
শফিকুল স্টাফ রিপোর্টারঃ ময়মনসিংহের নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা পরিষদের সদর দপ্তর উস্থি ইউনিয়নের নয়াবাড়ি মৌজায় স্থাপনের বিষয়ে উচ্চ আদালত পূর্বাদেশ বহাল রেখেছেন। এর ফলে নতুন এই উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও অবকাঠামো নির্মাণে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এ সংক্রান্ত একটি রিট পিটিশন খারিজ (ডিসচার্জ) করে সংক্ষিপ্ত রায় প্রদান করেন। এর আগে পাগলা থানা এলাকায় উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপনের দাবি জানিয়ে আদালতে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছিল একটি পক্ষ।আদালতের রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী বলেন, "সরকারের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ 'নিকার' (নিকার)-এর সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার সদর দপ্তরের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে আইনি কোনো গাইডলাইনের ব্যত্যয় ঘটেনি। আদালত সংক্ষিপ্ত জাজমেন্ট দিয়ে মোশনটি ডিসচার্জ করে দিয়েছেন, যার ফলে উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো আইনি জটিলতা থাকল না।"এদিকে আদালতের এই রায়ের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার আটটি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দেয়। রায়কে স্বাগত জানিয়ে সোমবার বিকেলে উস্থি ইউনিয়নের কান্দিপাড়া বাজারে হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে একটি বিশাল আনন্দ মিছিল বের হয়। মিছিলটি কান্দিপাড়া বাজার প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদের জন্য নির্ধারিত স্থান নয়াবাড়ি মৌজায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।সমাবেশে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেন, মো. এমদাদুল, আমির উদ্দিন, শামছুল আলম ফারুক, আব্দুর রউফসহ উপজেলা পরিষদ বাস্তবায়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ। বক্তারা ন্যায়বিচারের জন্য উচ্চ আদালতকে ধন্যবাদ জানান এবং এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যকে কৃতজ্ঞতা জানান।এ বিষয়ে স্থানীয় জাতীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, "কান্দিপাড়া সংলগ্ন উস্থি ইউনিয়নের ১৪৩ নং জে.এলভুক্ত নয়াবাড়ি মৌজায় উপজেলা পরিষদ কার্যালয় নির্মাণ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোদমে চালুর ক্ষেত্রে এখন আর কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা নেই। দ্রুতই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"



























