শিরোনাম
মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা,একজনের যাবজ্জীবন,একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ অসহায় পরিবারের পাশে আলহাজ্ব হযরত আলী: মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত নাঙ্গকোটে হাফেজে কোরআনের মা-বাবা হতে চাই শীর্ষক আলোচনা সভা ও অভিভাবক সমাবেশ আজমিরীগঞ্জে ৫০ শয্যার আধুনিক ভবন,তবু সেবা মিলছে ৩১ শয্যার! বাক্সবন্দি যন্ত্রপাতি নষ্ট শেরপুর সীমান্তে ২৭৩ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার
মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সংসারের ঘানি টানাই দায়

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

ঢাকার শাহাজাহানপুর এলাকায় চার সদস্যের পরিবার নিয়ে থাকেন বেসরকারি চাকরিজীবী এনামুল হোসেন। চলতি বছরের শুরুতে বেতন বেড়েছে সামান্য। সে তুলনায় খরচ বেড়েছে ঢের বেশি। বাসাভাড়া থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, কাঁচাবাজার, সন্তানের লেখাপড়া খরচ- বাড়েনি এমন কোনো খাত নেই। সংসারের ঘানি টেনে গ্রামে বাবা-মাকেও টাকা পাঠাতে পারছেন না এনামুল।


তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বাজার খরচ। আগে মাসের বাজার ৭ থেকে ৮ হাজার টাকার মধ্যে হতো। এখন ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা লেগে যাচ্ছে। এছাড়া সাবান-পেস্টের মতো আইটেমগুলোতে আগের চেয়ে ৫-৬শ টাকা বেশি লাগছে। গত বছরের চেয়ে বাসাভাড়া বেড়েছে এক হাজার টাকা। বিদ্যুৎ-গ্যাস ডিশ, পানির বিল বাবদ মাসিক খরচ বেড়েছে প্রায় ৭-৮শ টাকা।’




পাশাপাশি অফিস যাওয়া-আসা খরচ ৫শ টাকা, দুই ছেলে-মেয়ের গৃহশিক্ষকের বেতন ১ হাজার টাকা বাড়াতে হয়েছে এনামুলের। ৬শ টাকা বেড়েছে গৃহকর্মীর বেতনও। ছেলে-মেয়েদের স্কুলের বেতন, মোবাইল বিল ও ইন্টারনেট খরচও বেড়েছে প্রায় হাজার টাকা।



এনামুল বলেন, ‘সংসারের খরচ প্রায় ৫০ হাজার টাকায় ঠেকেছে, যা বেতনের চেয়েও বেশি। ফলে এখন সঞ্চয় ভেঙে খেতে হচ্ছে। গ্রামে মা-বাবাকে আগে প্রতি মাসে কিছু টাকা পাঠাতাম, সেটাও পারছি না।’


এনামুলের মতো অবস্থা অধিকাংশ মানুষের। আয়ের সঙ্গে সঙ্গতি নেই ব্যয়ের। মূল্যস্ফীতি জেঁকে বসেছে ঘাড়ে। গত এক-দেড় সপ্তাহে চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম আরও বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত মানুষ।


রাজধানীর রামপুরা এলাকায় দুই কক্ষের একটি বাসায় থাকেন ফিরোজা বেগম। স্বামীহারা এ নারীর দুই সন্তান। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ছোট চাকরি করেন। তিনি বলেন, ‘সব খাতেই ব্যয় বাড়ছে। কিন্তু গত বছর ইনক্রিমেন্ট হয়েছে দেড় হাজার টাকা। সংসার চালানোই এখন কষ্টকর হয়ে পড়ছে। মাসে ব্যয় বেড়েছে প্রায় পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা।’



বাড়তি ব্যয় সামাল দিচ্ছেন কীভাবে- এমন প্রশ্নের জবারে ফিরোজা বলেন, ‘খাওয়া-দাওয়া খারাপ হচ্ছে। অফিস থেকে হেঁটে ফিরছি। বাচ্চারাও হেঁটে স্কুলে যাচ্ছে। বাড়তি কোনো পোশাকও কিনছি না।’



রাজধানীর বিভিন্ন পেশার মানুষের সঙ্গে গত কয়েকদিন কথা বলে জানা যায়, একটি পরিবারে স্থিরব্যয় বেড়েছে মূলত বাসাভাড়া, সন্তানের শিক্ষার খরচ, পরিবহন ব্যয় এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাবদ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি সার্বিক খরচেও একটি বড় প্রভাব ফেলেছে।


সেগুনবাগিচা এলাকার বাসিন্দা আমিনুল হক বলেন, ‘নিত্যপণ্যের দামের কারণে কম টাকায় রিকশায় যাওয়া যায় না। এলাকায় গৃহকর্মীদের মজুরি এক কাজের জন্য ১২শ টাকা ছিল। এখন ১৫শ টাকা হয়েছে।’



কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা জানান, ডিশ সংযোগ ফি, ইন্টারনেট ফি, এমনকি ময়লা ফেলার জন্যও বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।


খরচের বিষয়ে পাকা হিসাব রাখেন খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা কাওসার হোসেন। সেটা দেখিয়ে বলেন, ‘আগে বিদ্যুৎ মিটারে ৮শ টাকা রিচার্জ করতাম, এখন ১ হাজার টাকা রিচার্জ করলেও মাস যায় না। গ্যাসের সিলিন্ডার গত বছর ১২শ টাকা ছিল, এখন ১৪শ ৫০ টাকা নেয়। বাড়িওয়ালা আগে পানির বিল নিতেন না, এখন বিল বাবদ ৬শ টাকা নিচ্ছেন, কারণ তারও খরচ বেড়েছে। ডিশ সংযোগ ও ইন্টারনেটে বিল বেড়েছে ২০০ টাকা।’



তিনি বলেন, ‘এবার বাজার খরচে আসুন। একবছরে বস্তাপ্রতি চালের দাম বেড়েছে প্রায় ৫-৭শ টাকা। কোনো ভালো মাছ কেজিপ্রতি ৪-৫শ টাকার নিচে মেলে না। ৮০ টাকা কেজির নিচে এখন সবজি পাওয়া যায় না। পেঁয়াজের কেজি ১৩০ টাকা, আদা-রসুন ৩শ টাকা। আলু ৬০ টাকা দরে কিনছি। পেস্ট, সাবান, চিনি, তেল, লবণ সবকিছুর দামই বাড়তি। এতে গত বছরের চেয়ে চলতি জুলাইয়ে এসে বাজার খরচ বেড়েছে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা।’

বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০ শতাংশ


এসব মানুষের বক্তব্যের সঙ্গে মিলে যায় মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতি। গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির চিত্র দেখা গেছে এবার। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছর বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশিমক ৭৩ শতাংশ। আরও খারাপ পরিস্থিতি খাদ্য মূল্যস্ফীতি। গত ১২ মাসের মধ্যে সাত মাসই খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ওপরে ছিল। অথচ বিদায়ী অর্থবছরের মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশে রাখার লক্ষ্য ছিল সরকারের।


সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি বাড়লেও বিপরীতে মজুরি বেড়েছে ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ। বাড়ছে না কর্মসংস্থানের পরিধিও। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, গত জানুয়ারি-মার্চ মাস পর্যন্ত বেকারের সংখ্যা ২৫ লাখ ৯০ হাজার। ২০২৩ সাল শেষে গড় বেকারের সংখ্যা ছিল ২৪ লাখ ৭০ হাজার।


বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম  বলেন, ‘প্রকৃত মূল্যস্ফীতি এরচেয়েও বেশি। আবার পণ্যের দাম সরকার যেমন বলে তারচেয়েও বেশি। এ পরিস্থিতিতে মানুষ খরচ কুলাতে পারছে না। যাদের রয়েছে, তারা সঞ্চয় ভাঙছে। যাদের সেটা নেই, তারা বাধ্য হয়ে কম খাচ্ছে। প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা কমিয়ে দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছে।’



হাতিরঝিলে নাম না প্রকাশ করার শর্তে এক ব্যক্তি বলেন, ছোট চাকরি করি। বিকেলে অফিস শেষে চায়ের ফ্লাক্স নিয়ে বের হচ্ছি। রাত ১০টা-১১টা পর্যন্ত এ কাজ করি। এতে প্রায় ৩০০-৪০০ টাকা থাকে। উপায় নেই। বাড়তি কিছু না করলে সংসার চলবে না।



সবচেয়ে বড় সমস্যা নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক দাম। চাল, ডিম আলুসহ বাজারে অতিপ্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের দর বাড়তি। মধ্যম মানের চাল ৬০ টাকা, আলু ৬০-৬৫ ও পেঁয়াজ ১২০ টাকা। ৮০ টাকার নিচে মিলছে না সবজি। একবছর আগে পেঁয়াজের দাম ছিল ৬০-৭০ টাকা, আলু ৪০ টাকা।


সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজারদরের প্রতিবেদনও বলছে জিনিসিপত্রের দাম বাড়ছে। সংস্থাটির হিসাবে, এক বছরে চালের দাম ৭ শতাংশ বেড়েছে। ডালের দাম বেড়েছে মানভেদে ৫০ শতাংশ, পেঁয়াজ ১৫০ শতাংশ। আদা, রসুন, হলুদ মরিচ গুঁড়া প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বেড়েছে। মাছ, মাংস ডিম ও দুধের দামও বেড়েছে এ সময়।


টিসিবি যেসব পণ্যের দামের হিসাব রাখে প্রায় অধিকাংশ পণ্যের দাম বেড়েছে। এ সংস্থা হিসাবের বাইরে রয়েছে সবজির দাম। তবে সেখানেও নেই স্বস্তি। বরবটি, বেগুন, করলার দাম শুনলেই হতবাক হচ্ছেন অনেক ক্রেতা। এসব সবজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার ওপরে। দু-একটি ছাড়া বেশিরভাগ সবজির কেজি ৮০ টাকার বেশি।



কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়শন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ‘মানুষের ব্যয় বাড়ছে। বিকল্প আয়ের কোনো পথ নেই। অপরদিকে বড়লোকদের আয় বাড়ছে, যেহেতু প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। ফলে সেটা বড়লোকদের মধ্যে যাচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘসময় আয় বৈষম্য বাড়তে দেওয়া ঠিক নয়। এতে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয়।’



তিনি বলেন, ‘অন্যদিকে পুষ্টিহীনতা বাড়ছে এ উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে। কারণ নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্তরা ঠিকমতো খেতে পারছেন না। তাদের কর্মক্ষমতা কমে যাচ্ছে, যা বড় প্রভাব ফেলবে। এই শ্রেণির আয় বাড়ানোর পথ খুলতে হবে। লাগাম টানতে হবে উচ্চ মূল্যস্ফীতির।’


গোলাম রহমান বলেন, ‘সরকার কিছু সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে। কিন্তু সেটা পর্যাপ্ত নয়। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। অর্থাৎ ওএমএস, টিসিবি যাদের প্রয়োজন তারা সবাই পাচ্ছে না।’



বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘কোভিডের সময় বিশ্বের অনেক দেশে ব্যাংকের সুদহার বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে তখন নয়-ছয় নীতি করে তা আটকে রাখা হয়। আবার ব্যাংকগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার অজুহাতে সরকার টাকা ছাপিয়ে দিয়েছে। এসব ভুল নীতির কারণে পণ্যমূল্য বাড়ছে। মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। তবে বেড়ে যাওয়া পণ্যমূল্য কমানো সম্ভব হবে না। কিন্তু ভবিষ্যৎ মূল্যবৃদ্ধি অর্থাৎ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সেজন্য নতুন করে টাকা ছাপানো যাবে না। ডলারের দর স্থিতিশীল রাখতে হবে।’


আরও খবর




চিরিরবন্দরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুইজনের কারাদন্ড

মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন

চিরিরবন্দরে মাদকবিরোধী অভিযানে ২ জনের কারাদন্ড

মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন

মুরাদনগরে সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

মুরাদনগরে ফুফু-ভাতিজা নিহত, জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলার অভিযোগ

শাজাহানপুরে আমরুল ইউনিয়ন যুবদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।

মাঠের বাস্তব চিত্র তুলে ধরুন, আমরা ব্যবস্থা নেব’: নারায়ণগঞ্জের এসপি

চন্দনাইশে বন্যার্ত ৭৬৬ পরিবারে নগদ অর্থ ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন রেড ক্রিসেন্ট

সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা,একজনের যাবজ্জীবন,একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে উলিপুরে ‘প্রভাতী’ প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ সদরের বি‌ভিন্ন জলাশয়-পুকুরে ১০ হাজার পোনা অবমুক্ত

ফতুল্লায় দুই বেকারিকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদে রসুলপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

গাইবান্ধায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ও তার ভাই আটক

সোনারগাঁয়ে ৩১ নং লাধুরচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আশরাফুল হাসান পলাশ

জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগে পঞ্চগড়ে আনন্দ, চলছে মিষ্টি বিতরণ

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে ‘অসকস’ সভাপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও চারটি দাবি উপস্থাপন

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছে সালেহ মোঃ আদনান

রংপুরের তারাগঞ্জে বড় বোনের বাসা থেকে ছোট বোনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ময়মনসিংহে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের বিভাগীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত

স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিলেন নওগাঁ ম্যাটসের শিক্ষার্থীরা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে তেলিজানা আলিম মাদ্রাসায় আলোচনা,রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

শেৱপুরে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগ কর্মী সেলিম গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

সর্বগামী তেতুলিয়া নদীর গ্রাস থেকে মুক্তি চায় গ্রামবাসী

চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেন্ডার বাণিজ্য নিয়ে তুলকালাম কান্ড, অভিযোগ-বদলি নিয়ে চলছে তদবির

রংপুরের তারাগঞ্জে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে এমপি সাকিলা ফারজানা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা

বাবা-মায়ের ভুলে সন্তান ডিভাইসে আসক্তিততে .নীরব মহামারি. হিসেবে দেখা দিয়েছে

১৬ আগস্ট জাতীয় মৎস্য পক্ষ শুরু, ১৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বর্ণপদক

আরো ১২ জেলায় অনলাইন ই-বেইলবন্ড সিস্টেম চালু

রাতেও বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট : জ্বালানিমন্ত্রী

তারেক রহমানের ‘ট্রিলিয়ন ডলার’ ভিশনে বিশ্বাসী মার্কিন ব্যবসায়ীরা: অতুল কেশপ

গ্যাসের সংকট আরও তীব্র, ভোগান্তি চরমে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের বৈঠক