শিরোনাম
পত্নীতলায় ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ২ শেরপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম,লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ধুনটে উপজেলা পর্যায়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপে প্রথম আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল ঈশ্বরগঞ্জে ইয়াবা-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার,ফারুকের বিরুদ্ধে ৯ মামলা প্রস্তাবিত ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেলে বাঁশকাইটে স্টেশন স্থাপনের দাবিতে মুরাদনগরে মানববন্ধন বান্দরবানে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে যুব উন্নয়ন ক্যাম্পেইন-২০২৬: যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অষ্টগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ,জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্তের আবেদন লালমোহনে মাসিক সমন্বয় ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত চাটখিলে সাংবাদিকের ওপর হামলা: মসজিদের টাকা চুরি চক্রের সদস্য মোতাকে কারাগারে প্রেরণ পত্নীতলায় ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার
বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬

দেশজুড়ে দীর্ঘমেয়াদি বন্যার শঙ্কা, প্লাবিত হবে কী রাজধানী?

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

সম্প্রতি টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ী ঢলের কারণে বন্যা কবলিত হয়েছে দেশের বিভিন্ন জেলা। বর্ষার বাহক দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় দেশের অনেক স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের প্রধান নদ-নদীসমূহের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে উজানের অববাহিকায় উত্তর-পূর্ব ভারত ও বিহার, নেপাল এবং চীনের তিব্বতীয় অঞ্চলে অতি বর্ষনের ফলে ভাটির এই দেশের নদ-নদীসমূহের পানি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মনবাড়িয়া, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, রাজবাড়ি, শরিয়তপুর, ফেনী, রাঙ্গামাটি, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কক্সবাজার জেলা বন্যা কবলিত রয়েছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আগামী দু’একদিনে আরও কয়েকটি জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে।


এদিকে গতকাল শুক্রবার (১২ জুলাই) কয়েক ঘন্টার টানা বৃষ্টিপাতে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কও তলিয়ে যেতে যায়। এতে করে জনজীবনে নেমে আসে চরম ভোগান্তি। ছুটির দিনেও যারা জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বেড়িয়েছিলেন তারা পড়েন বিপাকে। এসময় কোথাও কোথাও দেখা গেছে মানুষের কাঁধে ভর করে টাকার বিনিময়ে জমে থাকা পানির জায়গাটুকু কাউকে কাউকে পাড় হতে। অন্যদিকে আবহাওয়া অফিস বলছে চলমান বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে দীর্ঘমেয়াদি বন্যার কবলে পরতে পারে দেশ। এমনকি ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরির পদধ্বনিও শোনা যাচ্ছে দপ্তরের সূত্র থেকে। 


আবহাওয়া দপ্তর বলছে, বর্ষার শুরুতেই কিছুটা বৃষ্টিপাত ও ভারতীয় ঢলের ফলে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং মধ্যাঞ্চলের কমপক্ষে ২০ টি জেলা বন্যা কবলিত হয়েছে। এতে করে কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলমান বন্যা পরিস্থিতি আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে এবং বন্যাকবলিত জেলার সংখ্যাও বাড়তে পারে। এরই মধ্যে আবার অনেকে আগামী মাসে নতুন করে বড় বন্যার আশঙ্কার কথা বলছেন। 


এমন কি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত কয়েকদিন আগে মন্ত্রী সভার বৈঠকে আগামী আগস্টের সম্ভাব্য বন্যা মোকাবেলার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসেও বলা হয়েছে, আগামী আগস্ট মাসে দেশে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পেতে পারে এবং আরেকটি মৌসুমি বন্যার সৃষ্টি হতে পারে।


আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমি বায়ু এখন অতিমাত্রায় সক্রিয় থাকার কারণেই এই ভারি বৃষ্টি হচ্ছে। আর এই মৌসুমি বায়ুর অক্ষ ভারতের পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ এবং ভারতের আসাম হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বাংলাদেশ ও বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু অতিমাত্রায় সক্রিয় থাকায় উপকূলীয় এলাকায় অতি ভারি বৃষ্টি হয়েছে। দেশের ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বেড়ে চলেছে।


মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা আরও অন্তত তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত থাকবে। তবে আজ শনিবার থেকে বৃষ্টির অতিমাত্রার সক্রিয়তা কমে আসবে। এর ফলে আজ থেকে মাঝেমধ্যে হালকা আবার মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হলেও এমন ভারি বর্ষণ হবে না বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। 


এদিকে আজ শনিবার রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।


বন্যার শঙ্কা রাজধানীর কয়েক জেলায় 


দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে বন্যা চলমান রয়েছে। অন্যদিকে বর্ষা মাত্র শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় চলতি মাসে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। তাই বিশেষজ্ঞদের ধারণা চলতি মাসেই দেশের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে এবং আগস্টে তা ভয়াবহ রূপ লাভ করবে। আর এ বন্যায় রাজধানী ঢাকাসহ মধ্যাঞ্চলের কয়েকটি জেলা প্লাবিত হবে। রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদীগুলো এখন পানিতে ভরপুর। পদ্মা-গঙ্গা এবং ব্রহ্মপু- যমুনাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি মধ্যাঞ্চল হয়ে সাগর পানে ধাবিত হবে। এতে ঢাকা ও এর আশপাশের নদ-নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পাবে। গতকাল মাত্র কয়েক ঘন্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় রাজধানী ঢাকা। এর জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশাকে দায়ী করলেও মূলত চারপাশের নদীগুলো পানিতে পরিপূর্ণ থাকায় রাজধানীর পানি নামতে পারছে না। তাই সামান্য বৃষ্টিতেই ঢাকা তলিয়ে যায়। বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষা এসব নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেয়ে আগস্টে ঢাকার বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক পরিস্থি ধারণ করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।


সুনামগঞ্জ 


সুনামগঞ্জে সবক’টি নদনদীতে রাতে পানি বাড়লেও তা দিনে কমতে শুরু করেছে। তবে রাতের পানিতে শহরের সাহেববাড়ি ঘাট, বাজার এলাকা ও লঞ্চঘাট প্লাবিত হয়েছে। ভারতের মেঘালয় এবং সুনামগঞ্জে ভারি বর্ষণের কারণে নদনদীতে পানি বেড়েছে। দোয়ারাবাজার, ছাতক, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সীমান্ত ও নদীতীরবর্তী এলাকার রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। সেইসঙ্গে জেলা শহরের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।


গত ১৬ জুন থেকে শুরু হওয়া বন্যার আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই সিলেট-সুনামগঞ্জে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলা শহর ও শহরতলীর আশপাশ এলাকার বন্যার পানি কমতে না কমতেই, আবারো পানি বাড়তে শুরু করেছে। ভারতের মেঘালয়ে ভারি বৃষ্টি শুরু হওয়ায় এমন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জুলাই মাসের প্রথম দিকে সিলেট- সুনামগঞ্জ জেলার সুরমা, কুশিয়ারা, কালনী নদীসহ বিভিন্ন নদীর পানি বেড়ে আবার বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। চলমান বন্যায় সুনামগঞ্জের মানুষ ২০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। প্রায় আট লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে খাবার ও চিকিৎসা সঙ্কটে রয়েছেন।


হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সুনামগঞ্জের মানুষ ফের বন্যা আতঙ্কে আছেন। জুন ও জুলাই মাসে সীমান্তের ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দুই বার বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এখন আবার যাদুকাটা, রক্তি, বৌলাই, চেলা, পিয়াইন, চেলাই ও পাটলাই নদী দিয়ে ঢলের পানি সুরমা নদীতে আসছে।


এছাড়া গত ৭ দিনে চেরাপুঞ্জিতে এক হাজার মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলেও পাহাড়ি ঢলের পানি ১১ জুলাই বিকেল থেকে পুরোপুরি নামতে শুরু করে। যা শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।


 বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় সুনামগঞ্জের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। আর শুক্রবার সকাল ৬টায় পনি বেড়ে ২৬ সেন্টিমিটার ও সকাল ৯টায় ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে শহরের সাহেববাড়ির ঘাট, লঞ্চঘাট, জেলরোড, তেঘরিয়া, বড়পাড়া ও উকিলপাড়াসহ বেশ কয়েকটি আবাসিক এলাকার নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট প্লাবিত হয়।


 সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ৭ ঘণ্টায় সুরমা নদীর পানি ১৬ সেন্টিমিটার কমেছে। তবে বুধবার থেকে পানি বাড়তে থাকে। গত তিন দিনে সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধি পায় এবং শুক্রবার সকালে বিপৎসীমা অতিক্রম করে।


 সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা কেয়া বলেন, ‘সকালে হঠাৎ করে পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চলের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে, শ্রমজীবী মানুষ দুর্ভোগে পড়েন। ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি বেড়েছে। বেলা ১১টার পর পানি দ্রুত নেমে যায়।’


 তিনি আরও বলেন, ‘বিকেলে পানি নেমে গেলে মানুষ স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরে আসেন। আর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া ছিল। পানি নেমে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে।’


সিলেট 


সিলেটে কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বন্যা দীর্ঘায়িত হচ্ছে। বাড়ছে জনদুর্ভোগ। গত ১৭ জুন ঈদের দিন থেকে ডুবে আছে দক্ষিণ সুরমা, জকিগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগর উপজেলাসহ সিলেট সিটি করপোরেশনের অধিকাংশ এলাকা। এসব এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘমেয়াদি বন্যার কবলে পড়েছেন। কুশিয়ারা নদী তীরবর্তী এলাকায় ঈদের দিন অনেকের ঘরে কোমরসমান পানি ছিল। ঈদের কোনো আনন্দ ছিল না। এই অঞ্চলের নিু আয়ের মানুষ রয়েছেন মহাবিপদে। দফায় দফায় বন্যায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন সিলেটের অনেকেই। সরকারের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না, যা দেওয়া হচ্ছে তা চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল। সিলেট নগরীর নছিবা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন ভার্থখলার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান পাপ্পু শুক্রবার জানান, এখনো তার বাসায় পানি। দিনে শুকনো থাকলেও রাতে বৃষ্টি হলেই হাঁটুসমান পানিতে জলমগ্ন হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। সিটি করপোরেশনের ২৫, ২৬, ২৭, ৩২, ৪০ ও ৪২নং ওয়ার্ডসহ গোটা দক্ষিণ সুরমা এখনো পানির নিচে। এই উপজেলার অবস্থান কুশিয়ারা নদী অববাহিকায়। এবারের বন্যায় কুশিয়ারা তীরের বাসিন্দারাই বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। সিলেটের প্রধান নদী সুরমার পানি কমে সুরমা তীরবর্তী অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কুশিয়ারার পানি কিছুতেই কমছে না। এদিকে সিলেটে দফায় দফায় বন্যার কারণে শাকসবজিসহ নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন। হুহু করে বাড়ছে পণ্যের দাম। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা পড়েছেন মহাসংকটে।


সিরাজগঞ্জ


তিন দিন মন্থর গতিতে কমতে থাকার পর সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। এদিকে যমুনার অভ্যন্তরীণ চরাঞ্চলে বন্যায় প্রায় এক লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। বন্যার পানিতে ডুবে এখন পর্যন্ত জেলায় ৮ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাজমুল হোসেন বলেন, আজকেও যমুনা নদীর পানি কিছুটা বাড়তে পারে। তবে আগামীকাল থেকে কমে যাবে। চলতি মাসে এ অঞ্চলে বন্যার কোনো সম্ভাবনা নেই।


জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান জানান, জেলার ৫টি উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়নে ২৩ হাজার ৩০৬টি পরিবারের এক লাখ ৩ হাজার ৫৯৪ জন মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বন্যাদুর্গত এসব মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যে ১৩৩ মেট্রিক টন চাল, ৫ লাখ টাকা ও ৩০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। মজুত রয়েছে ১ হাজার ১৬৭ মেট্রিক টন চাল, ২০ লাখ টাকা ও ৭০০ প্যাকেট শুকনো খাবার। চলতি বন্যায় জেলার সদর, শাহজাদপুর ও চৌহালীতে ৮ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নৌকা ডুবে ৪ জন ও পানিতে ডুবে আরও ৪ জন মারা গেছেন।


কুড়িগ্রাম


কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কমেনি মানুষের দুর্ভোগ। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়া অনেক বানভাসি এখনো তাদের নিজ নিজ ঘরে ফিরতে পারেনি। চলতি দুই দফা বন্যায় জেলার ৯ উপজেলার ৫৫টি ইউনিয়নের আড়াই লক্ষাধিক মানুষ এখনো পানিবন্দি। উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের দুর্গম চর এলাকার চরগুজিমারির বাসিন্দা মোতালেব হোসেন জানান, হার্টের সমস্যা নিয়ে প্রায় ১১ দিন ধরে পানিবন্দি রয়েছি। এখন পর্যন্ত কেউ কোনো ত্রাণ দিতে আসেনি। পরিবারের ৪ সদস্যকে নিয়ে শুকনো জায়গায় যাদের বাড়ি সেখানে গিয়ে কিংবা নৌকায় রান্নাবান্না করে কষ্টের মধ্য দিয়ে চলছি।


কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রমনা ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদেরপাড়ে উত্তর রমনা গ্রাম। এ গ্রামের ২৪০টি পরিবারের প্রত্যেকেই এখন বাড়িঘর ছেড়েছেন। 


গত ২ জুলাই বাড়িঘর পানিতে ডুবে যাওয়ার পর কেউ গেছেন স্বজনদের বাড়িতে, আবার কেউ উঠেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের ওপর। সঙ্গে নিয়েছেন গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র।


বাঁধের ওপর পলিথিন মোড়ানো ঝুঁপড়ি ঘর তৈরি সেখানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বানভাসিরা। অপর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তার কারণে তীব্র খাদ্য সংকটে পড়েছেন, সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন পরিবারের শিশু ও বয়স্ক মানুষের। কেউ কেউ একবেলা খেয়েই দিন কাটাচ্ছেন। কেবল উত্তর রমনা গ্রাম নয়, কুড়িগ্রামের ৯টি উপজেলার বন্যাদুর্গত ৩৫০টি গ্রামের বাসিন্দারা এভাবেই দিনযাপন করছেন। কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা, দুধকুমার সহ ১৬টি নদনদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমর ও ধরলা বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আবারো অবনতি হয়েছে। জেলার ৯ উপজেলার ৫৫টি ইউনিয়নের ১ লাখ ৩৫ হহাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে।


কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, শনিবার সকাল ৬টা থেকে কুড়িগ্রামের চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 


পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার নদীর পানি বিপদৎসীমা সমান হয়ে প্রবাহিত হচ্ছে আর ব্রিজ পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি রয়েছে বিপৎসীমার নিচে। ব্রহ্মপুত্রপাড়ের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে ধীরগতিতে।


অন্যদিকে, তিস্তা নদীর পাড়ের ঘড়িয়ালডাঙা ইউনিয়নে তৈয়বখাঁ ও পাড়া মৌলায় নদীভাঙন প্রকট আকার ধারণ করেছে। এ ছাড়া ধরলা নদীর সদরের হলোখানা 


ইউনিয়নের সারডোব এলাকায় নদীতে ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ভাঙনে চলে যাচ্ছে।


গাইবান্ধা


গাইবান্ধায় আবারও বাড়ছে নদনদীর পানি। বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও আবারও ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও তিস্তা নদীর পানি বাড়ছে। ব্রহ্মপুত্র নদের পানি এখনো বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া ঘাঘটের পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ও তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৬৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে আবারও লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি এসব এলাকার মানুষ শিশু-বৃদ্ধ ও গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।


বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে পাট, ভুট্টা, আউশ ধান, আমন বীজতলাসহ আড়াই হাজার হেক্টরের অধিক জমির ফসল। ভেসে গেছে পুকুর ও মাছের ঘের। দ্রুত সরকারি সহযোগিতা চাচ্ছে জেলার সদর, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও সুন্দরগঞ্জের ৪ উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তারা প্রকট সংকটে পড়েছে শুকনো খাবার, গো-খাদ্যসহ বিশুদ্ধ পানির।


জামালপুর 


ভারি বর্ষণ ও উজানের ঢলে জামালপুরে আবারও বেড়েছে যমুনা নদীর পানি। প্রথম দফার বন্যার পানি নেমে যেতে না যেতেই ফের বাড়তে শুরু করেছে। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে বানভাসিদের। জানা গেছে, ইসলামপুরের চিনাডুলী, কুলকান্দি, নোয়ারপাড়া, বেলগাছা, সাপধরী ইউনিয়ন এবং দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চুকাইবাড়ী, চিকাজানী, বাহাদুরাবাদ ইউনিয়ন ও পৌরসভার উঁচু এলাকা থেকে পানি নেমে গেলেও ফের কিছু কিছু জায়গায় আবার পানি উঠতে শুরু করেছে। ৬টি উপজেলার ৪১টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি। বাড়িঘর ছেড়ে অনেকেই আশ্রয় নিয়েছে উঁচু জায়গা কিংবা আশ্রয়কেন্দ্রে। প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে ত্রাণ সহায়তা না পৌঁছানোর অভিযোগ রয়েছে। ছড়াচ্ছে চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগবালাই।


টাঙ্গাইল


টাঙ্গাইলে সব নদীর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে তীব্র নদীভাঙন। জেলার ভূঞাপুর, বাসাইল, দেলদুয়ার ও নাগরপুর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রামের নদীতীরবর্তী এলাকার বাড়িঘর, হাট-বাজার, ফসলি জমি, রাস্তা, কবরস্থান, মসজিদসহ অনেক স্থাপনা বিলীন হয়ে গেছে। ফলে বন্যা ও ভাঙনে নদীপাড়ের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তাদের দাবি, জরুরিভাবে নদীভাঙন রোধ করা হোক এবং বন্যার্তদের সরকারি সহায়তা করা হোক।


মানিকগঞ্জ


মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার বাঘুটিয়া চরে যমুনা নদীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে শতাধিক বসতবাড়ি ও শত শত বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। লালমনিরহাটে বাড়ছে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি। এতে দেখা দিয়েছে ভাঙন। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় অন্তত ৭০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এখনো জলমগ্ন। এ ছাড়া পানি উঠে ১০টি কমিউনিটি ক্লিনিকেও সেবাদান ব্যাহত হচ্ছে। যেভাবে পানি বাড়ছে তাতে আরো বিদ্যালয় পানিবন্দি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


পরিবেশ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর এমন বেহাল দশা যে ডোবা-নালা, খাল সবই প্রায় ভরাট হয়ে রয়েছে। এমনকি পানি ধারণ করার জায়গা নেই এসব নদীতে। তাই এবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যাবে ঢাকা।


আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবার এল নিনোর প্রভাব কেটে গিয়ে আগামী আগস্টে লা নিনা সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে দেশে স্বভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এল নিনোর ফলে পৃথিবীর কোথাও কোথাও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গরম হয়, অনাবৃষ্টি বা তুলনামূলক কম বৃষ্টি, কখনো কখনো খরা হয়। লা নিনা হলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঠান্ডা, অতিবৃষ্টি দেখা দেয়। আবহাওয়া মডেল অনুসারে লা নিনা বর্তমানে নিরপেক্ষ অবস্থায় আছে। আগস্ট-সেপ্টেম্বরে লা নিনা সক্রিয় হতে শুরু করবে। এর ফলে দেশে বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হতে পারে এবং আগস্টে আরেকটি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।


আরও খবর




পত্নীতলায় ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ২

শেরপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম,লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

ধুনটে উপজেলা পর্যায়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপে প্রথম আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল

ঈশ্বরগঞ্জে ইয়াবা-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার,ফারুকের বিরুদ্ধে ৯ মামলা

প্রস্তাবিত ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেলে বাঁশকাইটে স্টেশন স্থাপনের দাবিতে মুরাদনগরে মানববন্ধন

বান্দরবানে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে যুব উন্নয়ন ক্যাম্পেইন-২০২৬: যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

অষ্টগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ,জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্তের আবেদন

উলিপুরে গভীর রাতে জুয়ার আসরে পুলিশের অভিযান, নগদ টাকাসহ আটক ৪

লালমোহনে মাসিক সমন্বয় ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

চাটখিলে সাংবাদিকের ওপর হামলা: মসজিদের টাকা চুরি চক্রের সদস্য মোতাকে কারাগারে প্রেরণ

ফতুল্লায় ২০০ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

উলিপুরে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের শেয়ার প্রোফাইল ভ্যালিডেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

পত্নীতলায় ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার

পত্নীতলায় নজিপুর বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষের চারা বিতরণ

রাসেল হত্যা মামলায় শামীম ওসমানসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

তিন দশকের পথচলার অবসান: খবরের কাগজ হাতে আর দেখা যাবে না নিতাইকে

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বাউফলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ, সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা

অষ্টগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ,জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্তের আবেদন


এই সম্পর্কিত আরও খবর

পুষ্টি নিরাপত্তায় খাদ্য ফোর্টিফিকেশন জোরদারের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামী আমিনী গ্রেপ্তার

শিশুদের মালিকানাবোধেই লুকিয়ে আছে জলবায়ু সংকটের সমাধান

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

কপ৩১-এর প্রস্তুতি: জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে সংসদে তরুণদের সম্মেলন

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

তেলের দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্টে ফেলা যাবে না: পীর সাহেব চরমোনাই

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা