শিরোনাম
পদ্মা পাড়ে নগরবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, এনসিপি প্রার্থী মোবাশ্বেরের গণসংযোগ শুরু কুতুব শাহী মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়, নেই প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা চন্দনাইশে দিনদুপুরে প্রধান শিক্ষকের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল লুট কুমিল্লার শ্রেষ্ঠ পিআইও লাকসামের আহমদ উল্লাহ সবুজ ২৮শে অক্টোবর ২০০৬ বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে নাঙ্গলকোটে জামায়াতের আলোচনা সভা,দোয়া ও বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে চোরাই সিএনজি সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার লগী বৈঠা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে লাকসামে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত রায়গঞ্জে ২৮ অক্টোবরের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কানুনগোর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগের প্রতিবাদে আকবর হোসনের সংবাদ সম্মেলন
শুক্রবার ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শুক্রবার ৩০ অক্টোবর ২০২৬

কোটা আন্দোলনের ভবিষৎ কী, কেন রাস্তায় শিক্ষার্থীরা?

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

দেশে আবারও শুরু হয়েছে কোটা বিতর্ক। শিক্ষার্থীরা কোটা বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্ত বহাল রাখতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে কোটার পক্ষে থাকা মুক্তিযোদ্ধা সন্তানরা চাইছেন আদালতের রায় মেনে পুণরায় সবক্ষেত্রে কোটা বহাল রাখার। বিশ্লেষকরা মনে করেন, পুরোপুরি বাতিল না করে কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কার প্রয়োজন। সংকট সমাধানে সরকারকে পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান তাদের।


শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলনে যেমন আছেন সদ্য পড়াশোনা শেষ করা চাকরিপ্রার্থীরা, তেমনি তাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন অধ্যয়নরতরাও। যে কারণে পুরো দেশব্যাপীই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা। বন্ধ আছে পরীক্ষাসহ শ্রেণি কার্যক্রম।


শিক্ষার্থীদের ব্যাপক আন্দোলনের মুখে ২০১৮ সালে সরকারি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে সব ধরনের কোটা বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। কিন্তু গেল মাসে উচ্চ আদালত একটি রায়ের মাধ্যমে ঐ প্রজ্ঞাপনকে অবৈধ ঘোষণা করে, যে কারণে আবারও মাঠে শিক্ষার্থীরা। ঐ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে যে কারণে বিষয়টি বিচারাধীন, কিন্তু প্রশ্ন হলো এমন পরিস্থিতিতে আবার কেন আন্দোলন করছে ছাত্ররা?


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলছেন, আগের প্রজ্ঞাপন বাতিলের পর ফের আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে।


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, 'আমরা পূর্ণাঙ্গ রায় পাচ্ছি না। শুনানি কবে হবে, সেই কথাটা বলা হচ্ছে না। এখানে আমাদের একটা অনাস্থা তৈরি হচ্ছে। এটা যদি দুই থেকে তিন বছর আপিল বিভাগে চলে তাহলে এই সময়ে কোটা পুনর্বহাল থাকবে।'


তিনি আরও বলেন, 'আমরা মনে করি সরকারের এখানে হস্তক্ষেপের অনেক সুযোগ রয়েছে। আমরা তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে কোটা সংস্কার ২০১৮ সালে চেয়েছিলাম, এখনও চাচ্ছি। এটা আদালতের এখতিয়ার না। আমরা সংবিধান অনুযায়ী অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটা চাচ্ছি। কোটা কিন্তু সরকারের নীতির বিষয়, কাকে কত শতাংশ দেয়া হবে। ১৮ সালের পরিপত্রটাই কেবল ২০১৮ সালের এখতিয়ার।'


মূলত ২০১৮ সাল পর্যন্ত সরকারি যে কোটা সুবিধা ছিল, তাতে ১০ শতাংশ করে নারী ও জেলার জন্য, উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ কোটার পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৩০ শতাংশ কোটা বরাদ্দ ছিল।


জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, বিভিন্ন জেলা, উপজাতি ও প্রতিবন্ধীদের জন্য এসব কোটার উদ্দেশ্য ছিল সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে আনা। অপরদিকে সরকারি তালিকা অনুসারে দেশে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা আড়াই লাখের বেশি নয়, যা মোট জনসংখ্যার দশমিক শূন্য শূন্য এক চার শতাংশ। কিন্তু তাদের জন্য বরাদ্দ কোটা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদের জন্য রাখা কোটার চেয়েও ৪ শতাংশ বেশি, ৩০ শতাংশ। কিন্তু কেন?


এর উত্তর মিলবে ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু সরকারের নেয়া দ্য ইনটেরিম রিক্রুটমেন্ট পলিসিতে। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরূপ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত মুক্তিযুদ্ধ পরিবারগুলোকে এগিয়ে আনার লক্ষ্যে তখন ৩০ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, অন্তবর্তীকালীন এই সময়সীমাটা আসলে কত দিনের? 'মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড' এর সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুনের কাছে প্রশ্ন করেছিল।


তিনি বলেন, 'কোটা কমানোর বিষয়টা কখন আসবে। যখন দেখা যাবে যে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান বা প্রজন্মদের চাকরি দেয়ার ক্ষেত্রে পাওয়া যাচ্ছে না। তখন এটি কমানো যেতে পারে। কিন্তু এখনও তো হাজার হাজার সন্তান, নাতি-নাতনি চাকরির জন্য চেষ্টা করছে। তাদের ভাইভায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও চাকরি দেয়া হচ্ছে না। সুতরাং এই ৩০ শতাংশ কোটার এখনও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ৩০ শতাংশ কোটার সঠিক ও পূর্ণাঙ্গভাবে ১০ বছর বাস্তবায়ন করলে এই কোটার প্রয়োজনীয়তা শেষ হবে।'


মো. আল মামুন আরও বলেন, '২০১৮ সালে যে পরিপত্রটি জারি করা হয়েছিল, এটি সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং অবৈধ।'


কোটা বাতিল ও কোটা বহাল রাখার পক্ষে আন্দোলনরত উভয় পক্ষের কথায় এটা স্পষ্ট তারা কোটার যৌক্তিক সংস্কারের ব্যাপারে একমত। কিন্তু যেভাবে আন্দোলন রাজপথে গড়াচ্ছে তাতে এর সমাধান কী?


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, 'যিনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণকালে কোনো কোটা নেননি, তিনি হয়তো চাকরিতে এসে কোটা নিতে পারেন। এভাবে বিষয়গুলো দেখার দরকার আছে। আবার কোনো কোটা আবার চালু করা হলো কিন্তু দেখা গেলো যে ওই পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠী, যাদের জন্য কোটা দেয়া হয়েছিল, তারা মোটামুটি এগিয়ে গেছে। তখন কোটাটা রহিত করা যায়।'


তিনি আরও বলেন, 'কোটার মাধ্যমে ৫৬ শতাংশ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি আর নেই। যে আন্দোলনটা করছে, সেই আন্দোলনের যে যৌক্তিকতা সেটি আমরা উপলব্ধি করি। কারণ যেকোনো দেশে কোটা প্রথা যেমন স্বীকৃত, আবার মেধার ভিত্তিতে নিয়োগেরও প্রয়োজন আছে। তারা কিন্তু কোটা বন্ধ করতে পারেনি। আমার মনে হয় এখনও যদি একটা আলোচনায় বসা যায়, তাহলে একটা সমাধানে পৌঁছা যাবে।'


মুক্তিযোদ্ধা কোটার পক্ষে থাকা আন্দোলনকারীরা বলছেন, ২০১৮ সালের প্রজ্ঞাপন বাতিল ঘোষণা করে দেয়া আদালতের রায়ের পর পুণরায় এই কোটার বাস্তবায়নের সুযোগ এসেছে এবং এটি করতে তারা সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগও শুরু করেছেন। অপরদিকে কোটা বাতিলের আন্দোলনও নতুন মাত্রা পাচ্ছে দিনকে দিন।


এখন কোটা সম্পূর্ণভাবে বহাল থাকবে নাকি বাতিল হবে নাকি যৌক্তিক একটা সংস্কার হবে এটি নির্ভর করছে উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায় এবং সরকারের ওপর।


আরও খবর




পদ্মা পাড়ে নগরবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, এনসিপি প্রার্থী মোবাশ্বেরের গণসংযোগ শুরু

বগুড়ায় উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, সহযোগিতার আশ্বাস রাষ্ট্রপতির

নিষেধাজ্ঞা শেষ না হতেই মা ইলিশ শিকারে জেলেরা-অভিযানে কোস্টগার্ড বিপুল পরিমাণ জাল আটক

রাজারহাটে জরাজীর্ণ ঘরে নিভৃতে বাস করা ৭৮ বছরের বৃদ্ধা ফুলো রানী দেবের পাশে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন

মুরাদনগরে সাংবাদিক শহিদুল হকের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা

রাণীনগরে গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ

রাঙ্গাবালীতে জেলেদের মাঝে সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয় প্রদৃপ্ত প্রকল্পের আওতায়

রিকশা নষ্ট হওয়ায় কলেজে যাওয়া বন্ধ, প্রতিবন্ধী আবু সাঈদের পাশে ইউএনও

মুরাদনগরে চোরাই সিএনজিসহ আন্তজেলা চোর চক্রের তিন সদস্য আটক

ঘাটাইলে জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা

ঘুষ কেলেঙ্কারিতে বোদা ভূমি অফিস: ৩ কর্মচারীর ঘুষ লেনদেনের ভিডিও ভাইরাল

ভৈরবে পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

গাজীপুর মধ্যরাত্রে প্রেস ক্লাবের নির্বাচন স্থগিত: সাংবাদিকদের তীব্র ক্ষোভ

ফুলপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কুতুব শাহী মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়, নেই প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

‘বাবা নির্দোষ, প্রভাবশালীর আক্রোশের শিকার’ জিসান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কালু ড্রাইভারের পরিবারের দাবি

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বাউফলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ, সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা

রাজশাহীতে পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন


এই সম্পর্কিত আরও খবর

পুষ্টি নিরাপত্তায় খাদ্য ফোর্টিফিকেশন জোরদারের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামী আমিনী গ্রেপ্তার

শিশুদের মালিকানাবোধেই লুকিয়ে আছে জলবায়ু সংকটের সমাধান

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

কপ৩১-এর প্রস্তুতি: জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে সংসদে তরুণদের সম্মেলন

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

তেলের দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্টে ফেলা যাবে না: পীর সাহেব চরমোনাই

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা