শিরোনাম
পত্নীতলায় ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার পত্নীতলায় নজিপুর বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষের চারা বিতরণ নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থা নির্বাচনে ৫৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী রায়হান মজুমদার খারাপ ফলাফলের জন্য এমপিও বন্ধের সুপারিশ করব: পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, মোঃ ফরিদ মিয়ার দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে অষ্টগ্রামে মানববন্ধন কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রাইভেট ক্লিনিক মালিকদের মতবিনিময় সভা মুরাদনগরে বিশেষ শিশুদের ‘প্রতিভা’ স্কুলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত,অনুদান ঘোষণা ধর্মমন্ত্রীর ঘুষ-বাণিজ্য থেকে কালিগঞ্জের নায়েব আশরাফুজ্জামানের সম্পদের পাহাড় অতীতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা হয়েছে,এখন জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করতে চাইছে একটি দল: মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ লালমোহনে সরকারি টেকনিক্যাল কলেজসহ দুই প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি
মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর ২০২৬

ফার’র মারপ্যাঁচে আবাসন খাত

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

নিয়মিত অগ্নিদুর্ঘটনা নিয়ে উদ্বিগ্ন নগরবাসী। ভূমিকম্প আতঙ্কও কম নয়। চলতি বছর তাপপ্রবাহও ভাবিয়েছে নগরায়ণ নিয়ে। ঢাকায় ভবন তৈরিতে নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানা হয় না ইমারত বিধিমালা। যে কারণে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে কঠিন হয় সামাল দেওয়া।


• ২০ ফুট রাস্তা থাকলে ৫ কাঠায় ৪ তলা বাড়ি

• জমি সংকটে চাপ বাড়বে কৃষিজমিতে

• ছিটকে পড়বেন আবাসন ব্যবসায়ীরা

• ফার ১ বা দশমিক ৫ শতাংশ বাড়ানোর দাবি


এসব বিষয় মাথায় রেখেই ইমারত নির্মাণ বিধিমালার খসড়ায় আনা হয়েছে বেশকিছু পরিবর্তন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে ফ্লোর এরিয়া রেশিও (ফার) পুনর্বিন্যাসে। ফারের মাধ্যমে ভবনের উচ্চতা, ফ্ল্যাটের আয়তন, কতগুলো ফ্ল্যাট হবে সেটা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে নতুন বিধিমালায়। এতে বিল্ডিংয়ের উচ্চতা কমবে এবং ভবন পরিবেশবান্ধব হবে বলছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।


তবে আবাসন ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইমারত বিধিমালা ২০২৪ এর খসড়া পাস হলে ফারের কারণে মুখ থুবড়ে পড়বে আবাসন ব্যবসা। সরকার হারাবে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব। আবাসনশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ নাগরিক, জমির মালিকও পড়বেন ক্ষতির মুখে। জমির সংকট দেখা দেবে, চাপ বাড়বে কৃষিজমির ওপর। ব্যাহত হবে পরিবেশ।



খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা পাস হলেই দুই থেকে তিন বছর সময় পাবেন উদ্যোক্তারা। এরপর অর্থাৎ আগামী দুই বছর পরে বর্তমানে যেসব ফ্ল্যাট প্রতি স্কয়ার ফুট সাত হাজার টাকায় কেনা যাচ্ছে, সেটা ১০ হাজার টাকায় কিনতে হবে। আর রড-সিমেন্টের দাম বাড়লে ১০ হাজারের সঙ্গে আরও বর্ধিত দাম যোগ হবে। অর্থাৎ উচ্চবিত্তদের জন্যই হবে ফ্ল্যাট, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে। পাশাপাশি সিংহভাগ ডেভেলপার কোম্পানি টিকতে পারবে না।



বলা হয়েছে— কোনো এলাকার ফার আড়াই (২.৫) এবং সেখানে প্লটের ফার যদি তিন নির্ধারণ করা হয়, তবে রাজউক প্রণীত বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) মতে সর্বনিম্ন ফার কাউন্ট করতে হবে। তার মানে এখানে কাউন্ট হবে আড়াই। এতে রাস্তা বড় হওয়া সত্ত্বেও কমে আসবে বিল্ডিংয়ের উচ্চতা। প্লট সংলগ্ন রাস্তার ফারকে বেসিক ধরলে বিল্ডিংটা আরও একটু বড় হবে। আবার ফ্ল্যাটের আয়তনও বাড়বে।


এখানে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে সবকিছু। যেমন কোন জমিতে কতটি ইউনিট, ফ্ল্যাট কতটা হবে সেটা ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। এখানে আয়তনও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এ খসড়া পাস হলে এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। পাঁচটার জায়গায় ১০টি ফ্ল্যাট করা যাবে না। পাঁচ কাঠায় ছোট ছোট ইউনিট করে চারটা ফ্ল্যাট করার সুযোগ থাকবে না।



২০ ফুট রাস্তার ফার দুই হলে করা যাবে চারতলা বাড়ি। আর ২০ ফুটের নিচে হলে ফার আরও কমে দেড় বা পৌনে দুই হবে, সেক্ষেত্রে তিন থেকে সাড়ে তিনতলা বাড়ি করা যাবে। এতে জমি দিতে আগ্রহী হবেন না মালিক। কারণ ডেভেলপার কোম্পানিগুলো সাধারণত যেসব জমি নেয় সেখানে দুই থেকে তিনতলা বিল্ডিং ভেঙে ডেভেলপ করে। এখানে জমি ডেভেলপ হলেও বাড়ি তিনতলাই হচ্ছে।



আগের নিয়মে ১৬ ফুট রাস্তায় জমির মালিক রাস্তা ৪ ফুট ছেড়ে দিলে একটু ফার বাড়িয়ে দেওয়া হতো। দাম ছাড়াই রাস্তা ছেড়ে দিলে সরকার একটু ফার দিতো। এতে রাস্তা প্রশস্ত হতো। খসড়ামতে, ১৬ ফুট রাস্তার ফার দেড় (১.৫)। এখানে রাস্তা ১৬ ফুট আছে, তবে জমির মালিক উভয় পাশে ৪ ফুট ছেড়ে দিলে ২০ হয়। এখানে ফার দুই হয়। অর্থাৎ, এখানে চারতলা বাড়ি করার সুযোগ আছে। জমির দুদিকে ছেড়ে (ইফেক্টিভ সেটব্যাক) দিয়ে আগের নিয়ম অনুযায়ী ফার বাড়ানোর কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা।



ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমরা চাই প্লট সংলগ্ন রাস্তার ফারকে বেসিক ফার ধরা হোক। এতে বিল্ডিংয়ের উচ্চতা বাড়বে। ফ্ল্যাটের সংখ্যা নির্দিষ্ট, আয়তন নির্দিষ্ট, উচ্চতা নির্দিষ্ট করে দিচ্ছে এটাও চাই না। এমনটা করা মানে হাত-পা বেঁধে পানিতে ছেড়ে দেওয়া। ফার এক বাড়ানো হোক। ড্যাপ যা করছে, বিধিমালায় কিছু পরিবর্তন হোক। সব শ্রেণির ক্ষেত্রে রাস্তার ফার এক বাড়ানো হোক, কমপক্ষে দশমিক ৫ বাড়ানো হোক। এটা হলেও তা ২০০৮ এর বিধিমালার চেয়েও অনেক কম হবে। তবুও কিছুটা স্বস্তি আসবে। হয়তো ব্যবসা টিকে থাকবে।



আবাসন ব্যবসায়ী এবং ব্রিক ওয়ার্কস লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, নতুন বিধিমালা অনুযায়ী ভবনের উচ্চতা ও আয়তন কমবে। ফলে ফ্ল্যাটের সংখ্যা কমবে। ব্যবসায়ীরা আবাসন খাতে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হবেন। ক্ষতিগ্রস্ত হবেন জমির মালিকও। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ উলম্বভাবে ভবন তৈরির দিকে, আমরা হাঁটছি উল্টো পথে। আমাদের জমির সংকট আগামীতে আরও মারাত্মক হবে। কৃষিজমির ওপর চাপ বাড়বে, মধ্যবিত্তকে ফ্ল্যাটের আশা ছেড়ে দিতে হবে।


এ বিষয়ে মগবাজার এলাকার বাসিন্দা রিপন বলেন, ‘ঋণ নিয়ে আমাদের একটা প্লট নিজেরাই ডেভেলপ করেছি। একটা ব্যবসাও করছি। আরও কিছুটা সময় লাগবে ঋণ পরিশোধ করতে। এখন যে বিধিমালা করা হচ্ছে এতে অন্য জমিটি নষ্ট হবে। আমার জমির চারপাশে ১০-১৩ তলা বিল্ডিং হয়েছে। দুই বছর পর আমাদের তাহলে চারতলা বিল্ডিং করতে হবে?’



ঢাকা ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-২০২৪ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব সভাপতি এবং জাপান গার্ডেন সিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, কোনো ধরনের মতামত ছাড়াই ইমারত নির্মাণ বিধিমালার খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। বিধিমালা চূড়ান্ত না করার জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং রাজউককে অনুরোধ জানাই। খসড়া ইমারত নির্মাণ বিধিমালায় যেভাবে নতুন আইন তৈরি করা হচ্ছে তাতে সাধারণ নাগরিক, ভূমি মালিক ও ভবন মালিকের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আবাসনশিল্প।


গত ২১ এপ্রিল কার্বন নিঃসরণহীন, টেকসই ও পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।




হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্স ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই) পরিচালনা পর্ষদের সভায় তিনি জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অপরিহার্য যে সব আইন, তা বঙ্গবন্ধু স্বল্পতম সময়ের মধ্যে প্রণয়ন করেছিলেন। দেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় তিনি জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন।


হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ সেন্টারও তিনিই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরিবেশ সুরক্ষা ও কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে বর্তমান বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু কার্বন নিঃসরণহীন, টেকসই ও পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী উদ্ভাবনে গবেষণার জন্য এ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন।


এ বিষয়ে কথা হলে রাজউকের নগর পরিকল্পনাবিদ ও ডিটেইল এরিয়া প্ল্যানের (ড্যাপ) প্রকল্প পরিচালক মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, এর আগে ২০০৮ সালের বিধিমালা যেটা হয়েছিল সেটা বিজ্ঞানসম্মত ছিল না। এখন নগরে সবুজ নেই, রাস্তা নেই। নতুন যে বিধিমালা করা হয়েছে সেটা শুধু বাস্তবসম্মতই নয় বিজ্ঞানসম্মতও।



তিনি বলেন, ফার কম-বেশির কারণে ব্যবসায়ী-ভূমির মালিক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এটা একটা প্রোপাগান্ডা। কারণ বিল্ডিং কম হলে তো খরচও কম হবে, এতে বাড়তি খরচ বা লোকসানের কিছু নেই। আবার মেট্রো এলাকায় যেখানে ফার বেশি সেখানে অন্য সুবিধাও বেশি এবং বড় বিল্ডিং তৈরির সুযোগ আছে। এছাড়া সরকার সবার জন্য জনকল্যাণমূলক বাসযোগ্য শহর করতে চায়। আর সেটা গুরুত্ব দিয়েই খসড়া নীতিমালা করা হয়েছে।


আরও খবর




পত্নীতলায় ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার

পত্নীতলায় নজিপুর বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষের চারা বিতরণ

রাসেল হত্যা মামলায় শামীম ওসমানসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থা নির্বাচনে ৫৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী রায়হান মজুমদার

বোয়ালখালীতে ট্রেনের সঙ্গে প্রাইভেট কারের সংঘর্ষ, আহত চালক

খারাপ ফলাফলের জন্য এমপিও বন্ধের সুপারিশ করব: পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, মোঃ ফরিদ মিয়ার দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে অষ্টগ্রামে মানববন্ধন

কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রাইভেট ক্লিনিক মালিকদের মতবিনিময় সভা

মুরাদনগরে বিশেষ শিশুদের ‘প্রতিভা’ স্কুলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত,অনুদান ঘোষণা ধর্মমন্ত্রীর

সমবায় থেকে সমৃদ্ধির পথে, তাহিরপুরে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ

ঘুষ-বাণিজ্য থেকে কালিগঞ্জের নায়েব আশরাফুজ্জামানের সম্পদের পাহাড়

টাঙ্গাইলে ব্র্যাকের আর্থিক সহায়তায় ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন বিদেশফেরত নারীরা

অতীতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা হয়েছে,এখন জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করতে চাইছে একটি দল: মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

কিশোরগঞ্জে মৃত্তিকা প্রতিবন্ধী শিশু পাঠশালা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের সভাপতি নির্বাচিত সাংবাদিক নাসরুল আনোয়ার

নন্দীগ্রামে ফুটবল নিয়ে মাঠে নামল যুবদল, মাদকবিরোধী টুর্নামেন্ট

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

তিন দশকের পথচলার অবসান: খবরের কাগজ হাতে আর দেখা যাবে না নিতাইকে

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বাউফলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ, সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা

রাজশাহীতে পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন


এই সম্পর্কিত আরও খবর

পুষ্টি নিরাপত্তায় খাদ্য ফোর্টিফিকেশন জোরদারের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামী আমিনী গ্রেপ্তার

শিশুদের মালিকানাবোধেই লুকিয়ে আছে জলবায়ু সংকটের সমাধান

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

কপ৩১-এর প্রস্তুতি: জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে সংসদে তরুণদের সম্মেলন

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

তেলের দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্টে ফেলা যাবে না: পীর সাহেব চরমোনাই

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা