
কোনো ধরনের হয়রানি, ভোগান্তি ও ঝামেলা ছাড়াই পাসপোর্টের বায়ো-এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট উত্তোলন করছেন সাতক্ষীরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের আবেদনকারীরা। এখানে দিনে প্রায় ২০০-২৫০ এর বেশি আবেদন জমা হয়। তার মধ্যে এক চতুর্থাংশ আসে তথ্য সংশোধনের। আবার কিছু আবেদন পূর্বের তথ্য গোপন করে জমা দেয়া হয়।
সরেজমিনে গত মঙ্গলবার সাতক্ষীরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে দেখা গেছে, অফিসটিতে রয়েছে পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের আলাদা-আলাদা ছবি তোলার কক্ষ। সবাই শৃঙ্খলভাবে একজন আরেকজনের পেছনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে সেবা নিচ্ছেন। আবার এখানে রয়েছে বসার স্থান, বিশুদ্ধ পানির সুব্যবস্থা ও বিশ্রামাগার। কথা হয় সদর থানা থেকে নিজের পাসপোর্ট নিতে আসা এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে। পাসপোর্ট জমা দিতে কোনো ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি নিজেই আবেদন ফরম পূরণ করে সবকিছুই জমা দিয়েছি। আমার তেমন কোনো ঝামেলা পোহাতে হয়নি। এমনকি ওখানে দায়িত্বে যারা ছিলেন তারা খুবই আন্তরিক। তাদের কাছ থেকে সব সহযোগিতা পেয়েছি।
পাসপোর্টের সেবার মান সম্পর্কে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, আমি এখানে যোগদান করার পর থেকে পাসপোর্ট করতে আসা আবেদনকারীদের সমস্যা শুনে তার সমাধান দেয়ার চেষ্টা করছি। আর যেসব আবেদনে বড় ধরনের সমস্যা রয়েছে সেগুলোর ব্যাপারে প্রধান কার্যালয়ে কথা বলে সমাধান করার পথ খুঁজে বের করছি। কারণ, এখানে যেহেতু আমি দায়িত্বে রয়েছি, আবেদনকারীরা আমার কাছে তাদের সমস্যা নিয়ে আসবে এটাই স্বাভাবিক।
তিনি বলেন পাসপোর্ট পাওয়া কিন্তু বাংলাদেশের বৈধ নাগরিকের অধিকার। আবেদনকারীর আবেদনের সঙ্গে তার শর্তাবলি পূরণ করলে সে নি:সন্দেহে পাসপোর্ট ঝামেলা ছাড়াই পেয়ে যাচ্ছেন। এদিকে পাসপোর্ট করতে আসা আবেদনকারীদের এখানে দালালের দৌরাত্ম্য ও কোনো ধরনের হয়রানি আছে কিনা জানতে চাইলে সচেতন নাগরিক সমাজের সদস্য ঝাউডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক জনাব মোঃ আমিনুল হাসান বলেন, দালালের দৃশ্যমান কোন অস্তিত্ব না থাকলেও এবং দালালের সঙ্গে অফিসের কোন কর্মকর্তা/কর্মচারীর যোগসাজস না থাকলেও অফিসের কর্মচারীদের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে অথবা ফরম পূরনের নামে আর্থিক সুবিধা নেয়। এ ব্যাপারে অফিসের কর্মকর্তাদের কঠোর নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।





























