
শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুর সদর উপজেলার চরখারচর এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজি এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ তুলে এম এ রানা আহমেদ ও কাশেম মিয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন এবং প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় বেতমারি-ঘুঘুরাকান্দি ইউনিয়নের চরখারচর মজিবর মোড় সংলগ্ন এলাকায় ‘চরখারচর এলাকাবাসী’র ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত শত নারী-পুরুষ অংশ নেন।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, রানা আহমেদ ও কাশেম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নিরীহ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে কাবু করার চেষ্টা চালানো হয়। বক্তারা এসব অপকর্মের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জোর দাবি জানান।
মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন মেধাবিকাশ মডেল একাডেমির পরিচালক আতিকুল ইসলাম আতিক, আশিকুর রহমান আশিক, সুজন মিয়া, সিদ্দিক মিয়া ও আসাদুজ্জামান অপু প্রমুখ।
ভুক্তভোগী আতিকুল ইসলাম আতিক তাঁর বক্তব্যে বলেন, "রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে গ্রামের অনগ্রসর শিশুদের শিক্ষার আলো ছড়াতে ২০২১ সালে 'মেধাবিকাশ মডেল একাডেমি' প্রতিষ্ঠা করি। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পার্শ্ববর্তী একটি স্কুলের পরিচালক রানা আহমেদ আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নানা চক্রান্ত শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি তাঁর সহযোগী কাশেমকে দিয়ে আমার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন।"
তিনি আরও অভিযোগ করেন, চাঁদা দিতে না চাওয়ায় রানা ও কাশেম যোগসাজশ করে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন’ মামলা দিয়ে মানসিক ও সামাজিকভাবে হয়রানি করছেন। তবে ভয়ভীতি বা মিথ্যা মামলা দিয়ে কোনোভাবেই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসী একযোগে এলাকায় মাদক ও চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধে এবং মিথ্যা মামলায় হয়রানি রোধে প্রশাসনের জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।




























