
মোঃ অহিদ, তিতাস(কুমিল্লা)
কুমিল্লার তিতাস থানাধীন উলুকান্দি গ্রামে এক সালিশি বৈঠককে কেন্দ্র করে একটি পরিবারের ওপর ১৫/১৬ জনের একদল সন্ত্রাসী নারকীয় হামলা চালিয়েছে এতে একই পরিবারের নারীসহ ৭ জন গুরুতর আহত হয়েছেন,আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (ICU) রাখা হয়েছে,বাকি ৫ জন তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন, হামলাকারীরা বাড়িঘর ভাঙচুরসহ নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে, ঘটনার বিবরণ ও সূত্রপাত,স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ জুন শনিবার রাত ৯টার দিকে উলুকান্দি গ্রামের বাসিন্দা শাহাবুদ্দিনের পারিবারিক একটি বিষয়ের সমাধান লক্ষে গ্রামবাসী এক সালিশি বৈঠকের আয়োজন করেন, উক্ত বিচারে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে শাহাবুদ্দিনের ছেলে রেজাউলকে বেশি রাত পর্যন্ত বাইরে আড্ডা না দেওয়ার জন্য নিষেধ ও সতর্ক করা হয়,এই কথা বলার জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে শাহাবুদ্দিন ও তার পরিবারের সদস্যরা সালিশি বৈঠকেই উপস্থিত মানিক মিয়া ও তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়,থানায় অভিযোগ ও অতর্কিত হামলা
হুমকির ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে ২১ জুন রবিবার তিতাস থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মানিক মিয়া, থানা থেকে অভিযোগ জমা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে আগে থেকে ওত পেতে থাকা ১৫/১৬ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল মানিক মিয়ার বাড়ির সামনে তার পরিবারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে,সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র (রামদা, ছেনী, লোহার রড ইত্যাদি) দিয়ে মানিক মিয়ার পরিবারের সদস্যদের ওপর পরপর দুইবার নারকীয় হামলা চালায় এবং এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে, আহতদের তালিকা ও বর্তমান অবস্থা
হামলায় গুরুতর আহত ৭
বর্তমান অবস্থা ও চিকিৎসাস্থল |
নূর-মোহাম্মদ (প্রবাসী) ২৮ ডান চোখে গুরুতর কোপের আঘাত, আশঙ্কাজনক অবস্থায় *ঢামেক ICU*-তে ভর্তি, শিউলি( ৩২) লোহার রডের আঘাতে গুরুতর জখম, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢামেক ICU তে ভর্তি
মানিক মিয়া (৩৬)বাম হাতের হাড্ডি ভাংঙ্গে, বর্তমানে, তিতাস উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
আলম(৪০) তিতাস উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন,সামিম (৫৫)ইয়াসমিন (২৮) ইয়াসিন(১৮) তিতাস উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, লুটপাট ও ভাঙচুর ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, সন্ত্রাসীরা কেবল কুপিয়ে জখম করেই ক্ষান্ত হয়নি, বরং ঘরে প্রবেশ করে ৪টি বসতঘর ব্যাপক ভাঙচুর করে, এ সময় মাছিমপুর বাজারে গরু বিক্রি করে সঙ্গে রাখা নগদ ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং ঘরের মহিলাদের শরীরে থাকা স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে যায় হামলাকারীরা,এলাকাবাসীর বক্তব্য "একটি সাধারণ সালিশি বৈঠককে কেন্দ্র করে থানায় অভিযোগ দেওয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে একটি পরিবারকে শেষ করার চেষ্টা করা হলো, তা অত্যন্ত বর্বরোচিত, আমরা দ্রুত অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি"
এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে,




























