শিরোনাম
আন্তর্জাতিক জব পোর্টাল—রিকুইটো সেনবাগে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘মেধা উৎসব ২০২৬’ অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জে সুমন হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন চন্দনাইশ হাছানদন্ডীতে গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু পালানো সরকারের ফিরে আসার নজির নেই ; শেরপুরে মন্ত্রী মিল্লাত বায়তুল নূর জামে মসজিদের উন্নয়নে ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু কুমিল্লায় জাগুর ঝুলিতে আজিমুশশান নূরানী মাহফিল অনুষ্ঠিত নবাব ফয়জুন্নেছা কলেজ ও ওয়াকফ সম্পদ সংরক্ষণের দাবীতে মানববন্ধন অষ্টগ্রামে প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেনারি হাসপাতাল ডাক্তার শূন্য দেখার কেউ নেই অভিযোগ এলাকাবাসী গঙ্গাচড়ায় তিস্তায় আকস্মিক ভাঙন,পরিদর্শনে উপজেলা বিএনপির নেতারা
সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লুটেরারা সব ঝাঁঝরা করে দিচ্ছে

আলোকিত বাণিজ্য ডেস্ক
প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

আমাদের সন্তানরা প্রবাসী শ্রমিক হয়ে, পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা উদয়াস্ত পরিশ্রম করে মূল্যবান রেমিট্যান্স আনেন দেশে। কিন্তু তাদের কষ্ট উপার্জিত রেমিট্যান্স বিভিন্ন উপায়ে পাচার হয়ে যাচ্ছে। পাচার বন্ধে নেই সরকারের কোনো কঠোর পদক্ষেপ। ফলে পাচারকারীরা ও লুটেরারা দেশের অর্থনীতি ঝাঁঝরা করে দিচ্ছে।


অর্থপাচার রোধে দেশে সর্বমোট আটটি সরকারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। এতগুলো প্রতিষ্ঠান আসলে কী করছে, কেন তারা ব্যর্থ হচ্ছে, তা নিয়েও যেন সরকারের মাথাব্যথা নেই। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অর্থ পাচার চক্রের কবলে পড়ে ২০২৪ বাংলাদেশ পৃথিবীর দ্বিতীয় দ্রুততম অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দেশ থেকে পিছিয়ে পড়তে পারে।


মাস্টারকার্ড ইকোনমিক ইনস্টিটিউট বলছে, বাংলাদেশ ২০২৪ সালে হবে পৃথিবীর দ্বিতীয় দ্রুততম অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দেশ (৬.৩%)। ভারতের পরেই থাকবে তার অবস্থান। এডিবির পূর্বাভাস, জিডিপি হবে ৬ দশমিক ৫। কিন্তু অর্থ পাচার রোধে কঠোর আইনের প্রয়োগ নেই বললেই চলে।


বাংলাদেশে অর্থের অবৈধ ব্যবহার নিয়ে প্রথম আইনটির নাম ছিল মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০০২ (২০০২ সালের ৭ নম্বর আইন)। এ আইনের বিধানাবলি অপর্যাপ্ত থাকায় ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এ লক্ষ্যে একটি অধ্যাদেশ জারি করে (অধ্যাদেশ নম্বর ১২, ২০০৮) কিছু বিষয় যুক্ত করে। পরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার অধ্যাদেশটি সংবিধানের অনুশাসন অনুযায়ী পরীক্ষা করে ২০০৯ সালে আইনে রূপান্তরিত করে। আইনটির শিরোনাম ছিল মানি লন্ডারিং আইন-২০০৯ (২০০৯ সালের ৮ নম্বর আইন)। ২০০৯ সালের আইনটিও পরে বাতিল করে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ অধ্যাদেশ ২০১২ জারি করা হয়, যা পরবর্তী সময়ে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ নামেই পরিচিত।


ওয়াশিংটনভিত্তিক সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেগরিটি (জিএফআই) বলছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর গড়ে ৭৫৩ কোটি ৩৭ লাখ ডলার পাচার হয়। টাকার অঙ্কে তা প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা। আর সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ সালে দেশটির বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ ছিল ৮৭ কোটি ১১ লাখ সুইস ফ্রাঁ, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা। অবশ্য অনেকেই মনে করেন, পাচার করা অর্থের পরিমাণ আরও বেশি হবে।


অর্থ পাচার বন্ধের দায়দায়িত্বের বিষয় উঠলে প্রথমেই আসে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) নাম। এটি বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট নামেও পরিচিত। এরপর সরকারের অপরাধ প্রতিরোধকারী সংস্থা তথা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগসহ (সিআইডি) সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কাছে তা পাঠিয়ে থাকে। অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা এসব সংস্থারই। এসব সংস্থায় অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যবস্থার কথা শোনা গেলেও বড় ব্যবসায়ীদের অর্থ পাচার নিয়ে কাজ করার বিষয়টি বেশ বিরল।


সম্প্রতি আন্তর্জাতিক একটি সংস্থার গবেষণা প্রতিবেদনে দেশ থেকে প্রতি বছর ৬৪ হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়ার তথ্য জানায়। পাচার হওয়া এসব অর্থ চলে যায় সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও থাইল্যান্ডসহ ১০টি দেশে। এ অর্থ ফেরাতে এর আগে প্রণোদনাসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কিন্তু এবার পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে বিশেষ স্কিম নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। এতে সেসব টাকা ফেরত আসবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট মহল। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ আকৃষ্ট না হওয়ায় দেশ থেকে অর্থ পাচার হয়ে যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরানোর বিশেষ স্কিমেও কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না তারা।


বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি বলছেন, স্বাধীনতার পরের অর্থবছর থেকে গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১২ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়ছে। সমিতির হিসাবে ১৯৭২-৭৩ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত পাচার হওয়া অর্থের ৫ শতাংশ উদ্ধার করা গেলেও সরকার ৫৯ হাজার ৬২৫ কোটি টাকা পাবে।


অন্যদিকে আমদানি-রফতানিসহ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কারসাজি আর হুন্ডির আড়ালেও অর্থপাচার করছে পাচারকারী সিন্ডিকেট। এমনটাই বলছে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ পাচার মনিটরিং সংস্থা- বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন।


সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২০, ৫ বছরে পাচারকারীরা ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। যার মধ্যে শুধু ২০১৫ সালে ১ বছরেই দেশ থেকে পাচার হয়ে যায় ৯৮ হাজার কোটি টাকা। পাচারকৃত টাকার পরিমাণ বিবেচনায় দক্ষিণ এশিয়ায় পাচারকারী দেশ হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ। উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যিক লেনদেনের সাড়ে ১৭ শতাংশই কোনো না কোনোভাবে পাচার হচ্ছে বলে দাবি আন্তর্জাতিক সংস্থাটির।


বিশেজ্ঞদের নানা মত। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, স্বাধীনতা পরবর্তী দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কারীরা আকৃষ্ট না হওয়ায় বিভিন্ন উপায়ে অর্থ পাচার হয়ে যাচ্ছে। তবে দুর্নীতি দমন কমিশনের কৌঁসুলিরা বলছেন, সংসদ সদস্য, বড় ব্যাংকার থেকে শুরু করে প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা পাচারের সঙ্গে জড়িত। তাদের ক্ষমতা এবং প্রভাবের কারণে এই অপরাধ বন্ধ করা যাচ্ছে না।


শুধু এক বছরের পাচার হওয়া অর্থ দিয়েই তিনটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব উল্লেখ করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান মাসুদ বিশ্বাস বলেন, দেশের মোট বাণিজ্যের ১৮ শতাংশই কোনো না কোনোভাবে পাচার হচ্ছে। তাই টাকা পাচারে বিশ্বের শীর্ষ ৩০ দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। এ দেশ থেকে প্রতি বছর গড়ে পাচার হয়েছে প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকা। তিনি জানান, ২টি প্রক্রিয়ায় এই অর্থ পাচার হয়েছে। এর মধ্যে আছে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির মূল্য বেশি দেখানো (ওভার ইনভয়েসিং) এবং রপ্তানিতে মূল্য কম দেখানো (আন্ডার ইনভয়েসিং)।


দুর্নীতিও টাকা পাচারের অন্যতম কারণ মন্তব্য করে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ না হওয়ায় টাকা পাচার বেড়েছে। দেশের মোট বিনিয়োগের ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ আসে বেসরকারি খাত থেকে। তাছাড়া দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই, যে কারণে টাকা পাচার হচ্ছে। আবার অনেকেই এ দেশে টাকা রাখতে নিরাপদ মনে করেন না। ফলে টাকা বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন। তার মতে, যন্ত্রপাতির মূল্য বেশি দেখিয়ে বিদেশে টাকা পাচার করা হচ্ছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে বিষয়টি অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে।


প্রতি বছরই অর্থ পাচার বাড়ছে মন্তব্য করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দেশ থেকে প্রতি বছর যে টাকা পাচার হয়, প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনগুলো তার আংশিক চিত্র। তার মতে, যারা অর্থ পাচার করছে তারা আর্থিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিকভাবে অনেক প্রভাবশালী। তাই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।


তিনি আরও বলেন, দুঃখজনক বিষয় হলো পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে বর্তমানে আন্তর্জাতিক আইন-কানুন অনেক আধুনিক। এরপর কেন বাংলাদেশ এই সুবিধা নিয়ে টাকা ফিরিয়ে আনতে পারছে না, তা বুঝে আসছে না। তবে সঠিক পন্থা অবলম্বন না করায় সরকার অর্থ পাচার ঠেকাতে পারছে না। একইভাবে সঠিক পন্থায় পাচার হওয়া অর্থ ফেরতও আনতে পারছে বলে তিনি মনে করেন।


দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কৌঁসুলি খুরশিদ আলম বলেন, কাগজে কলমে ব্যাংকিং খাত এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নজরদারি আছে। কিন্তু সেই নজরদারি যথেষ্টভাবে সক্ষমতার সঙ্গে কাজ করছে না। টাকা পাচারের মাধ্যমে পুরো দেশকে আর্থিকভাবে অচল করে দেওয়া হচ্ছে, পঙ্গু করে দেওয়া হচ্ছে। যারা টাকা পাচার করছে তাদের কয়েকজনকে যদি উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হয় তাহলে পরবর্তীতে সবাই টাকা পাচার করতে ভয় পাবে।



আরও খবর




আন্তর্জাতিক জব পোর্টাল—রিকুইটো

সেনবাগে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘মেধা উৎসব ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

বাকেরগঞ্জে সুমন হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

চন্দনাইশ হাছানদন্ডীতে গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু

পালানো সরকারের ফিরে আসার নজির নেই ; শেরপুরে মন্ত্রী মিল্লাত

১৪ মাস পর উদ্ধার নিখোঁজ শিশু, যুবকের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ

রাণীনগরে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

বোয়ালখালীতে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের উপজেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

রাঙ্গাবালীতে ৪৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

হালুয়াঘাটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের বাইসাইকেল, নারীদের সেলাই মেশিন ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

বায়তুল নূর জামে মসজিদের উন্নয়নে ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

কুমিল্লায় জাগুর ঝুলিতে আজিমুশশান নূরানী মাহফিল অনুষ্ঠিত

রাজবাড়ীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

অপরাধ করলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হবে না- সাতক্ষীরায় আইনমন্ত্রী

বোদায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬

মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদে রসুলপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

গাইবান্ধায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ও তার ভাই আটক

জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগে পঞ্চগড়ে আনন্দ, চলছে মিষ্টি বিতরণ

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে ‘অসকস’ সভাপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও চারটি দাবি উপস্থাপন

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছে সালেহ মোঃ আদনান

রংপুরের তারাগঞ্জে বড় বোনের বাসা থেকে ছোট বোনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিলেন নওগাঁ ম্যাটসের শিক্ষার্থীরা

সোনারগাঁয়ে ৩১ নং লাধুরচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আশরাফুল হাসান পলাশ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে তেলিজানা আলিম মাদ্রাসায় আলোচনা,রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

শেৱপুরে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগ কর্মী সেলিম গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেন্ডার বাণিজ্য নিয়ে তুলকালাম কান্ড, অভিযোগ-বদলি নিয়ে চলছে তদবির

সর্বগামী তেতুলিয়া নদীর গ্রাস থেকে মুক্তি চায় গ্রামবাসী

রংপুরের তারাগঞ্জে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে এমপি সাকিলা ফারজানা

ময়মনসিংহে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের বিভাগীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত


এই সম্পর্কিত আরও খবর

ফ্লাওয়ার মিল মালিকদের সংগঠন পেল বাণিজ্য সংগঠনের লাইসেন্স

জাতিসংঘে অনুমোদিত হবে এলডিসির সময় বৃদ্ধি : বাণিজ্যমন্ত্রী

‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’

গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন মীম শরৎ গ্রুপের এমডি মোহাম্মদ সোহাগ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে হবে: আলহাজ মো. সোহাগ

রাষ্ট্রীয় সম্পদে নতুন প্রাণ, বন্ধ পাটকলে ১,০৫০ কোটি টাকার বিনিয়োগ

শিগগিরই মার্জিন ইস্যু রুলসসহ ৩ বিধিমালায় পরিবর্তন : বিএসইসি চেয়ারম্যান

প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নে আরও শক্তিশালী হবে বিএসটিআই: শিল্পমন্ত্রী

সামনের কঠিন পথ সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ সচেতন : বিএসইসি চেয়ারম্যান

জিডিপি-কর্মসংস্থানে বড় অবদান, তবুও নীতি সহায়তার অভাবে ধুঁকছে হালকা প্রকৌশল শিল্প