শিরোনাম
কুতুব শাহী মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়, নেই প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা চন্দনাইশে দিনদুপুরে প্রধান শিক্ষকের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল লুট কুমিল্লার শ্রেষ্ঠ পিআইও লাকসামের আহমদ উল্লাহ সবুজ ২৮শে অক্টোবর ২০০৬ বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে নাঙ্গলকোটে জামায়াতের আলোচনা সভা,দোয়া ও বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে চোরাই সিএনজি সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার লগী বৈঠা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে লাকসামে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত রায়গঞ্জে ২৮ অক্টোবরের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কানুনগোর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগের প্রতিবাদে আকবর হোসনের সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে সড়ক দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মৃত্যু
বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২৬

খাদ্যমূল্যের ঊর্ধ্বমূল্যে দিশেহারা মানুষ

আলোকিত বাণিজ্য ডেস্ক
প্রকাশিত:রবিবার ২২ ডিসেম্বর ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ ডিসেম্বর ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

দেশে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমূল্যে দিশেহারা সাধারণ মানুষ। ক্রমাগত বেড়েই চলেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার। গত নভেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার এ যাবৎকালে সর্বোচ্চ পর্যায়ে অর্থাৎ ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশে উঠেছে। আর শহরে এ হার উঠেছে ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশে। কিন্তু দেশের মানুষের মজুরি বাড়ার হার একেবারেই কম। ওই হার বেড়ে মাত্র ৮ দশমিক ১০ শতাংশে উঠেছে। ফলে বর্তমানে মজুরির চেয়ে মূল্যস্ফীতির হার বেশি বেড়েছে। শুধু নভেম্বরেই মূল্যস্ফীতি বেড়েছে দশমিক ৫১ শতাংশ। এর বিপরীতে মজুরি বেড়েছে দশমিক ০৩ শতাংশ। ফলে সাধারণ মানুষের জীবিকা নির্বাহের ক্ষেত্রে ঘাটতিও বাড়ছে। নভেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা অক্টোবরে ছিল ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে ওই হার ছিল ৯ দশমিক ৯২ আর আগস্টে ছিল ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ। জুলাইয়ে ছিলো ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, গত নভেম্বর মাসে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর অক্টোবরে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ। তাছাড়া খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহের ভর মৌসুমেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের চেয়ে খাদ্যপণ্যের দাম বেশি বাড়ছে। ফলে খাদ্যবহির্ভূত খাতের চেয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হারও বেড়েছে বেশি। পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে গত বছরের নভেম্বরের তুলনায় গত নভেম্বরে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। যদিও শহরের চেয়ে গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার বেশি থাকে। তবে এবার শহরের চেয়ে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। সূত্র জানায়, বাজারে খাদ্যদ্রব্যের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও বাজার ব্যবস্থাপনা ত্রুটির কারণে দাম কমছে না। আর সরকারও বাজার ব্যবস্থাপনার ত্রুটির সমাধান করতে পারছে না। ফলে লাগামহীনভাবে বেড়েই চলেছে পণ্যের দাম। আর পণ্যের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতির হারও বাড়ছে। বৈশ্বিক মন্দার পর থেকে ২০২২ সালের আগস্ট থেকে মূল্যস্ফীতির হার ৯ শতাংশ অতিক্রম করেছে। এখনো তা ৯ শতাংশের ওপরে রয়েছে। তবে গত জুলাইয়ে ডবল ডিজিটে ওঠেছিলো। আগস্টে তা কমে ডাবল ডিজিটের সামান্য নিচে নামলেও এখন আবার দুই মাস ধরে ডাবল ডিজিটের ওপরে রয়েছে। মূঔু বৈশ্বিকভাবে ২০২২ সালের শুরু থেকে মূল্যস্ফীতির হার বাড়তে থাকে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়ে। মূল্যস্ফীতির হার কমাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশ ঋণের সুদের হার বাড়াতে থাকে। তবে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও মানুষের ভোগের রাশ টেনে ধরার  পদক্ষেপের ফলে বৈশ্বিকভাবে মূল্যস্ফীতির হার কমায় অনেক দেশেই ওই হার কমেছে। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতির হার। সূত্র আরো জানায়, দেশের বাজারব্যবস্থায় কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ নেই। সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, সেগুলো খুব একটা কার্যকর হয়নি। শুধু ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর কয়েকজন পুলিশ নিয়ে বাজারে গেলেই বাজার মনিটরিং করা হয় না। বরং নিত্যপণের মূল্যের শৃঙ্খলা ঠিক করা জরুরি। উৎপাদন পর্যায় থেকে ভোক্তা মাঝে অনেক ধাপ আছে। সরকারকে সমস্যা কোথায় খুঁজে দেখতে হবে। কারা কারসাজি করছে তা বের করতে হবে। তাছাড়া অন্য যা-ই করা হোক না কেন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে না। বাজার স্থিতিশীল করতে সঠিক ও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার বিকল্প নেই। গত জুলাইয়ে দেশে মূল্যস্ফীতির হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল। এরপর আগস্ট-সেপ্টেম্বরে তা কিছুটা কমে আসে। কিন্তু অক্টোবর থেকে আবার বাড়তে থাকে। ওই ধারায় নভেম্বরেও বেড়েছে। নভেম্বরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ, যা অক্টোবরে ছিল ১২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে নভেম্বরে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশে, যা অক্টোবরে ছিল ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ। অথছ মানুষ জীবনধারণে খাদ্য খাতে মোট ব্যয়ের ৫৮ শতাংশই খরচ করে। বাকি ৪২ শতাংশ খাদ্যবহির্ভূত খাতে খরচ করে। সাম্প্রতিক সময়ে মানুষের খরচ যেভাবে বেড়েছে, সেভাবে আয় বাড়েনি। ফলে মানুষের জীবনযাত্রায় নাভিশ্বাস উঠেছে। এদিকে গ্রামে খাদ্যপণ্যের সবই উৎপাদন হয়। কিন্তু গ্রামেই খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার বেশি। অর্থাৎ যেখানে খাদ্যের উৎপাদন বেশি, সেখানেও দাম বেশি। এ উলটো চিত্রেই বোঝা যাচ্ছে বাজার ব্যবস্থাপনা ঠিক নেই। যে কারণে উৎপাদনস্থলে দাম বেশি পড়ছে। তবে গ্রামের মানুষ খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ভোগ কম করে। যে কারণে গ্রামে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমেছে। আগে গ্রামেও এ খাতে মূল্যস্ফীতির হার বেশি ছিল। ফলে এখন পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে গ্রামের মানুষের খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ভোগের সক্ষমতা কমেছে। আর শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩৭ শতাংশে, যা অক্টোবরে ছিল ১০ দশমিক ৪৪। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশে, যা অক্টোবরে ছিল ১২ দশমিক ৫৩। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩১ শতাংশে, যা অক্টোবরে ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৬। শহরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত সব খাতেই মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। কিন্তু গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার বাড়া অস্বাভাবিক। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর সম্প্রতি একাধিক অনুষ্ঠানে বলেছেন, মূল্যস্ফীতির হার এখন বেশি হলেও তা ধীরে ধীরে কমে যাবে। আগামী জুনের মধ্যে এ হার ৭ শতাংশের মধ্যে নেমে আসবে। আগে মূল্যস্ফীতির তথ্য গোপন করা হতো। এখন প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে। এজন্য এ হার বাড়ছে। খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার বিষয়ে সম্প্রতি অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন, সাম্প্রতিক সময়ে তিন দফা বন্যার কারণে খাদ্যের উৎপাদন কমেছে। এ কারণে দাম কিছুটা বেড়েছে। এগুলো ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।


আরও খবর




রাজারহাটে জরাজীর্ণ ঘরে নিভৃতে বাস করা ৭৮ বছরের বৃদ্ধা ফুলো রানী দেবের পাশে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন

মুরাদনগরে সাংবাদিক শহিদুল হকের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা

রাণীনগরে গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ

রাঙ্গাবালীতে জেলেদের মাঝে সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয় প্রদৃপ্ত প্রকল্পের আওতায়

রিকশা নষ্ট হওয়ায় কলেজে যাওয়া বন্ধ, প্রতিবন্ধী আবু সাঈদের পাশে ইউএনও

মুরাদনগরে চোরাই সিএনজিসহ আন্তজেলা চোর চক্রের তিন সদস্য আটক

ঘাটাইলে জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা

ঘুষ কেলেঙ্কারিতে বোদা ভূমি অফিস: ৩ কর্মচারীর ঘুষ লেনদেনের ভিডিও ভাইরাল

ভৈরবে পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

গাজীপুর মধ্যরাত্রে প্রেস ক্লাবের নির্বাচন স্থগিত: সাংবাদিকদের তীব্র ক্ষোভ

ফুলপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কুতুব শাহী মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়, নেই প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা

চন্দনাইশে দিনদুপুরে প্রধান শিক্ষকের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল লুট

উলিপুরে টিআইয়ের উপস্থিতি নিয়ে ধোঁয়াশা: দুই কর্মকর্তার দুই রকম বক্তব্য

কুমিল্লার শ্রেষ্ঠ পিআইও লাকসামের আহমদ উল্লাহ সবুজ

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

সুমাইয়া বিরিয়ানি খেয়ে অসুস্থ আইইটি স্কুলের শিক্ষকরা

‘বাবা নির্দোষ, প্রভাবশালীর আক্রোশের শিকার’ জিসান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কালু ড্রাইভারের পরিবারের দাবি

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ


এই সম্পর্কিত আরও খবর

ফ্লাওয়ার মিল মালিকদের সংগঠন পেল বাণিজ্য সংগঠনের লাইসেন্স

জাতিসংঘে অনুমোদিত হবে এলডিসির সময় বৃদ্ধি : বাণিজ্যমন্ত্রী

‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’

গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন মীম শরৎ গ্রুপের এমডি মোহাম্মদ সোহাগ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে হবে: আলহাজ মো. সোহাগ

রাষ্ট্রীয় সম্পদে নতুন প্রাণ, বন্ধ পাটকলে ১,০৫০ কোটি টাকার বিনিয়োগ

শিগগিরই মার্জিন ইস্যু রুলসসহ ৩ বিধিমালায় পরিবর্তন : বিএসইসি চেয়ারম্যান

প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নে আরও শক্তিশালী হবে বিএসটিআই: শিল্পমন্ত্রী

সামনের কঠিন পথ সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ সচেতন : বিএসইসি চেয়ারম্যান

জিডিপি-কর্মসংস্থানে বড় অবদান, তবুও নীতি সহায়তার অভাবে ধুঁকছে হালকা প্রকৌশল শিল্প