
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি বাসায় চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হোসেন (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে ৪৯ ভরি ১৫ আনা স্বর্ণালংকার ও ৮ ভরি ১৪ আনা রূপার অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার হোসেন ওই বাসার ড্রাইভার ছিলেন।
গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফতুল্লার শিকদার বাজার, গাবতলী ও টাগারপাড় এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১ সেপ্টেম্বর শিকদার বাজার, গাবতলী ও টাগারপাড় এলাকার একটি বাসায় চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা বাসায় ঢুকে নগদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার, রূপার অলংকার ও সিসি ক্যামেরার ডিভিআরসহ আনুমানিক ১ কোটি ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানায় চুরি মামলা করা হয়। মামলার তদন্তে ঘটনাস্থলের আশপাশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করে পুলিশ। ফুটেজে ঘটনার দিন বাড়ির ড্রাইভার হোসেনকে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়িতে ঢুকতে এবং কিছুক্ষণ পর বের হয়ে যেতে দেখা যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, ওই ফুটেজের সূত্র ধরে হোসেনের গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হয়। পরে সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া স্বর্ণ ও রূপার অলংকার উদ্ধার করা হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুব আলমের তত্ত্বাবধানে এসআই পলাশ বাউনের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। এতে এসআই মিলন ফকিরসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
গ্রেপ্তার হোসেনের বাড়ি শেরপুর সদর উপজেলার চাপাতলী এলাকায়। বর্তমানে তিনি ফতুল্লার চানমারি এলাকায় জাকিরের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। চুরি যাওয়া অন্যান্য মালামাল উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।



























