৮ সালে চেয়েছিলাম, এখনও চাচ্ছি। এটা আদালতের এখতিয়ার না। আমরা সংবিধান অনুযায়ী অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটা চাচ্ছি। কোটা কিন্তু সরকারের নীতির বিষয়, কাকে কত শতাংশ দেয়া হবে। ১৮ সালের পরিপত্রটাই কেবল ২০১৮ সালের এখতিয়ার।'


মূলত ২০১৮ সাল পর্যন্ত সরকারি যে কোটা সুবিধা ছিল, তাতে ১০ শতাংশ করে নারী ও জেলার জন্য, উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ কোটার পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৩০ শতাংশ কোটা বরাদ্দ ছিল।


জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, বিভিন্ন জেলা, উপজাতি ও প্রতিবন্ধীদের জন্য এসব কোটার উদ্দেশ্য ছিল সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে আনা। অপরদিকে সরকারি তালিকা অনুসারে দেশে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা আড়াই লাখের বেশি নয়, যা মোট জনসংখ্যার দশমিক শূন্য শূন্য এক চার শতাংশ। কিন্তু তাদের জন্য বরাদ্দ কোটা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদের জন্য রাখা কোটার চেয়েও ৪ শতাংশ বেশি, ৩০ শতাংশ। কিন্তু কেন?


এর উত্তর মিলবে ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু সরকারের নেয়া দ্য ইনটেরিম রিক্রুটমেন্ট পলিসিতে। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরূপ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত মুক্তিযুদ্ধ পরিবারগুলোকে এগিয়ে আনার লক্ষ্যে তখন ৩০ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, অন্তবর্তীকালীন এই সময়সীমাটা আসলে কত দিনের? 'মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড' এর সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুনের কাছে প্রশ্ন করেছিল।


তিনি বলেন, 'কোটা কমানোর বিষয়টা কখন আসবে। যখন দেখা যাবে যে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান বা প্রজন্মদের চাকরি দেয়ার ক্ষেত্রে পাওয়া যাচ্ছে না। তখন এটি কমানো যেতে পারে। কিন্তু এখনও তো হাজার হাজার সন্তান, নাতি-নাতনি চাকরির জন্য চেষ্টা করছে। তাদের ভাইভায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও চাকরি দেয়া হচ্ছে না। সুতরাং এই ৩০ শতাংশ কোটার এখনও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ৩০ শতাংশ কোটার সঠিক ও পূর্ণাঙ্গভাবে ১০ বছর বাস্তবায়ন করলে এই কোটার প্রয়োজনীয়তা শেষ হবে।'


মো. আল মামুন আরও বলেন, '২০১৮ সালে যে পরিপত্রটি জারি করা হয়েছিল, এটি সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং অবৈধ।'


কোটা বাতিল ও কোটা বহাল রাখার পক্ষে আন্দোলনরত উভয় পক্ষের কথায় এটা স্পষ্ট তারা কোটার যৌক্তিক সংস্কারের ব্যাপারে একমত। কিন্তু যেভাবে আন্দোলন রাজপথে গড়াচ্ছে তাতে এর সমাধান কী?


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, 'যিনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণকালে কোনো কোটা নেননি, তিনি হয়তো চাকরিতে এসে কোটা নিতে পারেন। এভাবে বিষয়গুলো দেখার দরকার আছে। আবার কোনো কোটা আবার চালু করা হলো কিন্তু দেখা গেলো যে ওই পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠী, যাদের জন্য কোটা দেয়া হয়েছিল, তারা মোটামুটি এগিয়ে গেছে। তখন কোটাটা রহিত করা যায়।'


তিনি আরও বলেন, 'কোটার মাধ্যমে ৫৬ শতাংশ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি আর নেই। যে আন্দোলনটা করছে, সেই আন্দোলনের যে যৌক্তিকতা সেটি আমরা উপলব্ধি করি। কারণ যেকোনো দেশে কোটা প্রথা যেমন স্বীকৃত, আবার মেধার ভিত্তিতে নিয়োগেরও প্রয়োজন আছে। তারা কিন্তু কোটা বন্ধ করতে পারেনি। আমার মনে হয় এখনও যদি একটা আলোচনায় বসা যায়, তাহলে একটা সমাধানে পৌঁছা যাবে।'


মুক্তিযোদ্ধা কোটার পক্ষে থাকা আন্দোলনকারীরা বলছেন, ২০১৮ সালের প্রজ্ঞাপন বাতিল ঘোষণা করে দেয়া আদালতের রায়ের পর পুণরায় এই কোটার বাস্তবায়নের সুযোগ এসেছে এবং এটি করতে তারা সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগও শুরু করেছেন। অপরদিকে কোটা বাতিলের আন্দোলনও নতুন মাত্রা পাচ্ছে দিনকে দিন।


এখন কোটা সম্পূর্ণভাবে বহাল থাকবে নাকি বাতিল হবে নাকি যৌক্তিক একটা সংস্কার হবে এটি নির্ভর করছে উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায় এবং সরকারের ওপর।


আরও খবর




ঢাকাস্থ নাঙ্গলকোট সমাজ কল্যান সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ও গুণীজন সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত

দিনাজপুরের লিচুর প্রলোভন দেখিয়ে ৯ বছরের শিশু‌কে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে রহিম ঋশি নামে এক যুবক আঁটক

শেরপুরে প্রসব করাতে গিয়ে স্বাস্থ্য সহকারীর স্বামীর বাইক খোয়া গেলো : সন্দেহের তীর মাদক ব্যবসায়ীর দিকে

বাংলাদেশে মাদক বিস্তারে পার্শ্ববর্তী একটি দেশের ষড়যন্ত্র আছে- এমপি হানজালা

মুন্সিগঞ্জে গণধর্ষণের পর হত্যা করে গৃহবধূকে ফেলে দেয়া হয় নদীতে,৪ জন গ্রেপ্তার

টাঙ্গুয়ার হাওরে শব্দদূষণের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান: ৬ নৌযান, ১৪ লাউডস্পিকার আটক, ৫ জন আটক

১ জুন থেকে ৩ মাসের জন্য বন্ধ হচ্ছে সুন্দরবনের দ্বার।

রাজবাড়ীতে জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল।

রামপালে মৎস্যঘের দখল চেষ্টায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নারীসহ আহত-৫

রামপালে দূর্বৃত্তের হামলায় সাবেক যুবলীগ নেতা নিহত

সৌহার্দ্য ও আনন্দের মেলবন্ধনে দুই দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

গাজীপুরে ২৮ ঘন্টা পরও সন্ধান মেলেনি নদীতে পরে নিখোঁজ হওয়া রাসেলের

উলিপুরে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বাড়ী-ঘরে হামলা ও ভাঙচুর

শহীদ জিয়ার হাত ধরেই বিদেশে শ্রমিক রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের যাত্রা শুরু - ফজলুল হক মিলন

লালমোহনে ‘লাস্ট ড্রেস বাই শওকত’ এর উদ্যোগে অসহায় ও দুস্থদের জন্য দাপন কাপনের সামগ্রী বিতরণ

আসাদ মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদে মনোনয়ন

অতীতের অন্ধকার পেরিয়ে আলোয় ফিরতে চান উত্তরধানঘড়ার প্রাক্তন সেনাসদস্য মিজানুর

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে ঢাকা বিভাগীয় তথ্য অফিসের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

গবেষণা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল ডুয়েটের নতুন ভিসি

ডুয়েট ছাত্রদল নেতার সিজিপিএ ৪.০০ অর্জন, ক্যাম্পাসজুড়ে প্রশংসা

গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: ৫ মাদকসেবী গ্রেফতার

ফুলপুরে ট্রান্সফরমার চোর গ্রেফতার

দেবীগঞ্জের সন্তান রাসেল ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

শরণখোলায় প্রাইভেট একাডেমির শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাস্তায় বসে ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ

গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ

ধর্ষণ মামলায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স গ্রেপ্তার

দক্ষিণ আইচায় ইয়াবাসহ জনতার হাতে আটক কথিত মাদক সম্রাট বাবুল

ডুয়েট উপাচার্যের সঙ্গে এনপিসিবিএল প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়

সাতক্ষীরায় কোটি টাকার কোর্ট ফি জালিয়াতির মূলহোতা পিওন সিরাজুল গ্রেপ্তার

ফুলপুরে যুবলীগ নেতা প্রিন্স গ্রেফতার


এই সম্পর্কিত আরও খবর

জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বজনদের মায়া ছেড়ে ব্যস্ত নগরীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

ইভিএম এখন নির্বাচন কমিশনের ‘বোঝা’

ঈদ দযাত্রায় ৬ দিনে সড়কে ঝরল ১৩১ প্রাণ, রেল-নৌপথ উন্নয়নের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

চলতি বছর হজে ৩৭ বাংলাদেশির মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ২৬

চীনা বাজার নির্ভরতায় ডুবছে চামড়া খাত

ফাঁকা রাজধানীতে বাড়ছে গাড়ির চলাচল

ছুটির শেষ দিনেও চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডে আদালতে আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে: আইনমন্ত্রী

চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপন