শিরোনাম
ধুনট পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কাউন্সিলর প্রার্থী টি,এম নূর আলম লিখন লালমোহনে তারুণ্যের প্রেরণা সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ আখাউড়ায় নিজের পছন্দমত পথশিশুরা পেল ঈদের নতুন কাপড় আজমিরীগঞ্জে ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো মানুষের স্রোত ,ফলে সর্বত্র উৎসবমুখর পরিবেশ,আইন শৃংখলা স্বাভাবিক রাখার জন্য পুলিশ প্রশাসন তৎপর দক্ষিণ চট্টগ্রামে ২শতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন মুরাদনগরে কৃষি জমি রক্ষায় রাতভর যৌথ বাহিনীর অভিযান ​দেশবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মোহাম্মাদ আলী তোহা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে পত্নীতলায় শতাধিক মানুষের ঈদ উদযাপন কালিগঞ্জ-আশাশুনিকে সন্ত্রাস-দুর্নীতি-চাঁদাবাজিমুক্ত করতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে: এমপি মুহাদ্দিস রবিউল বাসার সমাজের বৃত্তবানদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান,এম পি ডাঃ জীবন
শনিবার ২১ মার্চ ২০২৬
শনিবার ২১ মার্চ ২০২৬

ক্যাম্পকে ‘যুদ্ধক্ষেত্র’ ভেবে বড় হচ্ছে যে শিশুরা

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

নাফ নদীর ওপারে যুদ্ধ চলছে। হামলার শব্দ, আগুন থেকে সৃষ্ট ধোঁয়া এপারে ভেসে আসে। মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে সাত বছর আগে মায়ের কোলে করে বাংলাদেশে চলে আসা শিশুরা বড় হচ্ছে বাংলাদেশের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। ২০১৭ সালে ‘ফেলে আসা জীবন’ নিয়ে বাবা-মায়ের মুখে সেই ভয়াবহতার গল্প শুনে শুনে বড় হওয়া এই শিশুরা মনে করে, তারা সেই যুদ্ধের মধ্যেই আছে। ক্যাম্পের জীবনও তাদের জন্য একটা ‘যুদ্ধক্ষেত্র’। শরণার্থী অভিবাসন নিয়ে যারা কাজ করেন, তারা বলছেন— ক্যাম্প হয়তো জীবনের নিশ্চয়তা দেয়। কিন্তু ক্যাম্পই তো আসলে ‘জীবন’ নয়। এখানে অনিশ্চয়তা নিয়েই প্রতিনয়ত যুদ্ধ করেই বাঁচতে হয়। আর শিশু অধিকারকর্মীরা বলছেন, যেসব শিশু শৈশবেই অনিশ্চয়তার মানে বুঝে যায়, তাদের যে পরিমাণ মানসিক সহায়তা দরকার; তার কতটুকুই বা ক্যাম্প দিতে পারে!


উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাদের বয়স এখন ১১ থেকে ১৬ বছর। তারা সাত বছর আগে যখন এসেছে। তখনও তাদের কেউই বুঝতো না মায়ের কোলে চড়ে, বাবার ঘাড়ে উঠে দৌড়ে কোথায় যাচ্ছে। যাদের বয়স ছিল ৪ বছর থেকে ৯ বছর। তারা একটু একটু করে বড় হচ্ছে। তারাও বুঝতে শুরুর পর থেকে ‘ক্যাম্প-জীবনকে’ দেখছে। সেখানে ১০ ফুট বাই ১০ ফুটের ঘরেই তাদের জীবন।



বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার যৌথ ফ্যাক্ট শিটের জানুয়ারির হিসাব বলছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্তমান জনসংখ্যা ৯ লাখ ৭৫ হাজার ৩৫০। এরমধ্যে ৫২ শতাংশই শিশু। সেই শিশুদের মধ্যে ৫ বছর থেকে ১১ বছরের ২১ শতাংশ, আর ১২ বছর থেকে ১৭ বছরের ১৫ শতাংশ শিশুর উল্লেখ আছে। ক্যাম্প ১, ৭ ও ৯-এর একটি করে ছেলেশিশু ও একটি করে মেয়েশিশুর মোট ছয়টি দলের সঙ্গে ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশনের মাধ্যমে বেরিয়ে আসে তাদের ভাবনার কথা।


২ মে ২০২৪, উখিয়া, ক্যাম্প-৭ এ ছয়টি ছেলে শিশুর একটি দলের সঙ্গে কথা হয়। ১১ বছর বয়সী এক শিশু চার বছর বয়সে থাকতে এ দেশে এসেছে কোলে চড়ে। এরপর সে জেনেছে, যেখানে সে থাকে সেটা তার নিজের জায়গা না। ওই দূর পাহাড়ে তাদের দেশ। তবে সেখানে যাওয়ার সুযোগ নেই। কোনো একদিন হয়তো ফিরতে পারবে, কিন্তু কোথায় ফিরবে?


‘ওখানে গেলে তারা কেমন থাকবে’, বাবা-মা সেসব আলোচনা করে কিনা প্রশ্নে আরেক শিশু জোয়ায়ের বলে, মায়ের মুখে গল্প শুনেছে সে। সেখানে নিজেদের তিন কক্ষের একটি বাড়ি আছে, চাষের জমি আছে, অন্য আত্মীয়রাও কেউ কেউ আছে। 


এখনও আসলে এসব ঠিকঠাক আছে কিনা— কী মনে হয়, জানতে চাইলে ৫ সদস্যের মেয়েদের গ্রুপের একজনের উত্তর— ‘আছে মনে হয়’।



ক্যাম্প-৯ এর ছেলেদের দলকেও একই প্রশ্ন করা হয়। তাদের সবার বয়স ১০ থেকে ১৪। ‘কেমন কাটে ক্যাম্পে?’ প্রশ্নের জবাবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বড়জন ১৪ বছর বয়সী কবির বলে, ‘আমরা ছোট থেকে সবচেয়ে বেশি শুনেছি যুদ্ধের কথা। আমাদের আসল বাড়ি যেখানে, সেখানে যুদ্ধ চলছে। তাই আমরা এখানে আছি। কিন্তু ক্যাম্পজীবনও তো যুদ্ধই। খাওয়ার ব্যবস্থা, থাকার ব্যবস্থা অন্য কেউ করে দেয়। হিসাব করে খাবার দেয়, খাবার কমিয়ে কমিয়ে দেয়। পানি এক জায়গায় গিয়ে লাইন ধরে জোগাড় করতে হয়— এসব যুদ্ধই। কেন আমরা এখানে সেই উত্তরও আমাদের কাছে নেই।


কবিরের বলা যুদ্ধের বিষয়ে একমত কিনা— জানতে চাইলে এই ক্যাম্পের মেয়েদের দলের ১১ বছরের এক সদস্য বলেন, ‘এখানেও আমাদের ভয়ে দিন কাটে। ইচ্ছেমতো চলার স্বাধীনতা নেই। সবাই কমবেশি চেনা, কিন্তু অচেনা মানুষও অনেক। আমাদের কেউ বিশ্বাস করে না। আমার অনেক বন্ধুর বিয়ে হয়ে গেছে। কতজনকে ক্যাম্প থেকে লুকিয়ে অন্যখানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব বলতেও মানা।‘


ক্যাম্প-১ এর ছেলেদের দল রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে এই বয়সেই। ১১ থেকে ১৪ বছরের সাত শিশুর তিন জনই ফিরে যাওয়ার আন্দোলনের মিছিল-মিটিংয়ে নিয়মিত। মিয়ানমারে এখনও যুদ্ধ চলছে, তাহলে তারা ফিরতে চান কেন— প্রশ্নে তাদের একজন বলছেন, ‘আমরা এখান থেকে বের না হলে আমাদের কোনও ভবিষ্যৎ নেই। এখানে কেউ মারবে না আমাদের, কিন্তু বসে বসে যেটুকু সাহায্য পাবো, সারাজীবন সেটাই খাবো? নিজের জায়গায় যুদ্ধ করে হলেও সেখানেই থাকতে চাই।’


ফেরার বিষয়ে মা-বাবা কী বলেন, প্রশ্নে এখানকার মেয়েদের দলটির সবচেয়ে বড়জন ১৩ বছরের হেরাজান বলেন, ‘এখানে কেউ ঘর পুড়িয়ে দিচ্ছে না বলে যুদ্ধ নাই, তা তো না। আমাদের জীবনটাই যুদ্ধের। সাত বছর হয়ে গেছে, এখন চলে যাবো নিজের জায়গায়। মা বলে— এখানে বন্দি জীবনে রোজ যুদ্ধ। এই কেউ মারা যাচ্ছে, এই পুলিশ অভিযান করছে, এই আগুন লেগে যাচ্ছে, মিছিল মিটিং করলেও ভয়ে ভয়ে করতে হয়।’


শিশু অধিকারকর্মী গওহার নঈম ওয়ারা মনে করেন, এই শিশুদের প্রতি নানাবিধ অন্যায় করা হচ্ছে। যেহেতু তারা শরণার্থী নয়, ফলে নানাবিধ অধিকারের দাবিদার নয়। তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মনোসামাজিক অবস্থান নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই বন্দিজীবন, এই অপরাধপ্রবণ পরিবেশ তাদের প্রাপ্য না। তাদের যদি ট্রাভেল ডকুমেন্ট করে দেওয়া যায় তাহলে যে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ ওঠে, সেখান থেকে তারা রক্ষা পায়। শিশুদের জন্য সর্বোচ্চটা করতে চাওয়া এবং পারা আমাদের উচিত। যেহেতু এখনই তাদের পাঠিয়ে দিতে পারছি না, সেহেতু ভাষাগত দূরত্ব যেন না থাকে, সেসব নিয়েও আমাদের পরিকল্পনা দরকার। 



মা-বাবা তাদের কী বলেন— জানতে চাইলে ১৪ বছরের রিমা বলে, ‘‘আমাদের দেশ ‘বার্মা’, আমরা এখানে বিদেশি সাহায্য নিয়ে থাকি। ওই দিকের যুদ্ধ থামলে আমরা চলে যাবো।’’ 


এরই মধ্যে রিমার বিয়ের প্রস্তাব আসতে শুরু করেছে। এখানেই বিয়ে-সংসার ও আরও কতবছর থাকতে হবে ধারণা করতে পারেন কিনা প্রশ্নে সে বলে, ‘আমাদের দেশে যুদ্ধ শুরু হলো, কী রক্ত মারামারির মধ্যে পালিয়ে এলো সবাই, তাতে প্রাণ বেঁচেছে ঠিকই, কিন্তু যুদ্ধের মধ্যেই আছি। নিজের মাটিতে থাকলে ভরসা থাকে, আমাদের আসলে কোনও জীবন নেই।


‘ক্যাম্প-জীবন তো স্বাভাবিক জীবন হওয়ার কোনও সুযোগ নেই’ উল্লেখ করে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার শামসুদ্দৌজা বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করি তাদের নানাবিধ অ্যাক্টিভিটির মধ্যে রাখতে। ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয় কমিশনের পক্ষ থেকে। তারপরেও ক্যাম্প তো ক্যাম্পই। তাদের ফিরে যাওয়া নিয়ে নানা রাজনীতি আছে, সেসব কথা শিশুদের কানে যায়। তারা মানসিকভাবে বিভ্রান্ত বোধ করতে পারে।’


আরও খবর




ধুনট পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কাউন্সিলর প্রার্থী টি,এম নূর আলম লিখন

লালমোহনে তারুণ্যের প্রেরণা সংগঠনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ

আগামীকাল ঈদ: টাঙ্গুয়ার হাওরবাসীর আনন্দ ম্লান

শ্রীপুরের ২ নং সিএন্ডবি বাজার কমিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

আখাউড়ায় নিজের পছন্দমত পথশিশুরা পেল ঈদের নতুন কাপড়

নন্দীগ্রামে অসুস্থ গরু জবাই, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২০হাজার টাকা জরিমানা ও জবাইকৃত গরুর মাংস জব্দ এবং ধ্বংস

সৌদির সাথে মিল রেখে সাতক্ষীরায় ২০ গ্রামের মানুষ আদায় করলো ঈদের নামাজ

আজমিরীগঞ্জে ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো মানুষের স্রোত ,ফলে সর্বত্র উৎসবমুখর পরিবেশ,আইন শৃংখলা স্বাভাবিক রাখার জন্য পুলিশ প্রশাসন তৎপর

দক্ষিণ চট্টগ্রামে ২শতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন

মুরাদনগরে কৃষি জমি রক্ষায় রাতভর যৌথ বাহিনীর অভিযান

​দেশবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মোহাম্মাদ আলী তোহা

সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে পত্নীতলায় শতাধিক মানুষের ঈদ উদযাপন

সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে পাকুন্দিয়ায় একটি গ্রামে ঈদ উৎযাপন

চিরিরবন্দরে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত

টাঙ্গুয়ার হাওরে পানি ঢোকে এটাই স্বাভাবিক, চাষাবাদ না করার বার্তা জেলা প্রশাসকের

শ্যামনগরে গৃহবধূ তামিমার মৃত্যু ঘিরে রহস্য,আটক স্বামী

সাংবাদিকতার ন্যূনতম ব্যাকরণ সম্পর্কে নেই ধারণা এরাও পরিচয় দিচ্ছে সাংবাদিক, বিপাকে প্রকৃত সংবাদকর্মীরা

রাজশাহীতে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী সভা, দ্রুত ন্যায়বিচারে সামারি ট্রায়ালের ওপর জোর

নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে মোবাইল কোর্টে ভুয়া সাংবাদিকের কারাদণ্ড

রামপালে ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুলে নতুন প্রিন্সিপালের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাফল্য, সন্তুষ্ট অভিভাবকরা

কুমিল্লা হতে সংরক্ষিত মহিলা এমপি হতে চান শামীমা আক্তার রুবী,নিজ এলাকাজুড়ে ইতিবাচক সাড়া

বিশ্বদৃষ্টি সম্পাদক সম্মাননা পদক পেলেন মুরাদনগরের শামীমা আক্তার রুবি

কাউন্সিলর থেকে মেয়র পদের দৌড়ে: ভোলা পৌরসভায় আলোচনায় হুমায়ুন কবির সোপান

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুলে অভিভাবকদের ফ্রি কুরআন শিক্ষার ক্লাস

গঙ্গাচড়া প্রেসক্লাবের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন,লাল সভাপতি ও রিজু সাধারণ সম্পাদক

অষ্টগ্রামে এস. এ বাতিঘর এর উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

পদোন্নতির দাবিতে উত্তাল দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড

রামপালে সাংবাদিকের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে অপপ্রচার, থানায় সাধারণ ডায়েরি

ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল আলিম


এই সম্পর্কিত আরও খবর

মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী

পেট্রোল পাম্পে ‘প্যানিক বায়িং’

গণপরিবহন ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা, আলোচনায় ইলেকট্রিক বাস

সংসদের মন্দ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

ভরা মৌসুমে সারের মূল্যবৃদ্ধি, বোরো চাষে বিপদসংকেত

প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় অবহেলা সহ্য করা হবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ওয়াসার পানির দাম বাড়ায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কারিগরি শিক্ষা খাতই হবে প্রধান চালিকাশক্তি

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসারকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

চাঁদাবাজ-অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান