
মোতালেব হোসেন(কুমিল্লা) বিএনপি জনগণকে যে ওয়াদা দেয়, সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে সেই ওয়াদা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণের দাবি ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়েই সরকার কাজ করছে এবং পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে।শনিবার দুপুরে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর খেলার মাঠে আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে খাল খনন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-খতিবদের সম্মানীর যেসব ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, সরকার গঠনের পর সেগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।জনসভায় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ‘কুমিল্লা বিভাগ চাই’ স্লোগানের প্রেক্ষিতে তারেক রহমান বলেন, “এই দাবিটি যদি জনগণের দাবি হয়ে থাকে, ইনশাআল্লাহ সেটির বাস্তবায়ন হবে।” প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যে জনসভাস্থলে উপস্থিত মানুষের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়।এরই সাথে কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবির বিষয়েও ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। সবকিছু অনুকূলে থাকলে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।এসময় তিনি উল্লেখ করেন, কুমিল্লাসহ আশপাশের জেলাগুলো কৃষিনির্ভর এলাকা হওয়ায় এখানে কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার প্রসার প্রয়োজন।তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরের স্বৈরশাসনে দেশের গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও মানুষের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মানুষ সেই দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়েছে। এখন সময় দেশ পুনর্গঠনের। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পকারখানা গড়ে তোলা, কৃষি ও শিক্ষাখাতের উন্নয়ন এবং নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগের কথা ও তুলে ধরেন তিনি।সরকার গঠনের পর কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, “সরকার গঠনের প্রথম ১০ দিনের মধ্যেই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এতে দেশের প্রায় ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হয়েছেন।”জনগণই দেশের মালিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের সমর্থন নিয়েই বিএনপি সরকার গঠন করেছে। জনগণ পাশে থাকলে আমরা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পারব।





































