
সঞ্জয় চৌধুুরী,সীতাকুণ্ডঃআজ ২০ আগষ্ট '২৪ এই দিনে বিএনপির সাবেক যূগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী স্বৈরাচারী হাসিনার বন্দিশালায় ৮বছর ৩ মাস ৫দিন পর মুক্ত হয়ে নতুন স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্ত বাতাসে ফেরত আসেন। আজ এই দিনটাকে সীতাকুণ্ডসহ সমগ্র চট্টলার মানুষ স্মরণ করে অকৃত্রিম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। আসলাম চৌধুরীকে তাদের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিক হিসেবে গত ১২ ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে বিজয়ী করলেও ষড়যন্ত্রকারী ও গুপ্তবাহিনীর গুপ্ত ষড়যন্ত্রে শপথ নিতে পারেননি আইনী জটিলতায়। তারপর থেকে নেয় এলাকার উন্নয়ন অগ্রযাত্রা। ২য় কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে সীতাকুণ্ড বিএনপি আয়োজিত সমাবেশ জনসমুদ্রে রূপ নেয় সীতাকুণ্ড পৌরসভাস্থ এলকে সিদ্দিকী স্কয়ার। সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডাঃ কমল কদর এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মোঃ মোরসালিনের সঞ্চালনায় বিকাল ৩ টা থেকে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা সভাস্থলে উপস্থিত হয়। প্রধান অতিথি বিএনপির সাবেক যূগ্মমহাসচিব ও চট্টগ্রাম ৪ সংসদীয় আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ আসলাম চৌধুরী। তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, আমি আপনাদের মত একজন জিয়া পরিবারের সদস্য। মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলন ২০১০/১৪ সালের বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সীতাকুণ্ডের রাজপথে যে অভূতপূর্ব ও দুর্বার আন্দোলন গড়ে উঠেছিল—যা সমগ্র বাংলাদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল—তার আসল কৃতিত্ব আমার নয়, বরং সীতাকুণ্ডের আপামর জনগণের। চরম প্রতিকূলতা ও দমন-পীড়নের মধ্যেও সীতাকুণ্ডের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে এসে যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তা দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে। জনগণের এই ঐক্য ও ত্যাগই আন্দোলনের মূল শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। আমাদের আন্দোলন কিন্তু এখনো শেষ হয়নি কারণ স্বৈরাচারীরা ভিন্ন কৌশলে গুপ্ত নামক একটি দলের আশ্রয় প্রশ্রয়ে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে জিয়া পরিবার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে। সুতরাং যতদিন এই রাষ্ট্র ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হবে ততদিন আমরা তথা এই সীতাকুণ্ডের মানুষ আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন,সদস্য সচিব সালেহ আহমদ সলু,সাবেক সভাপতি ইউসুফ নিজামী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দিদারুল ইসলাম মাহমুদ,আহ্বায়ক কমিটির যূগ্ম আহ্বায়ক জহুরুল আলম জহুর,সালামত উল্লাহ,ফজলুল করিম চৌধুরী,আকবরশাহ থানা বিএনপির সদস্য সচিব মাঈনুদ্দিন চৌধুরী মইনু,উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক রফিক উদ্দিন চৌধুরী,সদস্য সচিব মোঃ সেলিম উদ্দিন,উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক রেহান উদ্দিন প্রধান,সদস্য সচিব মাহবুবুল আলম,সখিনা বেগম, বিেনপি নেতা মুক্তিযোদ্ধা আবুল মনছুর,মোহরম আলী,মোজাহের উদ্দিন আশরাফ,বদিউল আলম বদরুল,এ্যাডঃ রওশন আরা,নাজমুন নাহার নেলী,নুরুল আনোয়ার,নুরুদ্দিন মোঃ জাহাঙ্গীর,মাওলানা ইসমাঈল হোসেন,আনোয়ারুল আজিম মুকুল,নুরুল আজিম সবুজ,এনামুল বারী,আইনুল কামাল,খ ম নাজিম উদ্দিন,আবুল কালাম আজাদ,মোস্তাফিজুর রহমান,আলাউদ্দিন মাসুম,সাহাবুদ্দিন,নাজিমুদৌলা,জাহিদুল হাসান,আওরঙ্গজেব মোস্তফা,সেলিম কমিশনার,চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক যূগ্ম সম্পাদক ফেরদৌস আলম,উত্তর জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আওরঙ্গজেব মোস্তফা,লোকমান হোসেন,ইব্রাহিম,জুয়েল,অমলেন্দ কনক, জিয়া উদ্দিন,উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব কোরবান আলী সাহেদ,পৌরসভা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন,সদস্য সচিব কামরুল ইসলাম বাবলু প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।আলোচনা সভা শেষে একটি র্যালি এলকে সিদ্দিকী স্কয়ার থেকে সীতাকুণ্ড উত্তর বাজারে গিয়ে শেষ হয়।





























