শিরোনাম
ঝিনাইগাতী সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নিহত ঝিনাইগাতীতে ফের জামায়াত- বিএনপির সংঘর্ষ কায়কোবাদের নির্বাচনী গণসংযোগে জনতার ঢল ভারত চায় না আমরা সুখে শান্তিতে থাকি-মেজর হাফিজ ফ্যাসিবদামুক্ত দেশ গড়তে 'হ্যাঁ' ভোটকে বিজয়ী করতে হবে,ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসিফ মাহমুদ বেতাগাঁও বায়তুল মামুর নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে তাফসির মাহফিল অনুষ্ঠিত নাঙ্গলকোট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত শাজাহানপুর জগন্নাথপুর দাখিল মাদ্রাসায় বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত গণভোট ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে নীলফামারীতে জেলা ইমাম সম্মেলন নির্বাচিত সরকার গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করবে - মেজর হাফিজ
বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৬

সাপখেকো প্রাণীর অস্তিত্ব সংকটে বেড়েছে রাসেলস ভাইপার

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল বিষধর চন্দ্রবোড়া বা উলুবোড়া সাপ। গত কয়েক বছর বিশেষ করে চলতি বছর তা আতঙ্ক ছড়িয়েছে এর ইংরেজি নাম রাসেলস ভাইপার নামে। এক সময় দেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে এর দেখা মিললেও এখন পর্যন্ত এটি ছড়িয়েছে ৩২ জেলায়।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাপখেকো প্রাণীর অস্তিত্ব সংকটে দেশে চন্দ্রবোড়া বা রাসেলস ভাইপারের বিচরণ বেড়েছে। বিচরণ বাড়ায় এই সাপের দংশনে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যাও বাড়ছে। তবে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে অ্যান্টিভেনম (সাপে দংশনের রোগীদের সুস্থ করে তোলার জন্য ব্যবহৃত) ইনজেকশন দেওয়ার পর সুস্থ হচ্ছেন বেশির ভাগ রোগী। ওঝা বা বৈদ্য দিয়ে চিকিৎসা ও ঝাড়ফুঁক করে সময়ক্ষেপণ করায় এবং সময় মতো অ্যান্টিভেনম না দেওয়ায় মারা যাচ্ছেন কেউ কেউ।



এদিকে দেশের ৬৪ জেলায়ই রাসেলস ভাইপার আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রাসেলস ভাইপার নিয়ে সয়লাব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন পাতা। সাধারণ নির্বিষ সাপ মেরেও বলা হচ্ছে রাসেলস ভাইপার। গত ২১ ও ২২ জুন চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় রাসেলস ভাইপার মনে করে দুটি অজগর পিটিয়ে মেরে ফেলে স্থানীয়রা ।


গত ২২ জুন সন্ধ্যার দিকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার এলাকায় রাসেলস ভাইপার সাপ মনে করে একটি অজগর সাপের বাচ্চা পিটিয়ে মারে এলাকাবাসী।  ২৩ জুন রাতে লালমনিরহাটের পাটগ্রামে রাসেলস ভাইপার সন্দেহে মারা হয় দুটি সাপ।


এছাড়া ফেসবুকে ফেনীসহ বিভিন্ন জেলায় ভাইরাল হওয়া কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, নির্বিষ সাপ মেরে রাসেলস ভাইপার বলে প্রচার চালানো হচ্ছে। রাসেলস ভাইপারসহ অন্যান্য বিষধর ও নির্বিষ সাপ মেরে ফেলায় বাস্তুসংস্থানে প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



সাপ দেখলেই আতঙ্কে ফোন


বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসীম মল্লিক বলেন, দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া রাসেলস ভাইপার সাপ আতঙ্কে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পাঁচটি হটলাইনের প্রতিটিতে ঘণ্টায় গড়ে ৫০টি করে কল আসছে। কোথাও কোনো সাপ দেখলেই আতঙ্কে কল করছেন সাধারণ মানুষ। অনেকে আবার সাপ মেরে কল করে পুরস্কারের টাকাও চাচ্ছেন এই দপ্তরের কাছে। ফোনে জনগণের দেওয়া তথ্য যাচাই করে দেখা যাচ্ছে হত্যার শিকার ৮০ শতাংশ সাপই নির্বিষ।


সর্প দংশন বিশেষজ্ঞ টক্সিকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক এবং মেডিসিনের অধ্যাপক ডা. এম এ ফয়েজ সাপের দংশন ও এর চিকিৎসা নিয়ে বই লিখেছেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, গোখরা সাপের কামড়ের পর চিকিৎসা না নিলে গড়ে ৮ ঘণ্টা পর, কেউটে সাপের ক্ষেত্রে গড়ে ১৮ ঘণ্টা পর ও চন্দ্রবোড়া বা রাসেলস ভাইপারের কামড়ের পর গড়ে ৭২ ঘণ্টা বা তিনদিন পরে রোগীর মৃত্যু হতে পারে।



প্রায় ৯৪ প্রজাতির সাপ


বাংলাদেশে সাধারণত সাপের উপদ্রব বাড়ে বর্ষাকালে। এছাড়া বাংলাদেশ ভাটি অঞ্চলের নিচু দেশ হওয়ায় বর্ষাকালে বিভিন্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে আবাসস্থলে পানি ঢুকে যাওয়ায় লোকালয়ে বা উঁচু এলাকায় আশ্রয় নেয় বিভিন্ন প্রজাতির সাপসহ কীটপতঙ্গ। বাংলাদেশে প্রায় ৯৪ প্রজাতির সাপ আছে এবং এই সাপের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ নির্বিষ। বাংলাদেশে প্রাপ্ত বিষধর সাপগুলো মূলত এলাপিডি পরিবারভুক্ত। এছাড়া কিছু ভাইপারিডি এবং সামুদ্রিক হাইড্রোফিডি পরিবারভুক্ত সাপও দেখা যায়।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে অসীম মল্লিক বলেন, মানুষের মাঝে রাসেলস ভাইপার নিয়ে আতঙ্কে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে নিরীহ ঘরগিন্নি সাপ। এই সাপকে অনেকে রাসেলস ভাইপারের বাচ্চা মনে করছে। গ্রামের মানুষ এই সাপ না চিনে রাসেলস ভাইপার পাওয়া গেছে বলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।



মূলত বাস্তুসংস্থানের পরিবর্তনে দেশে সাপের বংশবৃদ্ধি ঘটছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রাণিকুলে সাপখেকো প্রাণীর অস্তিত্ব সংকটে পড়ায় সাপের বিস্তৃতি বেড়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একটি প্যাঁচা প্রতিদিন একটি করে সাপ অথবা ইঁদুর খায়। একটি এলাকায় যদি ২০টি প্যাঁচা থাকে সেগুলো প্রতিদিন ২০টি সাপ বা ২০টি ইঁদুর খেতো। একসময় বন-জঙ্গলে বা গ্রামগঞ্জে প্রচুর প্যাঁচা দেখা যেতো। কিন্তু তাদের অস্তিত্ব কমে যাওয়ায় সাপ বা ইঁদুর খাওয়া কমেছে। এতে সাপ খুব নির্বিঘ্নে বাচ্চা দিচ্ছে এবং সেসব সাপ খাদ্যে পরিণত না হয়ে আরও বংশবৃদ্ধি করছে।



সাপখেকো বেজি, গুইসাপ, প্যাঁচা, ঈগল, চিল, বাজপাখি, বনবিড়ালের মতো প্রাণীর অস্তিত্ব কমে যাওয়াকে রাসেলস ভাইপারের বিচরণস্থল বৃদ্ধির কারণ হিসেবে মনে করেন অসীম মল্লিক। তিনি বলেন, দেশে আগে অনেক চরাঞ্চল ছিল। সাপ বা বন্যপ্রাণীর ভয়ে সাধারণ মানুষ সেখানে যেতো না। এসব জায়গায় সাপ, বেজি, গুঁইসাপ, প্যাঁচা, ঈগল, চিল, বাজপাখি, বনবিড়ালের অস্তিত্ব ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে ফসলি জমির আওতা বেড়েছে। ফলে এসব প্রাণী অস্তিত্বহীনতায় পড়েছে। ফসলি জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ ও বনাঞ্চল কমে যাওয়ায় প্রাণীগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব প্রাণীর খাবারের তালিকায় ছিল সাপ। এসব প্রাণী না থাকায় সাপ যে বংশবৃদ্ধি করেছে তার বেশিরভাগই বেঁচে ছিল। এরপর বন্যার সময় রাসেলস ভাইপার কচুরিপানায় ভর করে বা জোয়ারের সঙ্গে বিভিন্ন প্লাবিত জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে।

অলস প্রকৃতির সাপ


সর্প দংশন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম এ ফয়েজ বলেন, চন্দ্রবোড়া খুবই অলস প্রকৃতির সাপ। এরা চলাচলের জন্য কচুরিপানায় ভর করে। এরা মানুষ দেখলে তেড়ে আসে না বা পালিয়েও যায় না। এমনকি কামড় দিয়েও পালিয়ে যায় না। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সাপ দেখে থাকেন এবং চিকিৎসক দ্রুত সঠিক অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ করতে পারেন। এ কারণেও এটি অন্য বিষধর সাপের চেয়ে কম আতঙ্কের।



স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক এই মহাপরিচালক বলেন, মানুষ নিজ হাতে মেরে সাপের বংশবৃদ্ধি রোধ করতে পারবে না। সাপের বংশবৃদ্ধি রোধে সাপখেকো চিল, প্যাঁচা, শিয়াল, বনবিড়াল, বানর, গুইসাপ, বেজি ইত্যাদিসহ আরও বেশকিছু প্রাণী রক্ষার জন্য প্রচার চালাতে হবে। ফলে প্রাকৃতিকভাবেই সাপের বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ হবে।


রাসেলস ভাইপার দেশে সবসময়ই ছিল


রাসেলস ভাইপার বাংলাদেশে অনেক আগে থেকেই ছিল এবং আছে বলে জানিয়েছেন প্রাণীবিদরা। ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের সাপ’ বইয়ে বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ মো. আলী রেজা খান বলেন, চন্দ্রবোড়া সাপ রাজশাহী বিভাগে সর্বাধিক পাওয়া যায়। তবে ২০১৩ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় সাপে কাটা এক রোগী মৃত সাপ নিয়েই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আসেন। এ সাপ রাসেলস ভাইপার হিসেবে শনাক্ত করা হয়।



চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ভেনম রিসার্চ সেন্টার জানিয়েছে, ২০১৩ থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত দেশের ৩২টি জেলায় রাসেলস ভাইপারের দেখা মিলেছে। প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই করলে দেখা যায়, ২০১৩ সাল থেকে এই সাপের বিস্তৃতি বাড়ছে। ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে ৯টি জেলায় এই সাপ দেখা গেছে। ২০১৮ সালে এই সাপ থাকা জেলার সংখ্যা বেড়ে হয় ১১টি। ২০২৩ সালে ২৩টি জেলায় এই সাপ নথিভুক্ত করেন ভেনম রিসার্চ সেন্টারের গবেষকরা। সর্বশেষ ২০২৪ সালের মে পর্যন্ত ৩২টি জেলায় এই সাপের দেখা মিলেছে। তবে এই চিত্র রাতারাতি হয়ে ওঠেনি। ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই চিত্রে আসতে ১১ বছর সময় লেগেছে।



যেসব জেলায় রাসেলস ভাইপারের দেখা মিলেছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- নীলফামারী, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, নাটোর, যশোর, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, চট্টগ্রাম, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি ও বরগুনা।


আরও খবর




ঝিনাইগাতী সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নিহত

এম.এ.শহীদের প্রত্যাবর্তনে তৃণমূলে প্রাণচাঞ্চল্য: মধ্যনগরে বিএনপি নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস

শরণখোলার ধানসাগর ইউনিয়নে বিএনপির আয়োজনে ধানের শীষের পক্ষে জনসভা অনুষ্ঠিত

মান্দায় আগামী সংসদ নির্বাচনে জামায়তের বিজয় নিশ্চিত ইনশাআল্লাহ-খ.ম আব্দুর রাকিব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সাতক্ষীরায় বিজিবির যৌথ টহল জোরদার

পঞ্চগড়ে জনগুরুত্বপূর্ণ মামলায় সামারি ট্রায়াল শুরু, ৩ জনের কারাদণ্ড

ঝিনাইগাতীতে ফের জামায়াত- বিএনপির সংঘর্ষ

কায়কোবাদের নির্বাচনী গণসংযোগে জনতার ঢল

ভারত চায় না আমরা সুখে শান্তিতে থাকি-মেজর হাফিজ

ফ্যাসিবদামুক্ত দেশ গড়তে 'হ্যাঁ' ভোটকে বিজয়ী করতে হবে,ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসিফ মাহমুদ

বেতাগাঁও বায়তুল মামুর নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে তাফসির মাহফিল অনুষ্ঠিত

নাঙ্গলকোট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

শাজাহানপুর জগন্নাথপুর দাখিল মাদ্রাসায় বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

গণভোট ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে নীলফামারীতে জেলা ইমাম সম্মেলন

কেন্দুয়ায় ইসলামী আন্দোলনের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

ব্যবসায়ীর চোখ উপড়ে ও লিঙ্গ কর্তন করে হত্যা

জামালগঞ্জে ডেবিল হান্ট অপারেশনে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

সিংড়া উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত অধ্যক্ষ রকিবুল ইসলাম

কক্সবাজারে অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: মাঠে নেমেছেন আপেল মাহমুদ

ঘাটাইলে শীতে খেজুর রস খেয়ে তৃপ্তি পাচ্ছে রসপ্রেমীরা

মনোনয়ন বৈধ হলেও ধোঁয়াশা: সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী ঘিরে আলোচনা

আখাউড়ায় খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে বিএনপির এমপি প্রার্থী কবির আহমেদ

সেনবাগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ ফার্মেসি মালিককে জরিমানা

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কমনওয়েলথ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের শোক

সেনবাগ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক বেলাল হোসেন শামীম

স্বতন্ত্র প্রার্থী সিগমার শোডাউনে কারণে আতঙ্কে কোমলমতি শিশু ও বৃদ্ধারা

শিকারীদের জন্য সতর্কবার্তা: টাঙ্গুয়ার হাওরে তিনজন আটক

নাইয়ারা দেশ প্রবাস উন্নয়ন ফোরামের চতুর্থ মেয়াদের কমিটি অনুমোদন

চলমান সংকট নিরসনে তৌহিদ ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের বিকল্প নেই শীর্ষক কর্মী সম্মেলন

রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের পারিবারিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত


এই সম্পর্কিত আরও খবর

নির্বাচন ঘিরে নাশকতা ঠেকাতে সতর্ক নিরাপত্তা বাহিনী

নির্বাচনি মাঠে প্রতিশ্রুতি ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ব্যস্ত ঢাকার বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা

জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে : প্রধান উপদেষ্টা

নিম্নআয়ের মানুষের ​স্থায়ী পুনর্বাসন করার অঙ্গীকার আমিনুল হকের

এনজিওগুলোর মতো, না রাজনৈতিক সরকারের মতো কাজ করছি বুঝছি না

নিয়োগ সুপারিশ পেলেন সাড়ে ১১ হাজার প্রার্থী, খালি থাকছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের অর্ধলক্ষাধিক পদ

দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক আনিস আলমগীর

দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে: তারেক রহমান

নির্বাচনে লেভেলে প্লেয়িং ফিল্ড নেই: নাহিদ ইসলাম

নীরব এলাকা বাস্তবায়নে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে: রিজওয়ানা হাসান