
ফুটপাতে হকার বসানোর অধিকার সিটি করপোরেশনের নেই। নগর পরিকল্পনাবিদেরা বলছেন, পুনর্বাসনের নামে হকার বসিয়ে ফুটপাত ও রাস্তা দখল বন্ধ করতে হবে। সিটি করপোরেশনের দাবি, এক্ষেত্রে মানবিক দিক বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে দোকান বসালে নেয়া হবে ব্যবস্থা।
ফুটপাত দখলমুক্ত করতে রাজধানীতে অভিযান চালায় দুই সিটি করপোরেশন। কিন্তু সপ্তাহ না ঘুরতেই বসে পড়ে হকাররা।
রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরের চিত্র এমন। ত্রিপল টাঙিয়ে বসানো হয়েছে দোকান। ফুটপাত দখল করে চলছে বেচাকেনা। গুলিস্তানের একটি সড়কে হকার বসার জায়গা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
দুই সিটি করপোরেশনই দিচ্ছে হকার কার্ড। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি খোদ নগর কর্তৃপক্ষই দখলদারদের বৈধতা দিচ্ছে?
অধ্যাপক ও নগর পরিকল্পনাবিদআদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ফুটপাত হকারদের বুঝিয়ে দেওয়ার অধিকার সিটি করপোরেশনের নেই। যেভাবে তারা করছে, এতে আধুনিক নগর পরিকল্পনা নেই। হকারদের বৈধতা দেওয়ার একটা আয়োজন হচ্ছে।
প্রশাসকদের দাবি, আইনি জটিলতা না দেখে মানবিক দিক বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরবে।
ডিএসসিসির প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, আমরা যাদের যেখানে নির্ধারণ করে দিয়েছি, সেখানেই বসতে হবে। অন্য কোথাও বসার সুযোগ নেই। যদি বসে তাহলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।
ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, আমরা নানা ব্যবস্থা নিচ্ছি। জোর করে অবৈধভাবে বসতে চাইলে সেটা হবে না।
সিটি করপোরেশনের এই পদক্ষেপে ঢাকায় হকারের সংখ্যা আরও বাড়ার শঙ্কা নগরবিদের।







































