শিরোনাম
শাজাহানপুর থানা পরিদর্শনে আইজিপি, বৃক্ষরোপন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আখাউড়ার দরুইন গ্রামে ট্রেনে কটা পড়ে যুবকের মৃত‍্যু কবি তীর্থ দৌলতপুরে উৎসাহ উদ্দীপনায় ১২৭ তম নজরুল জন্মবার্ষিকী উদযাপিত পত্নীতলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির অভিযোগ লাকসামে ষষ্ঠ শ্রেণির তিন শিক্ষার্থীকে ইভটিজিংয়ের দায়ে অটোচালকের ১ মাসের সাজা সম্পত্তির দ্বন্দ্বে মা ও শিশুপুত্রকে হত্যা,কঙ্কাল উদ্ধার,গ্রেপ্তার ৩ ইসলামী ব্যাংকে ‘হস্তক্ষেপ ও ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগে মানববন্ধন ; এমডি ওমর ফারুক খানের পুনর্বহালের দাবি ইসলামী ব্যাংকের ওপর সরকারের হস্তক্ষেপ ও পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার দাবীতে পিরোজপুরে মানববন্ধন বিপুল পরিমান বিদেশি মদ,ইয়াবাসহ ০৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় গ্রাহকদের মানববন্ধন, কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি
সোমবার ২৫ মে ২০২৬
সোমবার ২৫ মে ২০২৬

দিন দিন বাড়ছে শিক্ষা ব্যয়

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার ব্যয় দিন দিন বাড়ছে। ২০২২ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর পেছনে পরিবারের বার্ষিক গড় ব্যয় ছিল ১৩ হাজার ৮৮২ টাকা। মাধ্যমিকে ছিল ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা। ২০২৩ সালে এসে বেড়েছে সেই ব্যয়। পরিসংখ্যান বলছে, ওই বছরের প্রথম ছয় মাসেই আগের বছরের তুলনায় প্রাথমিকে ২৫ শতাংশ এবং মাধ্যমিকে ৫১ শতাংশ বেড়েছে। এই ছয় মাসে একটি পরিবারে ব্যয় হয়েছে প্রাথমিক পর্যায়ে ৮ হাজার ৬৪৭ টাকা আর মাধ্যমিকে ২০ হাজার ৭১২ টাকা। এই বাড়তি ব্যয়ের বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কোচিং-প্রাইভেট এবং নোট গাইডকে। 



এ চিত্র উঠে এসেছে এডুকেশন ওয়াচ-২০২৩-এর জরিপে। গতকাল শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে শিক্ষাকেন্দ্রিক কার্যক্রম ও গবেষণায় যুক্ত বেসরকারি সংস্থাগুলোর মোর্চা গণসাক্ষরতা অভিযান এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ‘বাংলাদেশে বিদ্যালয় শিক্ষা : মহামারি-উত্তর টেকসই পুনরুত্থান’ শীর্ষক এই গবেষণায় সারা দেশের ৮ বিভাগের ১৬টি জেলার মধ্য থেকে ২৬টি উপজেলা ও ৫টি সিটি করপোরেশন এলাকা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণার জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা মিলিয়ে মোট ৭ হাজার ২২৫ জনের কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হয়েছে।


বেড়েছে শিক্ষা ব্যয়


পঞ্চম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচের ভিত্তিতে করা এ জরিপে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর জন্য বার্ষিক পারিবারিক গড় ব্যয় ছিল ১৩ হাজার ৮৮২ টাকা। মফস্বল এলাকায় প্রাথমিক শিক্ষার্থী প্রতি বার্ষিক পারিবারিক ব্যয় ছিল ১০ হাজার ৬৩৭ টাকা। আর শহরাঞ্চলে ছিল ১৮ হাজার ১৩২ টাকা। কিন্তু পরের বছর ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসেই প্রাথমিক পর্যায়ে এই খরচ বেড়েছে ২৫ শতাংশ। ছয় মাসে ব্যয় হয়েছে ৮ হাজার ৬৪৭ টাকা।


২০২২ সালে মাধ্যমিক স্তরের একজন শিক্ষার্থীর জন্য পরিবারের বার্ষিক ব্যয় ছিল ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা। মফস্বলে ছিল ২২ হাজার ৯০৯ এবং শহরাঞ্চলে ৩৫ হাজার ৬৬২ টাকা। কিন্তু গত বছরের প্রথম ছয় মাসে এই খরচ বেড়েছে ৫১ শতাংশ। ছয় মাসেই ব্যয় হয়েছে ২০ হাজার ৭১২ টাকা। 


কোচিং-প্রাইভেট, নোট গাইড ব্যবহার বেড়েছে


গবেষণার তথ্য বলছে, প্রাথমিক পর্যায়ে ৫৬ দশমিক ৫ শতাংশ ও মাধ্যমিকে ৫২ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী করোনা মহামারির পরে তাদের নতুন শ্রেণির পাঠ-অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে। কিন্তু বাকি প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থীরই পাঠ বুঝতে অসুবিধা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে যেভাবে তাদের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক পাঠই তারা বুঝতে পারেনি। ফলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের তিন-চতুর্থাংশের বেশি শিক্ষার্থী টিউটরের সহায়তা নিয়েছে বা কোচিং সেন্টারে গেছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উভয়ের কাছ থেকে একই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। শ্রেণিকক্ষে যথাযথ পাঠদান না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা গাইড বইয়ের ওপর অধিক নির্ভরশীল ছিল। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় এই নির্ভরতার হার ছিল যথাক্রমে ৯২ ও ৯৩ শতাংশ।


ব্লেন্ডেড লার্নিং নিয়ে চ্যালেঞ্জে শিক্ষকরাও 


ব্লেন্ডেড লার্নিং বা প্রযুক্তিগত শিক্ষা (অনলাইন ও সশরীরে) দিতে খোদ শিক্ষকরাও নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন বলে উঠে এসেছে এই জরিপে। এজন্য প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সম্পদের সীমাবদ্ধতাকে দায়ী করছেন তারা। শিক্ষকদের দুই-তৃতীয়াংশই জানিয়েছে, ব্লেন্ডেড লানিং অ্যাপ্রোচ সম্পর্কে তাদের স্পষ্ট ধারণা নেই। এজন্য প্রশিক্ষণকে জোরদার করতে বলেছেন তারা।


জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের তিন-চতুর্থাংশ প্রাথমিক ও ৮৭ শতাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একটি বা দুটি মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রয়েছে। কিন্তু ইন্টারনেটের বাজেটের বরাদ্দে অপ্রতুলতা, অনলাইন সংযোগ, শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু ব্যবহার এবং ডিজিটাল শিক্ষার উদ্যোগের অন্তরায় হয়ে উঠেছে বলে মনে করেন তারা। ইন্টারনেট সংযোগের বাজেটের ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষকদের দুই-তৃতীয়াংশ এবং মাধ্যমিক শিক্ষকদের ৪৩ শতাংশ জানিয়েছে, বাজেট বরাদ্দ অপর্যাপ্ত। 


ঝরে পড়া ও মাদ্রাসায় স্থানান্তরের প্রবণতা বেড়েছে 


করোনার সময় শিক্ষার্থীদের একটি অংশ বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে পুনরায় খোলার পর আর ফিরে আসেনি। ২০২৩ সালে এসে দেখা গেছে, ২০২০ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণি পড়ত এমন শিক্ষার্থীদের ৪ দশমিক ৫ শতাংশ এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে লেখাপড়া করত এমন শিক্ষার্থীদের ৬ শতাংশ ঝরে পড়েছে। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে বর্তমানে প্রাথমিক স্কুল বয়সি শিশুদের ৪১ শতাংশ এবং মাধ্যমিক স্তরের ৪৯ শতাংশ বিভিন্ন কাজ বা শিশুশ্রমে নিয়োজিত আছে।


ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তারা বিদ্যালয়ে ফিরতে আগ্রহী কি না? জবাবে প্রাথমিক স্তরের ৫৭ শতাংশ এবং মাধ্যমিক স্তরের ৭৯ শতাংশ শিক্ষার্থী বলেছে, তারা আর বিদ্যালয়ে ফিরতে আগ্রহী নয়। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীরা বর্তমানে কী করে, সেটিও জানার চেষ্টা করা হয়েছে এই গবেষণায়। তাতে প্রাথমিক স্কুল বয়সি শিশুদের ৪১ শতাংশ এবং মাধ্যমিক স্তরের ৪৯ শতাংশ বলেছে তারা কাজ বা শিশুশ্রমে নিয়োজিত।


প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ঝরে পড়া মেয়েশিশুদের অর্ধেকের বেশি বাল্যবিবাহের শিকার হয়েছে। একটি ছোট্ট অংশ বলেছে, তারা গৃহস্থালির কাজে নিয়োজিত এবং অন্যরা বলেছে তারা কিছুই করছে না।


করোনা মহামারির কারণে বিদ্যালয় স্থানান্তরের বিষয়টিও গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ২০২০ সালে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদ্রাসায় স্থানান্তরের একটি প্রবণতা দেখা গেছে। মাধ্যমিক স্তরের তুলনায় প্রাথমিক স্তরে এ প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি (৬ দশমিক ৪ শতাংশ) ছিল। এর কারণ হিসেবে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ অভিভাবক ধর্মীয় কারণকে প্রধান বিবেচ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এক-পঞ্চমাংশ বলেছে মাদ্রাসা বাড়ির কাছে হওয়ায় এবং মহামারি চলাকালে তা খোলা থাকায় এবং মূলধারার স্কুলগুলো তখন বন্ধ থাকায় তারা সন্তানের প্রতিষ্ঠান বদল করেছে।


করোনা-পরবর্তী সময়ে বেড়েছে মোবাইল আসক্তি


প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিকের ৪১ দশমিক ১ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী করোনার পর মোবাইল ব্যবহার করছে। এদের মাত্র ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ পড়াশোনার কাজে ব্যবহার করছে, বাকি ৭৬ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ অন্য কাজে মোবাইল ব্যবহার করছে। একইভাবে মাধ্যমিকে শিক্ষার বাইরে মোবাইল ব্যবহার করছে ৫৩ দশমিক ৮ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী।


যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা


গতকাল এই প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এডুকেশন ওয়াচের চেয়ারপারসন ও জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ প্রণয়ন কমিটির কো-চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমদের সভাপতিত্বে ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এডুকেশন ওয়াচের মুখ্য গবেষক ড. মনজুর আহমদ, গবেষণার পর্যালোচক আহমদ মোশতাক রাজা চৌধুরী, গবেষক দলের সদস্য সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন, মো. আহসান হাবিব, ড. মোস্তাফিজুর রহমান।


মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ খরচের বড় অংশই চলে যায় টিউশনি বা কোচিং সেন্টারে। এছাড়া বাকি খরচ হয় গাইড বইসহ সহায়ক বিভিন্ন সামগ্রী, যাতায়াত, খাবার, শিক্ষা উপকরণ (বই, খাতা, কলম), স্কুলের বিভিন্ন ফি এবং এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজে।


রাশেদা কে চৌধুরী বলেছেন, গবেষণা প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের সংশ্লিষ্টদের কাছে তুলে দেবেন। গবেষণাকালে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরাও যুক্ত ছিলেন এবং তাদের মতামতও নেওয়া হয়েছে।


মুখ্য গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. মনজুর আহমদ বলেন, ২০২২ সালের পর ৪ দশমিক ৫ শতাংশ প্রাথমিকে এবং ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী মাধ্যমিকে নেই। সরকারের যে ঝরে পড়ার হিসাব- এটা অনেকাংশে তার অতিরিক্ত। সে আশঙ্কার কারণ দ্বিতীয় শ্রেণিতে এত বেশি ঝরে পড়ার কথা না। 


খরচের বিষয়ে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ নানা কারণে খরচ বেড়েছে। প্রাথমিকে ২৫ শতাংশ এবং মাধ্যমিক ৫১ শতাংশ খরচ বেড়েছে। খরচ বেশি হচ্ছে কোচিং, টিউশনি ও গাইড বইয়ে। নতুন শিক্ষাক্রমের হিসাব এখনও আসেনি। এর প্রভাব ব্যয়ের ওপর কিছুটা পড়লেও দেখানোর মতো অবস্থা এখনও হয়নি বলে তিনি জানান।


এডুকেশন ওয়াচের চেয়ারপারসন ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, ‘প্রযুক্তি ভালো। কিন্তু এর ব্যবহার ভালোভাবে করতে হবে। প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার না হওয়ায় অনেক ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষা শিখন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।’



আরও খবর




ধাপেরহাটে ভেজাল হলুদ কারখানায় অভিযান, ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

উলিপুরে ভিজিএফ চাল জব্দ: যুবদল নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

ভাতের মাড়ে’ দিন কাটানো পরিবারে মানবিক সহায়তা, পাশে প্রতিমন্ত্রী পুতুল

নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুই বছর পরে মা-ছেলের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

ট্যুরিজম লিডারশীপ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন মনপুরার ছেলে শাখাওয়াত হোসেন

পূবাইল থানা এলাকায় ৯ বছরের এক শিশুকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ

শাজাহানপুর থানা পরিদর্শনে আইজিপি, বৃক্ষরোপন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আখাউড়ার দরুইন গ্রামে ট্রেনে কটা পড়ে যুবকের মৃত‍্যু

কবি তীর্থ দৌলতপুরে উৎসাহ উদ্দীপনায় ১২৭ তম নজরুল জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

পত্নীতলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির অভিযোগ

লাকসামে ষষ্ঠ শ্রেণির তিন শিক্ষার্থীকে ইভটিজিংয়ের দায়ে অটোচালকের ১ মাসের সাজা

সম্পত্তির দ্বন্দ্বে মা ও শিশুপুত্রকে হত্যা,কঙ্কাল উদ্ধার,গ্রেপ্তার ৩

ধাপেরহাটে ভেজাল হলুদ কারখানায় অভিযান, ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

উলিপুরে ভিজিএফ চাল জব্দ: যুবদল নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

উপকূল উন্নয়ন বোর্ড গঠন ও বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন

অতীতের অন্ধকার পেরিয়ে আলোয় ফিরতে চান উত্তরধানঘড়ার প্রাক্তন সেনাসদস্য মিজানুর

গবেষণা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল ডুয়েটের নতুন ভিসি

আসাদ মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদে মনোনয়ন

উত্তর ধানঘড়ায় মাদকবিরোধী আন্দোলন ও সুস্থ সমাজ গঠন কেন্দ্রের উদ্যোগে স্মারকলিপি প্রদান

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে ঢাকা বিভাগীয় তথ্য অফিসের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

ডুয়েট ছাত্রদল নেতার সিজিপিএ ৪.০০ অর্জন, ক্যাম্পাসজুড়ে প্রশংসা

দেবীগঞ্জের সন্তান রাসেল ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: ৫ মাদকসেবী গ্রেফতার

ফুলপুরে ট্রান্সফরমার চোর গ্রেফতার

গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ

শরণখোলায় প্রাইভেট একাডেমির শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাস্তায় বসে ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ

ধর্ষণ মামলায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স গ্রেপ্তার

যুব সমাজের উদ্যোগে রঘুনাথপুর (গিরিংগির) মোড়ে মাদকবিরোধী মানববন্ধন

ফুলপুরে যুবলীগ নেতা প্রিন্স গ্রেফতার

মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়তে বল্লমঝাড়ে চেয়ারম্যান জুলফিকার রহমানের কঠোর অবস্থান


এই সম্পর্কিত আরও খবর

সারভাইভার’স ভয়েস সামিট অনুষ্ঠিত

মেঘনা ভাঙনে হুমকিতে উপকূল,জরুরি কাজের আশ্বাস পানিসম্পদ মন্ত্রীর

ঈদের তৃতীয় দিন দেউলিয়াবাড়ীতে "এইম এন্ড ড্রিম ফাউন্ডেশন" এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আগামী বাজেটে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড বৃদ্ধি করা হবে--- চাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিএনপি জনগণকে যে ওয়াদা দেয়, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে....প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ ২২ বছর পর চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১০ জেলায় শুরু হচ্ছে “জাতীয় নিমগাছ রোপণ কর্মসূচি-২০২৬

ছয় দশকের অপেক্ষা শেষে অনুমোদন পেল 'পদ্মা ব্যারাজ' প্রকল্প

ডিএনসিসির ২০২২ সালে নেয়া প্রকল্প শেষ হয়নি আজও

পাউরুটিতে মিলল ক্যানসারের উপাদান, ঘি তৈরি হচ্ছে পামওয়েল ও সুগন্ধি দিয়ে