
। শরণখোলা(বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ সুন্দরবনে নিষিদ্ধ সময়েও জেলেদের মাছ ধরা থামছেই না। দুই দিনের ব্যবধানে বনরক্ষীদের অভিযানে শুক্রবার সন্ধ্যায় শেলারচর বনাঞ্চলে আরও একটি শুঁটকি মাছা (রিংঘর) ধ্বংস করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে শুঁটকি চিংড়ি, একটি জেলে নৌকা ও মাছ ধরার জাল। বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব সুন্দরবন বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা শুক্রবার (৩১ জুলাই) নিয়মিত টহলকালে শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর টহল ফাঁড়ির আওতাধীন কালামিয়া ও নারিকেলবাড়িয়া খালসংলগ্ন দুর্গম বনাঞ্চলে তল্লাশি চালিয়ে বনের মধ্যে অবৈধভাবে নির্মিত শুঁটকি তৈরির মাছা (রিংঘর) দেখতে পান। বনরক্ষীরা মাছাটি থেকে দুই বস্তা শুঁটকি চিংড়ি জব্দ করেন। এছাড়া একটি জেলে নৌকা, দুটি টানা জাল এবং একটি মোবাইল ফোনসহ আনুষঙ্গিক মালামাল জব্দ করা হয়। বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে শুঁটকি প্রস্তুতকারীরা বনের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে বনরক্ষীরা শুঁটকি মাছাটি ভেঙে ধ্বংস করেন। অন্যদিকে, শুক্রবার বিকেলে সুন্দরবনের কোকিলমনি টহল ফাঁড়ির কবরখালী খাল থেকে মাছ ধরারত চারটি জেলে নৌকাসহ ১৫টি চর জাল জব্দ করেন বনরক্ষীরা। বনরক্ষীদের দেখে নৌকায় থাকা জেলেরা বনের মধ্যে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পূর্ব সুন্দরবন বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সুন্দরবনে তিন মাসের জন্য মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলছে। এক শ্রেণির অসাধু জেলে বনরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে শেলারচরের দুর্গম বনাঞ্চলে অবৈধভাবে শুঁটকি তৈরির মাছা নির্মাণ করে চিংড়ি শুঁটকি করছিল। বনরক্ষীদের অভিযানে মাছাটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অপরাধীদের ধরতে সুন্দরবনে টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।




























