শিরোনাম
চন্দনাইশে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত ২ কৃষক মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত মাদক,কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ অষ্টগ্রামে বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয় করণ তৃতীয় পর্যায়ে প্রকল্প অনুষ্ঠিত আদিবাসী খামারিদের উন্নয়নে পোরশায় ১৬০ জনের মাঝে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ জামালগঞ্জে নতুন ইউএনও হিসেবে পদায়ন পেলেন শিল্পী রাণী মোদক মুরাদনগরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ‘ছাত্রদলের’ বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি আবুল কালাম মল্লিকের শিবচর থানায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মত বিনিময় সভায় যোগদান আমতলীতে বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ৯ শত পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা ও সহযোগী আটক লালমোহনে তেঁতুলিয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে ১৪০ পরিবারের মাঝে আতঙ্ক বানিয়াচংয়ে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়
বুধবার ১০ জুন ২০২৬
বুধবার ১০ জুন ২০২৬

দ্রুত নিষ্পত্তি চায় আসামিপক্ষ, পৃথক বেঞ্চ চায় রাষ্ট্রপক্ষ

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা পিলখানা ট্রাজেডির ১৫ বছর আজ। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায় বাহিনীটির বিদ্রোহী সদস্যরা। বর্বরোচিত সেই হামলায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। এ কাণ্ডের পর করা পৃথক দুই মামলার মধ্যে বিদ্রোহ ও হত্যাযজ্ঞের মামলার বিচার বিচারিক আদালতের পর হাইকোর্ট বিভাগেও সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলাটি এখনো নিম্ন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ১৫ বছর আগে সংঘটিত অপরাধের আলোচিত এ মামলাটির দ্রুত নিষ্পত্তি চায় আসামিপক্ষ। অপরদিকে, আপিল বিভাগে বিচারক নিয়োগের মাধ্যমে এ মামলা শুনানির জন্য আলাদা বেঞ্চের পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষ।


আসামির দিক থেকে ইতিহাসের বড় পৃথক দুই মামলার মধ্যে এখনো বিচারিক আদালতেই নিষ্পত্তি হয়নি বিস্ফোরক আইনের দায়ের হওয়া অপর মামলাটি। ১৫ বছরেও কেন এই মামলা নিষ্পত্তি হয়নি তার কারণ রাষ্ট্রপক্ষের ব্যাখ্যা করা উচিত বলে মনে করেন আসামিদের আইনজীবীরা। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষের ভাষ্য, বিশাল সংখ্যক আসামি থাকায় সাক্ষী ও জেরা শেষ করতে অনেক ক্ষেত্রে আসামিপক্ষ বেশি সময় নিচ্ছেন।


২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর বিদ্রোহ ও হত্যাযজ্ঞের মামলায় রায় দেন বিচারিক আদালত। এতে ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১৬০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। এ ছাড়া ১০ বছরসহ বিভিন্ন মেয়াদের সাজা হয় ২৫৬ জনের। আর খালাস পান ২৭৮ জন। এরপর নিয়ম অনুসারে মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পৌঁছলে আপিল করেন আসামিরা। অপরদিকে কয়েকজন খালাসপ্রাপ্ত আসামির বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষও।


হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর রায় দেওয়া হয়। রায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, ১৮৫ জনের যাবজ্জীবন দণ্ডের পাশাপাশি ২২৮ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়। এ ছাড়া খালাস পান ৪৫ জন। এরপর হাইকোর্টে খালাস পাওয়া ও সাজা কমা ৮৩ জনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) দায়ের করে। আসামিপক্ষ থেকেও লিভ টু আপিল দায়ের করা হয়। সর্বোচ্চ আদালতে আপিল বিভাগে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য দ্রুত শুনানির দাবি জানিয়ে


আসামিপক্ষের আইনজীবীদের একজন অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় প্রধান বিচারপতির কাছে আকুল আবেদন, এই নিরীহ আসামিদের সব দিক বিবেচনা করে মামলাটির কার্যক্রম যদি দ্রুত নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ নেন তা হলে আমার মনে হয় যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।’


আপিল বিভাগে বিচারক সংকটের কারণে মামলা শুনানি শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না জানিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘সরকারপক্ষ থেকে আমরা আশা করছি যে, ট্রায়াল কোর্ট যাদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন এবং হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছিলেন, সেই আদেশ যেন সুপ্রিমকোর্টেও বহাল থাকে। কিন্তু এ মুহূর্তে পর্যাপ্ত সংখ্যক বিচারক নেই। আশা করছি বিচারক এলে এ বিষয়ে পৃথক একটি বেঞ্চ গঠন করা হবে। কারণ এ মামলায় ওনারা শুনানি শুরু করলে অন্য মামলা শুনতে পারবেন না। একনাগাড়ে শুনানি করলেও দুই মাসের আগে শুনানি শেষ হবে না।’


এ মামলায় ১৩৯ জনের ফাঁসি বহালের পাশাপাশি যাদের দণ্ড কমানো হয়েছে, সেই বিষয়েও শক্ত আইনি অবস্থান নেওয়া হবে বলে জানান রাষ্ট্রের এই প্রধান আইন কর্মকর্তা।


এদিকে হত্যা ও বিদ্রোহ মামলায় খালাস মিললেও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের হওয়া মামলাটির কার্যক্রম ১৫ বছর ধরে শেষ না হওয়ায় কারাগার থেকে দুই শতাধিক আসামি মুক্তি পাচ্ছেন না। বিস্ফোরক আইনের মামলাটির বিচার শেষ না হওয়ার বিষয়ে আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, উচ্চ আদালতে বিচারকের সংকট থাকলেও নিম্ন আদালতে তো সংকট নেই। অথচ নিম্ন আদালতের মামলার ট্রায়াল চলছে ১৫ বছর যাবৎ। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের একটা ব্যাখ্যা থাকা উচিত।


অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এত বেশি আসামি, তাদের উকিলও অনেক। একজন সাক্ষীকে যদি ১০০ জন জেরা করেন তা হলে কত সময় লাগে? শুধু প্রসিকিউশনের জন্যই তো নয়, সময় লাগছে তাদের (আসামিপক্ষের) জন্যও।’


প্রসঙ্গত, পিলখানায় বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের বার্ষিকীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষে আজ সকাল ৯টায় বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনাসদস্যদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার কর্মসূচি রয়েছে। 


আরও খবর




ব্রাজিলের জার্সি পরলেই ভিজিট ফ্রি, ডা. ফরিদ এইচ খান

চন্দনাইশে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত ২ কৃষক মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত

মাদক,কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ

অষ্টগ্রামে বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয় করণ তৃতীয় পর্যায়ে প্রকল্প অনুষ্ঠিত

আদিবাসী খামারিদের উন্নয়নে পোরশায় ১৬০ জনের মাঝে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ

জামালগঞ্জে নতুন ইউএনও হিসেবে পদায়ন পেলেন শিল্পী রাণী মোদক

মুরাদনগরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ‘ছাত্রদলের’ বিক্ষোভ মিছিল

ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি আবুল কালাম মল্লিকের শিবচর থানায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মত বিনিময় সভায় যোগদান

আমতলীতে বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ৯ শত পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা ও সহযোগী আটক

লালমোহনে তেঁতুলিয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে ১৪০ পরিবারের মাঝে আতঙ্ক

বানিয়াচংয়ে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

নারায়ণগঞ্জে ডাম্পট্রাকের চাপায় ছাত্রদল ও যুবদল নেতা নিহত

সরকারি টাকায় নিম্নমানের রাস্তা নির্মাণ, প্রকৌশলী বললেন ‘মারামারি করে কাজ বন্ধ করব নাকি!

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মাদক মামলায় এক আসামী আটক

সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে জেলা ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময়

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে ঢাকা বিভাগীয় তথ্য অফিসের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

গবেষণা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল ডুয়েটের নতুন ভিসি

ধুনটে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা আসিফ সিরাজ রব্বানী

গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: ৫ মাদকসেবী গ্রেফতার

ফুলপুরে ট্রান্সফরমার চোর গ্রেফতার

শরণখোলায় প্রাইভেট একাডেমির শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাস্তায় বসে ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ

দক্ষিণ আইচায় ইয়াবাসহ জনতার হাতে আটক কথিত মাদক সম্রাট বাবুল

গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ

ধর্ষণ মামলায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স গ্রেপ্তার

ডুয়েট উপাচার্যের সঙ্গে এনপিসিবিএল প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়

সাতক্ষীরায় কোটি টাকার কোর্ট ফি জালিয়াতির মূলহোতা পিওন সিরাজুল গ্রেপ্তার

রূপগঞ্জের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত রনির মৃত্যু,থানায় মামলা দায়ের

কাঞ্চন পৌরসভায় ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা, হাতপাখা প্রতীক তুলে শপথ

সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কফিল উদ্দিন আর নেই

ফুলপুরে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু


এই সম্পর্কিত আরও খবর

ঈদ যাত্রায় সড়ক-রেল-নৌপথে নিহত ৪৩৮ জন

মুক্তিযুদ্ধের সময় থাকলে আমি মানুষের পক্ষে থাকতাম, জুলাইতেও মানুষের পক্ষেই ছিলাম: ফারুকী

ব্যাংকখাতে সুশাসন নিশ্চিতে সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

রাশিয়া গে‌লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকারের ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি

‘ডেঙ্গুর চিকিৎসা পদ্ধতি শুনে আমি ভয় পেয়ে গেছি’

সনদসর্বস্ব শিক্ষার বদলে কর্মমুখী কারিকুলাম জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গুর প্রভাব বাড়ার আগেই প্রতিহত করতে চান ডিএসসিসি প্রশাসক

দীর্ঘ ছুটি শেষে কাল খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

পুশইন মেনে নেবে না বাংলাদেশ, বন্ধে কূটনৈতিক সংলাপের তাগিদ বিশ্লেষকদের