শিরোনাম
পুঠিয়ায় এসিল্যান্ডের ব্যতিক্রমী উদ্যোগে নতুন পোশাকে শিশুদের ঈদ আনন্দ পোরশায় বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর (বীর উত্তম) ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে মুরাদনগরে বিএনপি'র দোয়া মাহফিল সেনবাগে তার চুরিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ,পুলিশসহ আহত ২৫ পত্নীতলায় শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন পর্যটনের নতুন আকর্ষণ জলসুখা সেতু,ঈদের ছুটিতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়! সোনাইমুড়ীতে আবাবিল যুবসংঘ সংগঠনের উদ্যোগে ১৪০ পরিবারের মাঝে গোশত বিতরণ শোলাপুকুরিয়া ইসলামী সমাজসেবা যুব উন্নয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশন কর্তৃক দুই নতুন লাখপতি ও ৯ জন স্বপ্নের বাজার বিজয়ী নির্বাচিত নোয়াখালীতে তার চুরিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ,পুলিশসহ আহত ২৫
রবিবার ৩১ মে ২০২৬
রবিবার ৩১ মে ২০২৬

পুরোনো স্টাইলে ফিরে যেতে চাই না, এনপিআরকে ড. ইউনূস

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ অক্টোবর ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০১ অক্টোবর ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

বাংলাদেশের জনগণ আগের অবস্থায় ফিরে যেতে চায় না, তারা পরিবর্তন চায় বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।


গত সপ্তাহে জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে মার্কিন পাবলিক ব্রডকাস্টিং সংস্থা এনপিআরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি গতকাল সোমবার প্রচার করে এনপিআর।


এক প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস বলেন, আমরা পুরোনো স্টাইলে ফিরে যেতে চাই না। তাহলে এতো জীবন দেওয়ার মানে কী? এর কোনো মানে নেই। কারণ আমরা যা করেছি, সবকিছু ধ্বংস করেছি। তাই একটি নতুন দেশ নির্মাণ আমাদের শুরু করতে হবে।


আগস্টের শুরুতে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। ওই সময় ড. ইউনূস গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে যোগদান করার প্রেক্ষিতে প্যারিসে আবস্থান করায় প্রায় ৫,০০০ মাইল দূর থেকে এসব ঘটনা দেখছিলেন। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি তখন অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশে সম্ভাব্য কারাবাসের ঝুঁকির মধ্যে ছিলেন।


কিন্তু ৫ আগস্ট শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার কয়েক ঘণ্টা পর ইউনূসের কাছে একটি ফোন কল আসে। তাকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়। তিনি গত ২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সিটিতে এনপিআর-এর মর্নিং এডিশনে বলেছিলেন, এটি ছিল ‘ঘটনার খুব অদ্ভুত পরিবর্তন’।


ড. ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তৃতা করার পর এনপিআর-এর মিশেল মার্টিনের সঙ্গে আলাপচারিতায় বসেছিলেন। সাক্ষাৎকারটি স্পষ্টতার জন্য কিছুটা সম্পাদনা করা হয়েছে।


মিশেল মার্টিন: গত গ্রীষ্মে যখন আমরা কথা বলেছিলাম আপনি দুর্নীতির অভিযোগে বিচারাধীন ছিলেন এবং এখন আপনি বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এসব কিছুই ঘটনার পালাবদল। নিজেকে এই অবস্থানে পেয়ে অবাক হচ্ছেন কি?


ড. ইউনূস: ঘটনার খুবই অদ্ভুত পালাবদল। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে আমি প্যারিসে ছিলাম, আমি দেখার চেষ্টা করছিলাম যে আমি ফিরে যাব কি-না, আমাকে গ্রেফতার করা হবে, কারণ তিনি আমার ওপর রাগান্বিত হবেন এবং আমাকে জেলে পাঠাবেন। তাই ভাবছিলাম ফিরতে দেরি করব। আর হঠাৎ বাংলাদেশ থেকে একটা ফোন পেলাম যে তিনি (শেখ হাসিনা) এখন চলে গেছেন। আমরা চাই আপনি সরকার প্রধান হন। এটি একটি বড় চমক ছিল। 


মার্টিন: আপনি যখন ফোনটি পেয়েছিলেন তখন আপনার মনে কী হয়েছিল?


ড. ইউনূস: দেশ পরিচালনায় আমার আদৌ যুক্ত হওয়া উচিত কি-না। এটা খুবই কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতি। কিন্তু যখন ছাত্ররা আমাকে ডেকে ব্যাখ্যা করল যে পরিস্থিতি কী, অবশেষে আমি বললাম, ‘হ্যাঁ, তোমরা এর জন্য জীবন দিয়েছ। তোমরা যদি জীবন দিতে পার, তবে আমি আমার সকল অন্যান্য বিবেচনা বাদ দিতে পারি। আমি তোমাদের সেবা করতে পারি। আমি এটা করব।’


মার্টিন: আপনি যখন বলেন যে আপনি জীবন দিয়েছেন আপনি অতিরঞ্জিত করেননি এবং এটি কোন রূপক নয়।


ড. ইউনূস: না, এটা কোনো রূপক নয়। মানুষ মারা যায়। প্রায় এক হাজার যুবক মারা গেল, বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে বুলেটে বুক পেতে দিলো। আক্ষরিক অর্থে যুবকরা এসে আত্মাহুতি দিয়েছে। তারা যখন বিক্ষোভে যোগ দিতে তাদের বাড়ি থেকে বের হচ্ছিল, তারা তাদের বাবা-মাকে বিদায় জানাচ্ছিল। তারা তাদের ভাইবোনদের বিদায় বলছে; ‘আমি হয়তো ফিরে আসব না।’ এটাই সেই চেতনা যার মধ্যে পুরো ব্যাপারটা ঘটেছে। এবং অবশেষে, এটি এতটাই অবিশ্বাস্য ছিল। প্রধানমন্ত্রী দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন কারণ পুরো জনতা তার বাড়ির দিকে আসছিল।


মার্টিন: একদিকে এসব বিক্ষোভ আন্দোলনে খুবই অজনপ্রিয় কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত নেতার প্রস্থানের পথ প্রশস্ত করেছিল। সেইসব বিশৃঙ্খলতার প্রথম দিনগুলোতে, আহমদিয়া ও হিন্দুদের ওপর হামলা হয়েছিল। এ সব ঘটনার কিছু অংশ ছিল শেখ হাসিনার দলের প্রতি তাদের আনুগত্যের কারণে। এর কিছু ঘটনা কেবলমাত্র সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে আক্রমণ বলে মনে হয়েছে। সেসব ঘটনাও কমে গেছে। কিন্তু তারপর থেকে, আরও হামলা হয়েছে, এইবার সুফি মাজারে। আমাদের প্রতিবেদন অনুসারে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে ২০ টিরও বেশি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, উত্তেজিত জনতার হাতে হত্যা হয়েছে। কেন এমন হচ্ছে?


ড. ইউনূস: জনগণ বিপ্লবের মেজাজে আছে। সুতরাং এটি একটি বিপ্লবী পরিস্থিতি। তাদের অনেককে হত্যা করা হয়েছে। তাই তারা এমন লোকদের খুঁজছে যারা তাদের সহকর্মীদের মৃত্যু ঘটিয়েছে। তাই জনগণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন দলের অনুসারীদের ওপর হামলা চালাচ্ছিল। আপনি যখন বলেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা হচ্ছে, সেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায় শেখ হসিনার সঙ্গে যুক্ত ছিল। সুতরাং আপনি পার্থক্য করতে পারবেন না যে, তারা শেখ হাসিনার অনুসারী হওয়ার কারণে তাদের ওপর হামলা হয়েছে নাকি তারা হিন্দু বলে তাদের ওপর হামলা হয়েছে। কিন্তু তাদের ওপর হামলা হয়েছে, এটা নিশ্চিত। কিন্তু তারপর আমরা সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করি। আমি সবাইকে বলতে থাকি যে, আমাদের মতভেদ থাকতে পারে। এর মানে এই নয় যে, আমাদের একে অপরকে আক্রমণ করতে হবে।


মার্টিন: আপনি কি মনে করেন যে আপনি জনগণকে প্রতিশোধের পরিবর্তে সংস্কারের দিকে মনোনিবেশ করার পথে ফিরিয়ে আনতে পারেন?


ড. ইউনূস: প্রতিশোধের সময় মাত্র কয়েক সপ্তাহ ছিল। কিন্তু তারপর স্বাভাবিকতা ফিরে আসতে শুরু করে। তাই আমরা দেশ চালাচ্ছি। কিন্তু বিক্ষোভ আছে, প্রতিশোধমূলক বিক্ষোভ নয়। বেশিরভাগ বিক্ষোভ তাদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে, তাদের চাকরির দাবিতে, যাদেরকে সরকার আগে বরখাস্ত করেছিল। তাই তারা বলেছিল, অতীতের সরকার আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে এবং আমরা বিনা কারণে আমাদের চাকরি হারিয়েছি। কারণ আমরা অন্য রাজনৈতিক দলের সদস্য। তাই বঞ্চিতরা সবাই তাদের দাবি মেটানোর চেষ্টা করছে। আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করছিলাম। দেখুন এগুলো আপনাদের ১৫ বছরের ক্ষোভ। আমরা ১৫ দিনের মধ্যে এটি সমাধান করতে পারি না। আমাদের কিছু সময় দিন যাতে আমরা ফিরে যেতে পারি। আপনারা একটি খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন এবং আমাদের এটি এমনভাবে সমাধান করতে হবে যাতে এটি পদ্ধতিগতভাবে সম্পন্ন হয়।


মার্টিন: সময়ের কথা বলছি, সেনাবাহিনী আপনার পেছনে রয়েছে। সামরিক নেতারা বলেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ১৮ মাস শাসন করতে হবে। বিরোধী দলগুলো তা চায় না। তারা নভেম্বরে নির্বাচন চেয়েছিল। আপনার যা করতে হবে তা করার জন্য কি ১৮ মাস যথেষ্ট সময় আছে?


ড. ইউনূস: জনগণ এই সংখ্যাগুলো বিবেচনা করছে না। কত মাস, কত বছর তাদের প্রয়োজন মনে হয়। কেউ কেউ বলে যে এটি দ্রুত করা উচিত, কারণ আপনি যদি দীর্ঘায়িত করেন আপনি অজনপ্রিয় হবেন এবং সবকিছু এলোমেলো হয়ে যাবে। কেউ কেউ বলেন যে না, আপনাকে সংস্কার শেষ করতে হবে। সুতরাং আপনি দীর্ঘ সময় ধরে থাকুন। কারণ আমরা সবকিছু ঠিক না করে বাংলাদেশ ২.০-এ যেতে চাই না। তাই এই নিয়ে বিতর্ক চলছে।


মার্টিন: আপনি জানেন, আপনি প্রায় সুশীল সমাজের মতো করে সম্পূর্ণ পুনর্গঠনের কথা বলছেন।


ড. ইউনূস: সংস্করণ ২-এর অর্থ ঠিক এটাই। আমরা পুরনো স্টাইলে ফিরে যেতে চাই না। তাহলে এত জীবন দেওয়ার মানে কী? এর কোনো মানে নেই। কারণ আমরা যা করেছি, সবকিছু ধ্বংস করেছি। তাই একটি নতুন দেশ নির্মাণ আমাদের শুরু করতে হবে। 


মার্টিন: আপনি জানেন, এটি চ্যালেঞ্জিং, কিন্তু এটি উত্তেজনাপূর্ণ তাই না?


ড. ইউনূস: এটা খুবই উত্তেজনাপূর্ণ। আপনি নেতিবাচক দিক দেখছেন। আমি এটাকে খুবই ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখি। আমি বলেছিলাম এই জাতি সবচেয়ে বড় সুযোগ পেয়েছে। এসব মানুষ, দেশ একটি বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ: আমাদের পরিবর্তন দরকার।


মার্টিন: আপনি ৮৪ বছর বয়সী। আমি জানি না যে, আপনি কখনো নিজেকে সরকারপ্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ভেবেছেন কি-না। আপনি কি মনে করেন যে, আপনি বাংলাদেশকে সেই দেশে পরিণত হতে দেখবেন যা আপনি আশা করেন, আপনার জীবদ্দশায়?


ড. ইউনূস: সব কিছু নয়। তবে আমি খুব খুশি হব, এটি হওয়ার পথে। প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিক আছে। নীতি সঠিক। তরুণেরা বিশ্বকে পরিবর্তন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে তারা দেশের মধ্যে এবং বিশ্বব্যাপী ভূমিকা পালন করে। জলবায়ু পরিবর্তনের কথা বললে, আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের ভুক্তভোগী। তবে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমি সবসময় তরুণদের গুরুত্ব দেই কারণ তারাই ভবিষ্যৎ গড়বে এবং যেভাবেই হোক তাদের নেতৃত্বের অবস্থানে থাকা উচিত। কারণ তাদের উত্তরাধিকারসূত্রে এই গ্রহে থাকতে হবে। আপনি উল্লেখ করেছেন যে আমি ৮৪ বছর বয়সী। আমার সামনে দীর্ঘ সময় নেই, তাদের সামনে পুরো জীবন রয়েছে।


আরও খবর




পুঠিয়ায় এসিল্যান্ডের ব্যতিক্রমী উদ্যোগে নতুন পোশাকে শিশুদের ঈদ আনন্দ

পোরশায় বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর (বীর উত্তম) ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে মুরাদনগরে বিএনপি'র দোয়া মাহফিল

গাজীপুরের কাশিমপুরে ঈদ আনন্দ উদযাপন করতে গিয়ে নদীতে পরে নিখোঁজ একজন

ধর্মপাশায় জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাতাত বার্ষিকী উদযাপন

নোয়াখালীর সেনবাগে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ২৫

শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকীতে গাজীপুরে মিলাদ ও গণভোজ

সেনবাগে তার চুরিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ,পুলিশসহ আহত ২৫

পত্নীতলায় শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন

পর্যটনের নতুন আকর্ষণ জলসুখা সেতু,ঈদের ছুটিতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়!

সোনাইমুড়ীতে আবাবিল যুবসংঘ সংগঠনের উদ্যোগে ১৪০ পরিবারের মাঝে গোশত বিতরণ

অন্ধকার পেরিয়ে আলোর পথে মনপুরা-এগিয়ে যাচ্ছে সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্প কাজ!জনমনে স্বস্তি

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ডাঃ চন্দন দাশ এর মৃত্যুতে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর শোক প্রকাশ ও শ্রদ্ধা নিবেদন

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে রাণীনগরে 'রাইডো'র মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

শোলাপুকুরিয়া ইসলামী সমাজসেবা যুব উন্নয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

আসাদ মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদে মনোনয়ন

অতীতের অন্ধকার পেরিয়ে আলোয় ফিরতে চান উত্তরধানঘড়ার প্রাক্তন সেনাসদস্য মিজানুর

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে ঢাকা বিভাগীয় তথ্য অফিসের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

গবেষণা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল ডুয়েটের নতুন ভিসি

ডুয়েট ছাত্রদল নেতার সিজিপিএ ৪.০০ অর্জন, ক্যাম্পাসজুড়ে প্রশংসা

গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: ৫ মাদকসেবী গ্রেফতার

ফুলপুরে ট্রান্সফরমার চোর গ্রেফতার

দেবীগঞ্জের সন্তান রাসেল ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

শরণখোলায় প্রাইভেট একাডেমির শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাস্তায় বসে ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ

গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ

ধর্ষণ মামলায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স গ্রেপ্তার

দক্ষিণ আইচায় ইয়াবাসহ জনতার হাতে আটক কথিত মাদক সম্রাট বাবুল

ডুয়েট উপাচার্যের সঙ্গে এনপিসিবিএল প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়

সাতক্ষীরায় কোটি টাকার কোর্ট ফি জালিয়াতির মূলহোতা পিওন সিরাজুল গ্রেপ্তার

ফুলপুরে যুবলীগ নেতা প্রিন্স গ্রেফতার


এই সম্পর্কিত আরও খবর

চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপন

রাজধানীর কালশী বস্তিতে আগুন, ১৫ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

প্রচন্ড ঝড়ে চাঁদপুর ঘাটে যাত্রীবাহী লঞ্চ কাত হয়ে ১০ যাত্রী আহত

সারভাইভার’স ভয়েস সামিট অনুষ্ঠিত

মেঘনা ভাঙনে হুমকিতে উপকূল,জরুরি কাজের আশ্বাস পানিসম্পদ মন্ত্রীর

ঈদের তৃতীয় দিন দেউলিয়াবাড়ীতে "এইম এন্ড ড্রিম ফাউন্ডেশন" এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আগামী বাজেটে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড বৃদ্ধি করা হবে--- চাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিএনপি জনগণকে যে ওয়াদা দেয়, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে....প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ ২২ বছর পর চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১০ জেলায় শুরু হচ্ছে “জাতীয় নিমগাছ রোপণ কর্মসূচি-২০২৬