
স্টাফ রিপোর্টার:
একদিকে বাড়ছে মানুষ,বাড়ছে নতুন ঘরের প্রয়োজন;অন্যদিকে বছরের পর বছর ধরে পড়ে থাকা গর্ত দখল করে আছে সদরের অনেক জায়গা।কোথাও জমে আছে ময়লা-আবর্জনা, কোথাও আটকে আছে নোংরা পানি।দুর্গন্ধে অস্বস্তিকর হয়ে উঠছে পরিবেশ।অথচ এসব গর্ত ভরাট করা গেলে একদিকে জায়গার সংকট কমবে, অন্যদিকে ফিরতে পারে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ।
তাহিরপুর উপজেলা সদরের দীর্ঘদিনের এসব গর্ত ভরাটে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন উপজেলা ক্রীড়া সংসদের সদস্য সচিব সাকিব মুন খোকন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন,তাহিরপুর উপজেলা সদর ইউনিয়নে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনা রয়েছে।কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে হয়।ফলে নতুন ও সুন্দর বাসার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।
তিনি আরও লিখেছেন,আগে একটি বাড়িতে বাবা-চাচারা একসঙ্গে বসবাস করলেও এখন প্রত্যেকের আলাদা সংসার হয়েছে।ছেলে-মেয়েরাও বড় হয়ে নতুন সংসার গড়েছে।ফলে নতুন করে ঘর নির্মাণের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।এতে বসতবাড়ি তৈরির জন্য জায়গার চাহিদাও বেড়েছে।
সাকিব মুন খোকনের লেখায় বলা হয়,উপজেলা সদরের আশপাশের অনেক ওয়ার্ডে বহু বছরের পুরোনো গর্ত এখনো ভরাট হয়নি। ফলে জায়গার সংকট তৈরি হয়েছে।আবার অনেক গ্রামের ভেতরে থাকা এসব গর্তে বছরের পর বছর ধরে জমে আছে আবর্জনা ও ময়লা পানি।তার দাবি,দীর্ঘদিন জমে থাকা এসব ময়লা ও পানির কারণে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।সৃষ্টি হচ্ছে দুর্গন্ধ। এতে নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি দুর্গন্ধের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছে।
তিনি লিখেছেন,আগের মতো এখন আর সদর এলাকার মানুষের পক্ষে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এসব গর্ত ভরাট করা সম্ভব নয়।অথচ গ্রামগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা,নতুন ঘর নির্মাণের জায়গা তৈরি করা এবং বসতবাড়ির সংকট মোকাবিলায় গর্তগুলো ভরাট করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
সাকিব মুন খোকনের মতে,নদী থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে মাটি উত্তোলন করে এসব গর্ত ভরাট করা যেতে পারে।তাঁর ভাষায়,গ্রামের ভেতরের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা এবং পরিচ্ছন্ন জায়গার সংকট দূর করতে এ মুহূর্তে নদী থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে মাটি উত্তোলন জরুরি হয়ে পড়েছে।
তবে নদী থেকে মাটি উত্তোলনের ক্ষেত্রে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ,পরিবেশের ভারসাম্য এবং সরকারি আইন ও বিধিবিধান মেনে চলার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরামর্শ ও অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে।
এ বিষয়ে তিনি তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর কাছে এ বিষয়ে সুপরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন সাকিব মুন খোকন।





























