
উপজেলায় যোগদানের তিন মাসের মধ্যেই ঘুষ-হয়রানির অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস জেলা রেজিস্ট্রারেরমোঃ ইয়াছিন সরকার মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধিকুমিল্লার মুরাদনগরে সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা। অভিযোগ তদন্ত করে তাকে প্রত্যাহারসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে মুরাদনগর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা ভুক্তভোগী, দলিল লেখকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, মেহেদী হাসান মুরাদনগরে সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগদানের পর থেকে দলিল নিবন্ধনসহ বিভিন্ন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। জমির শ্রেণি পরিবর্তন, কাগজপত্রের মাধ্যমে জমি রেজিস্ট্রি এবং জমি হস্তান্তরসহ বিভিন্ন কাজে নির্দিষ্ট অঙ্কের ঘুষ দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।ভুক্তভোগীদের দাবি, চাহিদামতো টাকা দিতে না চাইলে ফাইল আটকে রাখা কিংবা বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। যোগদানের মাত্র তিন মাসের মধ্যেই অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ আদায়ের অভিযোগও করেন তারা।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এতগুলো অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানকে মুরাদনগর থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।দাবি আদায় না হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন আন্দোলনকারীরা।এ বিষয়ে কুমিল্লার জেলা রেজিস্ট্রার খালিদ মোহাম্মদ বিন আসাদ বলেন, “পত্রিকার নিউজ পড়ে অভিযোগগুলো জেনেছি। আজ তদন্তে এসে ভুক্তভোগীদের মুখেও একই ধরনের অভিযোগ শুনেছি। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।”অভিযোগের বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানের বক্তব্য জানতে তার কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তিনি আজ অফিসে উপস্থিত ছিলেন না।




























