শিরোনাম
কুতুব শাহী মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়, নেই প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা চন্দনাইশে দিনদুপুরে প্রধান শিক্ষকের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল লুট কুমিল্লার শ্রেষ্ঠ পিআইও লাকসামের আহমদ উল্লাহ সবুজ ২৮শে অক্টোবর ২০০৬ বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে নাঙ্গলকোটে জামায়াতের আলোচনা সভা,দোয়া ও বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে চোরাই সিএনজি সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার লগী বৈঠা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে লাকসামে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত রায়গঞ্জে ২৮ অক্টোবরের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কানুনগোর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগের প্রতিবাদে আকবর হোসনের সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে সড়ক দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মৃত্যু
বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২৬

সংসারের ঘানি টানাই দায়

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

ঢাকার শাহাজাহানপুর এলাকায় চার সদস্যের পরিবার নিয়ে থাকেন বেসরকারি চাকরিজীবী এনামুল হোসেন। চলতি বছরের শুরুতে বেতন বেড়েছে সামান্য। সে তুলনায় খরচ বেড়েছে ঢের বেশি। বাসাভাড়া থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, কাঁচাবাজার, সন্তানের লেখাপড়া খরচ- বাড়েনি এমন কোনো খাত নেই। সংসারের ঘানি টেনে গ্রামে বাবা-মাকেও টাকা পাঠাতে পারছেন না এনামুল।


তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বাজার খরচ। আগে মাসের বাজার ৭ থেকে ৮ হাজার টাকার মধ্যে হতো। এখন ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা লেগে যাচ্ছে। এছাড়া সাবান-পেস্টের মতো আইটেমগুলোতে আগের চেয়ে ৫-৬শ টাকা বেশি লাগছে। গত বছরের চেয়ে বাসাভাড়া বেড়েছে এক হাজার টাকা। বিদ্যুৎ-গ্যাস ডিশ, পানির বিল বাবদ মাসিক খরচ বেড়েছে প্রায় ৭-৮শ টাকা।’




পাশাপাশি অফিস যাওয়া-আসা খরচ ৫শ টাকা, দুই ছেলে-মেয়ের গৃহশিক্ষকের বেতন ১ হাজার টাকা বাড়াতে হয়েছে এনামুলের। ৬শ টাকা বেড়েছে গৃহকর্মীর বেতনও। ছেলে-মেয়েদের স্কুলের বেতন, মোবাইল বিল ও ইন্টারনেট খরচও বেড়েছে প্রায় হাজার টাকা।



এনামুল বলেন, ‘সংসারের খরচ প্রায় ৫০ হাজার টাকায় ঠেকেছে, যা বেতনের চেয়েও বেশি। ফলে এখন সঞ্চয় ভেঙে খেতে হচ্ছে। গ্রামে মা-বাবাকে আগে প্রতি মাসে কিছু টাকা পাঠাতাম, সেটাও পারছি না।’


এনামুলের মতো অবস্থা অধিকাংশ মানুষের। আয়ের সঙ্গে সঙ্গতি নেই ব্যয়ের। মূল্যস্ফীতি জেঁকে বসেছে ঘাড়ে। গত এক-দেড় সপ্তাহে চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম আরও বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত মানুষ।


রাজধানীর রামপুরা এলাকায় দুই কক্ষের একটি বাসায় থাকেন ফিরোজা বেগম। স্বামীহারা এ নারীর দুই সন্তান। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ছোট চাকরি করেন। তিনি বলেন, ‘সব খাতেই ব্যয় বাড়ছে। কিন্তু গত বছর ইনক্রিমেন্ট হয়েছে দেড় হাজার টাকা। সংসার চালানোই এখন কষ্টকর হয়ে পড়ছে। মাসে ব্যয় বেড়েছে প্রায় পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা।’



বাড়তি ব্যয় সামাল দিচ্ছেন কীভাবে- এমন প্রশ্নের জবারে ফিরোজা বলেন, ‘খাওয়া-দাওয়া খারাপ হচ্ছে। অফিস থেকে হেঁটে ফিরছি। বাচ্চারাও হেঁটে স্কুলে যাচ্ছে। বাড়তি কোনো পোশাকও কিনছি না।’



রাজধানীর বিভিন্ন পেশার মানুষের সঙ্গে গত কয়েকদিন কথা বলে জানা যায়, একটি পরিবারে স্থিরব্যয় বেড়েছে মূলত বাসাভাড়া, সন্তানের শিক্ষার খরচ, পরিবহন ব্যয় এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাবদ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি সার্বিক খরচেও একটি বড় প্রভাব ফেলেছে।


সেগুনবাগিচা এলাকার বাসিন্দা আমিনুল হক বলেন, ‘নিত্যপণ্যের দামের কারণে কম টাকায় রিকশায় যাওয়া যায় না। এলাকায় গৃহকর্মীদের মজুরি এক কাজের জন্য ১২শ টাকা ছিল। এখন ১৫শ টাকা হয়েছে।’



কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা জানান, ডিশ সংযোগ ফি, ইন্টারনেট ফি, এমনকি ময়লা ফেলার জন্যও বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।


খরচের বিষয়ে পাকা হিসাব রাখেন খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা কাওসার হোসেন। সেটা দেখিয়ে বলেন, ‘আগে বিদ্যুৎ মিটারে ৮শ টাকা রিচার্জ করতাম, এখন ১ হাজার টাকা রিচার্জ করলেও মাস যায় না। গ্যাসের সিলিন্ডার গত বছর ১২শ টাকা ছিল, এখন ১৪শ ৫০ টাকা নেয়। বাড়িওয়ালা আগে পানির বিল নিতেন না, এখন বিল বাবদ ৬শ টাকা নিচ্ছেন, কারণ তারও খরচ বেড়েছে। ডিশ সংযোগ ও ইন্টারনেটে বিল বেড়েছে ২০০ টাকা।’



তিনি বলেন, ‘এবার বাজার খরচে আসুন। একবছরে বস্তাপ্রতি চালের দাম বেড়েছে প্রায় ৫-৭শ টাকা। কোনো ভালো মাছ কেজিপ্রতি ৪-৫শ টাকার নিচে মেলে না। ৮০ টাকা কেজির নিচে এখন সবজি পাওয়া যায় না। পেঁয়াজের কেজি ১৩০ টাকা, আদা-রসুন ৩শ টাকা। আলু ৬০ টাকা দরে কিনছি। পেস্ট, সাবান, চিনি, তেল, লবণ সবকিছুর দামই বাড়তি। এতে গত বছরের চেয়ে চলতি জুলাইয়ে এসে বাজার খরচ বেড়েছে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা।’

বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০ শতাংশ


এসব মানুষের বক্তব্যের সঙ্গে মিলে যায় মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতি। গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির চিত্র দেখা গেছে এবার। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছর বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশিমক ৭৩ শতাংশ। আরও খারাপ পরিস্থিতি খাদ্য মূল্যস্ফীতি। গত ১২ মাসের মধ্যে সাত মাসই খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ওপরে ছিল। অথচ বিদায়ী অর্থবছরের মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশে রাখার লক্ষ্য ছিল সরকারের।


সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি বাড়লেও বিপরীতে মজুরি বেড়েছে ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ। বাড়ছে না কর্মসংস্থানের পরিধিও। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, গত জানুয়ারি-মার্চ মাস পর্যন্ত বেকারের সংখ্যা ২৫ লাখ ৯০ হাজার। ২০২৩ সাল শেষে গড় বেকারের সংখ্যা ছিল ২৪ লাখ ৭০ হাজার।


বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম  বলেন, ‘প্রকৃত মূল্যস্ফীতি এরচেয়েও বেশি। আবার পণ্যের দাম সরকার যেমন বলে তারচেয়েও বেশি। এ পরিস্থিতিতে মানুষ খরচ কুলাতে পারছে না। যাদের রয়েছে, তারা সঞ্চয় ভাঙছে। যাদের সেটা নেই, তারা বাধ্য হয়ে কম খাচ্ছে। প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা কমিয়ে দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছে।’



হাতিরঝিলে নাম না প্রকাশ করার শর্তে এক ব্যক্তি বলেন, ছোট চাকরি করি। বিকেলে অফিস শেষে চায়ের ফ্লাক্স নিয়ে বের হচ্ছি। রাত ১০টা-১১টা পর্যন্ত এ কাজ করি। এতে প্রায় ৩০০-৪০০ টাকা থাকে। উপায় নেই। বাড়তি কিছু না করলে সংসার চলবে না।



সবচেয়ে বড় সমস্যা নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক দাম। চাল, ডিম আলুসহ বাজারে অতিপ্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের দর বাড়তি। মধ্যম মানের চাল ৬০ টাকা, আলু ৬০-৬৫ ও পেঁয়াজ ১২০ টাকা। ৮০ টাকার নিচে মিলছে না সবজি। একবছর আগে পেঁয়াজের দাম ছিল ৬০-৭০ টাকা, আলু ৪০ টাকা।


সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজারদরের প্রতিবেদনও বলছে জিনিসিপত্রের দাম বাড়ছে। সংস্থাটির হিসাবে, এক বছরে চালের দাম ৭ শতাংশ বেড়েছে। ডালের দাম বেড়েছে মানভেদে ৫০ শতাংশ, পেঁয়াজ ১৫০ শতাংশ। আদা, রসুন, হলুদ মরিচ গুঁড়া প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বেড়েছে। মাছ, মাংস ডিম ও দুধের দামও বেড়েছে এ সময়।


টিসিবি যেসব পণ্যের দামের হিসাব রাখে প্রায় অধিকাংশ পণ্যের দাম বেড়েছে। এ সংস্থা হিসাবের বাইরে রয়েছে সবজির দাম। তবে সেখানেও নেই স্বস্তি। বরবটি, বেগুন, করলার দাম শুনলেই হতবাক হচ্ছেন অনেক ক্রেতা। এসব সবজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার ওপরে। দু-একটি ছাড়া বেশিরভাগ সবজির কেজি ৮০ টাকার বেশি।



কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়শন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ‘মানুষের ব্যয় বাড়ছে। বিকল্প আয়ের কোনো পথ নেই। অপরদিকে বড়লোকদের আয় বাড়ছে, যেহেতু প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। ফলে সেটা বড়লোকদের মধ্যে যাচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘসময় আয় বৈষম্য বাড়তে দেওয়া ঠিক নয়। এতে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয়।’



তিনি বলেন, ‘অন্যদিকে পুষ্টিহীনতা বাড়ছে এ উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে। কারণ নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্তরা ঠিকমতো খেতে পারছেন না। তাদের কর্মক্ষমতা কমে যাচ্ছে, যা বড় প্রভাব ফেলবে। এই শ্রেণির আয় বাড়ানোর পথ খুলতে হবে। লাগাম টানতে হবে উচ্চ মূল্যস্ফীতির।’


গোলাম রহমান বলেন, ‘সরকার কিছু সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে। কিন্তু সেটা পর্যাপ্ত নয়। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। অর্থাৎ ওএমএস, টিসিবি যাদের প্রয়োজন তারা সবাই পাচ্ছে না।’



বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘কোভিডের সময় বিশ্বের অনেক দেশে ব্যাংকের সুদহার বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে তখন নয়-ছয় নীতি করে তা আটকে রাখা হয়। আবার ব্যাংকগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার অজুহাতে সরকার টাকা ছাপিয়ে দিয়েছে। এসব ভুল নীতির কারণে পণ্যমূল্য বাড়ছে। মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। তবে বেড়ে যাওয়া পণ্যমূল্য কমানো সম্ভব হবে না। কিন্তু ভবিষ্যৎ মূল্যবৃদ্ধি অর্থাৎ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সেজন্য নতুন করে টাকা ছাপানো যাবে না। ডলারের দর স্থিতিশীল রাখতে হবে।’


আরও খবর




রাজারহাটে জরাজীর্ণ ঘরে নিভৃতে বাস করা ৭৮ বছরের বৃদ্ধা ফুলো রানী দেবের পাশে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন

মুরাদনগরে সাংবাদিক শহিদুল হকের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা

রাণীনগরে গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ

রাঙ্গাবালীতে জেলেদের মাঝে সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয় প্রদৃপ্ত প্রকল্পের আওতায়

রিকশা নষ্ট হওয়ায় কলেজে যাওয়া বন্ধ, প্রতিবন্ধী আবু সাঈদের পাশে ইউএনও

মুরাদনগরে চোরাই সিএনজিসহ আন্তজেলা চোর চক্রের তিন সদস্য আটক

ঘাটাইলে জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা

ঘুষ কেলেঙ্কারিতে বোদা ভূমি অফিস: ৩ কর্মচারীর ঘুষ লেনদেনের ভিডিও ভাইরাল

ভৈরবে পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

গাজীপুর মধ্যরাত্রে প্রেস ক্লাবের নির্বাচন স্থগিত: সাংবাদিকদের তীব্র ক্ষোভ

ফুলপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কুতুব শাহী মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়, নেই প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা

চন্দনাইশে দিনদুপুরে প্রধান শিক্ষকের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল লুট

উলিপুরে টিআইয়ের উপস্থিতি নিয়ে ধোঁয়াশা: দুই কর্মকর্তার দুই রকম বক্তব্য

কুমিল্লার শ্রেষ্ঠ পিআইও লাকসামের আহমদ উল্লাহ সবুজ

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

সুমাইয়া বিরিয়ানি খেয়ে অসুস্থ আইইটি স্কুলের শিক্ষকরা

‘বাবা নির্দোষ, প্রভাবশালীর আক্রোশের শিকার’ জিসান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কালু ড্রাইভারের পরিবারের দাবি

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ


এই সম্পর্কিত আরও খবর

পুষ্টি নিরাপত্তায় খাদ্য ফোর্টিফিকেশন জোরদারের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামী আমিনী গ্রেপ্তার

শিশুদের মালিকানাবোধেই লুকিয়ে আছে জলবায়ু সংকটের সমাধান

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

কপ৩১-এর প্রস্তুতি: জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে সংসদে তরুণদের সম্মেলন

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

তেলের দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্টে ফেলা যাবে না: পীর সাহেব চরমোনাই

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা