
২০২৬ বিশ্বকাপের মঞ্চে রেকর্ড ষষ্ঠ শিরোপার লক্ষ্য নিয়ে নামছে ব্রাজিল। তবে এবার তাদের ঘিরে আগের মতো ‘সবচেয়ে বড় ফেবারিট’ তকমা নেই। অনেক বিশ্লেষক ও বেটিং প্রতিষ্ঠান স্পেন, ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ডকে এগিয়ে রাখছে। কিন্তু বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন না ব্রাজিল অধিনায়ক কাসেমিরো। বরং তার বিশ্বাস, ফেবারিটদের কাতারে না থাকাটা দলকে আরও সতর্ক, মনোযোগী ও ক্ষুধার্ত রাখবে।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপ। সেই আসরের আগে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে ফিফার মিডিয়া চ্যানেলে কথা বলেন কাসেমিরো। তিনি জানান, ব্রাজিলকে হয়তো এবার প্রধান ফেবারিট বলা যাবে না, কিন্তু দলটি যথেষ্ট শক্তিশালী এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য প্রস্তুত।
৩৪ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের মতে, ‘সআমরা বড় ফেভারিট নই। তবে আমরা ভালো অবস্থায় আছি; আমাদের দল শক্তিশালী, যেখানে অভিজ্ঞ এবং তরুণ প্রতিভার মিশ্রণ রয়েছে। হয়তো এবার আমরা এক ধাপ পিছিয়ে আছি, কিন্তু এটিই আমাদেরকে সতর্ক রাখবে এবং এটা সবসময়ই একটা ভালো ব্যাপার। আমরা ভালো অবস্থায় সেখানে যেতে চাই এবং একটি দুর্দান্ত বিশ্বকাপ খেলতে চাই।’
বিশ্বকাপের প্রস্তুতির পথ অবশ্য খুব একটা মসৃণ ছিল না ব্রাজিলের জন্য। গত এক বছরে দলটি কোচ পরিবর্তন, প্রশাসনিক রদবদল এবং নানা অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গেছে। নতুন কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন কার্লো আনচেলত্তি, পাশাপাশি বদলেছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের নেতৃত্বও।
কাসেমিরো স্বীকার করেছেন, এসব পরিবর্তনের কারণে দলের প্রস্তুতিতে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তার ভাষায়, আনচেলত্তির অভিজ্ঞতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই, তবে জাতীয় দলের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাজ করার সুযোগ তিনি পাননি। হিসাব অনুযায়ী, কার্যকর অনুশীলন ও ক্যাম্প মিলিয়ে কোচের অধীনে দল প্রায় ৪০ দিনের মতো সময় একসঙ্গে কাজ করেছে।
তবু আশাবাদী ব্রাজিল অধিনায়ক। তার মতে, দলে মানসম্পন্ন খেলোয়াড়ের অভাব নেই। অভিজ্ঞ ও তরুণ ফুটবলারদের ভারসাম্যপূর্ণ সমন্বয় বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি হতে পারে।
২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল খেলবে গ্রুপ ‘সি’-তে। গ্রুপ পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ড। ফেবারিটের তকমা থাকুক বা না থাকুক, বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে সফল দলটি উত্তর আমেরিকার মাটিতে ষষ্ঠ শিরোপার স্বপ্ন নিয়েই মাঠে নামবে।







































