শিরোনাম
মাগুরার শ্রীপুরে ৩‍‍`শ জন দুস্থ ও গরীব পরিবার পেলো মানবিক সহায়তা প্রদান শাজাহানপুরে মাড়িয়া খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন ঈদে ১০ দিন সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ পত্নীতলায় বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল দক্ষিণ আইচা রাব্বানিয়া মাদ্রাসায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ইফতার মাহফিল মুরাদনগরে ১০০ পরিবারের মুখে হাসি ফুটালো ‘রানীমুহুরী সমাজ কল্যাণ ক্লাব’ লালমোহনে ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন চলন্ত সিএনজিতে আগুনে পুড়ে ছাই, নিঃস্ব পরিবার শাজাহানপুরে সানফ্লাওয়ার একতা যুব সংঘ‌ এর উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ধুনটে কৃষি জমি থেকে মাটি কাটার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ ২০২৬
বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ ২০২৬

সংবিধানের পরিবর্তন না হলে আরও বড় স্বৈরাচার আসবে!

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে সংবিধান সংস্কারের জন্য ড. শাহদীন মালিককে প্রধান করে একটি কমিশনের ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বলছেন, গণবিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য স্বৈরাচার আমলে ব্যাপক কাটা ছেড়ার শিকার হওয়া সংবিধানের পুনর্লিখন প্রয়োজন। সংবিধানের মৌলিক কাঠামোতে পরিবর্তন আনা না গেলে, ভবিষ্যতে আরও বড় স্বৈরাচার ফিরে আসার শঙ্কাও করছেন তারা। কিন্তু অনির্বাচিত একটি সরকারের নেতৃত্বে এই সংস্কার কতটা সম্ভব?


সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংবিধান সংশোধন করা হয়। আর সেই সংবিধানের দোহাই দিয়ে তিন-তিনটি এক তরফা নির্বাচন হয়েছে। সংবিধান আর নির্বাচন ব্যবস্থার এই যে পরিবর্তন সেটাও আওয়ামী লীগকে স্বৈরশাসক হওয়ার পথ তৈরি করে দিয়েছে বলেই মনে করা হয়।


২০১১ সালে সর্বোচ্চ আদালত বাতিল করে দেয়, তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কিত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই সংবিধান সংশোধন করে ফেলে আওয়ামী লীগ। সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জেরে তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে সংবিধানে ফিরিয়ে আনে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন পদ্ধতি।


ছাত্র-জনতার বিপ্লবে যখন কর্তৃত্ববাদী সে শাসনামলের পতন ঘটেছে তখন রাষ্ট্র সংস্কারের আলোচনার সঙ্গে দাবি উঠেছে সেই সংবিধান পুনর্লিখনের। কিন্তু প্রশ্ন হলো যেখানে, সংশোধনের সুযোগ আছে, সেখানে পুনর্লিখন কেন?


রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, 'পুনর্লিখনের প্রশ্নটা এসেছে তিনটি কারণে। প্রথমটা হচ্ছে, বাংলাদেশে এখন যে বিরাজমান সংবিধান আছে ১৭টি সংশোধনীর পর, দেখা যাচ্ছে এর মধ্যে দিয়ে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার পথ খুব সহজ। শুধু সহজই না, এই সংবিধান স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার পথই খুলে দেয়। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, সংবিধান এখন যেভাবে আছে সেখানে তার এক-তৃতীয়াংশতে হাত দেয়ার জায়গা নেই।'


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. নকিব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ বলেন, 'অ্যামেনমেন্ডের থেকে রিলাইটি ভালো। কারণ অ্যামেনমেন্ড করলে এদের স্পিডটা প্রসিউড হচ্ছে না। এই বিপ্লবের স্পিডটা প্রসিউড হচ্ছে না। অনেকেই বলে যে না, এমন কোনো ফর্ম রাখা যাবে না যে ফর্মে আওয়ামী লীগ আছে।'


বস্তুত, প্রায় ১৭ বছরের একনায়ক শাসনামলে সব মিলিয়ে চারটি সংশোধনী আনে আওয়ামী লীগ। এবং এর মাধ্যমে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয় সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ও সাধারণ কাঠামোতে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা পুনর্লিখনের ব্যাপারে যে কারণে জোর দিচ্ছেন, তার অন্যতম কারণ গণবিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য যে ধরনের পরিবর্তন দরকার সংবিধানে তার সুযোগও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে আগের আমলে সংবিধানের নানা ধরনের কাটা ছেড়ার মাধ্যমে।


যেমন, সংবিধানের প্রথম ভাগের ৭(খ) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধানের মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হবে। এবং ৭ এর ক-তে বলা হয়েছে, 'কোনো ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোনো অসাংবিধানিক পন্থায় এই সংবিধান বা এর কোনো অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করলে কিংবা সেটি করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করলে তার এই কাজ রাষ্ট্রদ্রোহিতা হবে এবং ওই ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হবেন।'


অধ্যাপক ড. নকিব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ বলেন, 'একটা সংবিধান পরিবর্তনের ধারা যদি না থাকে তাহলে তো হবে না।'


বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের ব্যারিস্টার মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, 'সংস্কার করতে হলে রাষ্ট্রের যে সুপ্রিম আইন বা সংবিধান আছে, সেটাকে রিফর্ম করা জরুরি। যেহেতু অনেককিছু এসেছে সেজন্য অনেককিছু সংযোজন করতে হবে। এতো অ্যামেনমেন্ডের আর দরকার নেই। পুনর্লিখন করলে এটা সহজ হবে।'


কিন্তু সংবিধানে সংযোজন কিংবা বিয়োজনের অধিকার তো আইনসভা বা সংসদ দ্বারা সীমাবদ্ধ। এমন অবস্থায় পুনর্লিখন কীভাবে সম্ভব?


অধ্যাপক ড. নকিব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ বলেন, 'এই যে রক্ত, এটা কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের রক্ত না। এটা কোনো রাজনৈতিক ব্যানারের রক্ত না। এটা আপামর জনতার রক্ত, সবাই রাস্তায় নেমে এসেছে। সেজন্য এটাকে বিপ্লব হিসেবে আখ্যা দেয়া যায়। অর্থাৎ অভ্যুত্থানের পরবর্তী অবস্থাতে নতুন করে সবিধান লেখা দরকার।'


মোটা দাগে বিশ্লেষকরা যে তিনটি পদ্ধতির কথা বলছেন, তাতে ১৯৭২ সালে সংবিধান লেখার জন্য গঠিত গণপরিষদের আলোকে আরেকটি গণপরিষদ বা কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলি, সব রাজনৈতিক দল ও পক্ষগুলোকে ডেকে কনস্টিটিউশন কনভেনশন কিংবা আলোচনার ভিত্তিতে পুনর্লিখনের ব্যাপারটি আলোচনা হচ্ছে। এক্ষেত্রে গণভোট নেয়া হবে কি না, এ নিয়ে মতপার্থক্য আছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।


অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, 'যে তিনটি পথ বলেছি, প্রতিটির বিষয়ে প্রধান বিষয় হলো গণভোট করতে হবে। প্রতিটি মানুষ যেন বলতে পারেন যে তারা এটা পছন্দ করছেন বা করছেন না। ‌এই আলোচনা সবাইকে করতে হবে। তারপর তারই একটা প্রতিফলন হয়তো আমরা দেখতে পাবো। আর এখানে অবশ্যই রাজনৈতিক দলগুলো কোনো না কোনোভাবে সংযুক্ত করতে হবে। কারণ রাজনীতি তো রাজনৈতিক দলগুলোই করবে। অন্তর্বর্তী সরকার তো অন্তর্বর্তী সরকার। দেশ শেষ পর্যন্ত শাসন করবে রানৈতিক দলগুলো।'


এসব বিশ্লেষকদের কথায় এটা স্পষ্ট, গণবিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য তারা বিরাজমান সংবিধানের একটা আমূল পরিবর্তন চাইছেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো শপথ নেয়া থেকে শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার আগের সংবিধান অনুসরণ করেই চলছে। যদিও এরই মধ্যে আগের সংবিধানের কয়েকটি আইন রহিত করে কয়েকটি অধ্যাদেশ জারি করেছেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি, যেগুলো আইন আকারে বৈধতা না দিলে আবার ফিরে আসার সুযোগ রয়েছে। প্রশ্ন ছিল, যদি শেষমেষ সংবিধানের যে আমূল পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে, সেটি যদি না হয়, তাহলে কী হবে?


অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, 'সংবিধানের পুনর্লিখন ব্যবস্থা না করা গেলে বাংলাদেশ বৃত্তের মতো আরও ভয়াবহ এক স্বৈরাচারের কবলে পড়বে।'


এখন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে সংবিধান পুনর্লিখনের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো রূপরেখা প্রকাশ করা হয়নি। তাই পুনর্লিখন না সংশোধন, গণপরিষদ না গণভোট নাকি কোনোটাই নয়, এসব ব্যাপারগুলো নিশ্চিত হতে অপেক্ষা করতে হবে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত বা ঘোষণার জন্য। 


আরও খবর




ডিবি পুলিশের অভিযানে দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

মাগুরার শ্রীপুরে ৩‍‍`শ জন দুস্থ ও গরীব পরিবার পেলো মানবিক সহায়তা প্রদান

শাজাহানপুরে মাড়িয়া খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন

শরণখোলায় সর্বস্তরের জনসাধারণের সন্মানে জামায়াতের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

রংপুরের তারাগঞ্জে এম পি এটিএম আজহারুল ইসলামের আর্থিক অনুদান বিতরণ

ঈদে ১০ দিন সোনামসজিদ স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

পত্নীতলায় বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল

দক্ষিণ আইচা রাব্বানিয়া মাদ্রাসায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ইফতার মাহফিল

মনপুরার মেঘনায় মৎস্য অফিসের যৌথ অভিযানে আটটি বেহুন্দী জাল আটক!আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস

ছাতক ইয়াং স্টারের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ।

সাতক্ষীরায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণ

চকরিয়ায় ডাকাতির ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, অস্ত্রসহ আটক ৪

পাকুন্দিয়ায় জামায়াতের উদ্যোগে ২৭০ অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

ঈদ আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান বিশিষ্ট ব‌্যবসায়ী আলহাজ্ব সোহাগের

মুরাদনগরে ১০০ পরিবারের মুখে হাসি ফুটালো ‘রানীমুহুরী সমাজ কল্যাণ ক্লাব’

শ্যামনগরে গৃহবধূ তামিমার মৃত্যু ঘিরে রহস্য,আটক স্বামী

সাংবাদিকতার ন্যূনতম ব্যাকরণ সম্পর্কে নেই ধারণা এরাও পরিচয় দিচ্ছে সাংবাদিক, বিপাকে প্রকৃত সংবাদকর্মীরা

রাজশাহীতে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী সভা, দ্রুত ন্যায়বিচারে সামারি ট্রায়ালের ওপর জোর

গুরুদাসপুরে দুই গৃহবধুকে পিটিয়ে জখম

নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে মোবাইল কোর্টে ভুয়া সাংবাদিকের কারাদণ্ড

রামপালে ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

আল্লাহর নৈকট্যের পথে এক মাসের বিশেষ সফর

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুলে নতুন প্রিন্সিপালের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাফল্য, সন্তুষ্ট অভিভাবকরা

কুমিল্লা হতে সংরক্ষিত মহিলা এমপি হতে চান শামীমা আক্তার রুবী,নিজ এলাকাজুড়ে ইতিবাচক সাড়া

বিশ্বদৃষ্টি সম্পাদক সম্মাননা পদক পেলেন মুরাদনগরের শামীমা আক্তার রুবি

কাউন্সিলর থেকে মেয়র পদের দৌড়ে: ভোলা পৌরসভায় আলোচনায় হুমায়ুন কবির সোপান

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুলে অভিভাবকদের ফ্রি কুরআন শিক্ষার ক্লাস

গঙ্গাচড়া প্রেসক্লাবের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন,লাল সভাপতি ও রিজু সাধারণ সম্পাদক

পদোন্নতির দাবিতে উত্তাল দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড

রামপালে সাংবাদিকের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে অপপ্রচার, থানায় সাধারণ ডায়েরি


এই সম্পর্কিত আরও খবর

মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী

পেট্রোল পাম্পে ‘প্যানিক বায়িং’

গণপরিবহন ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা, আলোচনায় ইলেকট্রিক বাস

সংসদের মন্দ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

ভরা মৌসুমে সারের মূল্যবৃদ্ধি, বোরো চাষে বিপদসংকেত

প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় অবহেলা সহ্য করা হবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ওয়াসার পানির দাম বাড়ায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কারিগরি শিক্ষা খাতই হবে প্রধান চালিকাশক্তি

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসারকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

চাঁদাবাজ-অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান