
আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, বোদা (পঞ্চগড়): ফেসবুকে পরিচয়, প্রেম, শারীরিক সম্পর্ক—এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে খালাতো বোনকে বিয়ের প্রস্তুতি নেওয়ায় প্রতারণার শিকার হয়ে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার এক কিশোরের বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন এক নারী। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ঝলইশালশিড়ি ইউনিয়নের শালশিড়ি গ্রামে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল থেকে তিনি ছেলের বাড়িতে অনশন করেন। অনশনকারী সাবিনা আক্তার (২৪) আরাজি শিকারপুর চিড়াকুটি গ্রামের ইসমাইল হোসেনের মেয়ে। তিনি এর আগে দুটি বিয়ে করেছিলেন এবং একটি ৪ বছরের কন্যা সন্তানের জননী। অভিযুক্ত সাকিল (১৯) শালশিড়ি গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে। সাবিনা আক্তারের অভিযোগ, প্রায় এক বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্ক গাঢ় হয় এবং একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে জড়ান তারা-ছেলের নিজ বাড়ি, বন্ধুর বাড়ি ও পাশ্ববর্তী বাগানে। সাকিল জানতেন সাবিনার বিয়ে হয়েছে এবং সন্তান রয়েছে; তবুও তিনি বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তার দ্বিতীয় স্বামীকে ডিভোর্স দিতে প্ররোচিত করেন। কিন্তু সম্প্রতি সাবিনা আক্তার জানতে পারেন, সাকিল তার খালাতো বোনকে বিয়ে করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। খবর পেয়ে তিনি বিয়ের দাবীতে অনশনে আসেন। সাবিনা আক্তার আরো অভিযোগ করে বলেন, “সে যদি আমাকে বিয়েই না করবে তাহলে আমার স্বামীকে ডিভোর্স কেন দেওয়াইলো ? কেনো আমার জীবনটা নষ্ট করলো ? আমার ৪ বছরের বাচ্চা আছে, সে সব জানত। তিনি আরও বলেন, অনেকে বলছে সাকিল নাবালক কিন্তু সে নাবালক নয়। সে ২০২২ সালে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলো। আমি সাকিলের বাড়িতে আসার পর তার মা আমাকে মাগরিবের পরে মারধর করে বের করে দিয়েছে। পরে সাকিলের খালা পাশ্ববর্তী একটি দোকানে তাকে নিয়ে যান এবং সেখানেই তিনি অবস্থান করছেন। এবিষয়ে সাকিলের এক প্রতিবেশি ভাই বলেন, সাকিল এখনো নাবালক। তার এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার এক বছর হলো। আর এই মহিলার এর আগে ৩ টা বিয়ে হয়েছে। ছেলের বা ছেলের পরিবারকে ফাঁদে ফেলার একটা অপকৌশল হিসেবে দেখছেন তিনি৷ এবিষয়ে জানতে সাকিলের মুঠোফোনে একাধিকার কল করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।





























