শিরোনাম
বাঙ্গরা উপজেলা বেসরকারি এতিমখানা কল্যাণ পরিষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও ধর্মমন্ত্রীর জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হলি ৮৬ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘বৃক্ষরোপণ,ফলজ গাছের চারা বিতরণ লেবানন বাংলাদেশ অর্গানাইজেশন এর উদ্যোগে টিউবওয়েল বৃক্ষ বিতরণ ও দোয়া মাহফিল পোরশার সড়কে অপরাধ ও মাদক প্রতিরোধে কমিউনিটি পুলিশিং সভা ও পুলিশ বক্স উদ্বোধন সমাজ ও সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আলাউদ্দিন আদরকে সম্মাননা শহীদ লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষায় কুমিল্লা জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান লালমোহনে বাস চাপায় শিশু নিহত ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষকের পাশে লালমোহন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি জামালগঞ্জে এসিল্যান্ড"র বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা সস্তা জনপ্রিয়তার নামে রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট,উপজেলা প্রকৌশলীর ক্ষোভ
রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬
রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬

কিডনি চিকিৎসার সামর্থ্য নেই ৯০ শতাংশ রোগীর

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৪ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

তিন বছর ধরে ক্রনিক কিডনি ডিজিজে (সিকেডি) ভুগছেন গাজীপুরের বাসিন্দা জামাল হোসেন (ছদ্মনাম)। যখন কিডনি রোগ শনাক্ত হয় ততদিনে তার দুটো কিডনিই প্রায় বিকল হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকরা প্রতি সপ্তাহে দুইবার করে ডায়ালাইসিসে পরামর্শ দিয়েছেন তাকে। তবে আর্থিক সংস্থান না থাকায় মাসে এক বা দুটি ডায়ালাইসিসি নিচ্ছেন তিনি।


রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে (নিকডো) ডায়ালাইসিসি নেওয়া এই রোগী জানান, ঢাকায় আসা যাওয়া ইনজেকশন, নানাবিধ পরীক্ষা ও আনুসাঙ্গিক খরচ মিলে প্রতি সপ্তাহে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা খরচ হয়। গরিব হওয়ায় এতো টাকা দেওয়ার সামর্থ নেই তার। তিনি বলেন, ‘এতো টাকা কোথায় পাবো? জমি বিক্রি করে চিকিৎসা চালাতে চালাতে এখন আমার কিছু নেই। সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস করানোর কথা থাকলেও আমি নিচ্ছি মাসে।’



দেশে প্রতিবছর পাঁচ হাজার মানুষের কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩৬৫ জনের। যা প্রয়োজনের মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। দেশে কিডনি দাতার সংকট রয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ক আইনি জটিলতাও রয়েছে। এছাড়া বছরে আমাদের দেশে যে পরিমাণ অঙ্গ প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে আমাদের দক্ষ লোকবল তৈরি করতে হবে। এ খাতে সরকারের কোনো বরাদ্দও নেই। ফলে রোগীরা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।



তারই মতো আরেক রোগী জাকির হোসেনের অবস্থাও একই। তারও দুটি কিডনি নষ্ট। কিডনি রোগ শনাক্তের পর থেকেই নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে হচ্ছে তাকে। আর্থিক সমস্যার কথা জানিয়ে জাকির হোসেন বলেন, প্রথম দিকে নিজের জমানো টাকা খরচ করে চিকিৎসা নিয়েছি। এরপর জমি, বাড়ি বিক্রি করে চিকিৎসা করিয়েছি, ডায়ালাইসিস চালিয়েছি। চার বছর ধরে এভাবে চলতে চলতে নিঃস্ব হয়ে গেছি। সন্তানদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে। এখন কেউ যদি দয়া করে কিছু টাকা দেয় তাহলে ডায়ালাসিসি চলে নয়তো বন্ধ থাকে।


একাধিক রোগীর স্বজনের তথ্যমতে, সরকারি হাসপাতালে ডায়ালাইসিস করাতে আসা-যাওয়া ও আনুসাঙ্গিক খরচ মিলে প্রতিবার দুই থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ হয়। অন্যদিকে বেসরকারি হাসপাতালে  ডায়লাইসিসে নুন্যতম ৭ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা লাগে। একজন রোগীর সপ্তাহে দুইবার ডায়লাইসিস করতে হয়। আবার কারও তিনবার করতে হয়। সেক্ষেত্রে খরচ আরও বেড়ে যায়। এছাড়াও কিডনি রোগীর ডায়ালাইসিস চলাকালে যেকোনো মুহূর্তে আইসিইউ বা অক্সিজেন নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। সেটারও বড় ধরনের খরচ রয়েছে। ফলে রোগীরা দীর্ঘমেয়াদে ডায়ালাইসিসও করাতে পারছেন না, মাঝপথেই থেমে যাচ্ছে অনেকের চিকিৎসা। অনেকে ব্যয় মেটাতে নিঃস্ব হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ সহায়-সম্বল হারাচ্ছেন।



কিডনি চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে নানাবিধ কিডনি জটিলতায় ভোগা রোগীর সংখ্যা আনুমানিক ৩ কোটি ৮০ লাখ। যার মধ্যে কিডনি বিকল রোগীর সংখ্যা অন্তত ৪০ থেকে ৫০ হাজার। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ভেজাল খাদ্যগ্রহণ, ধূমপানসহ অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও ব্যথানাশক সেবনের কারণে দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা ক্রমে বেড়েই চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিডনি রোগের চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুল হওয়ায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে পারছেন না। এতে মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তার জন্য বয়ে আনছে নিদারুণ কষ্ট এবং অকাল মৃত্যু।



ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালের তথ্যমতে, হাসপাতালটিতে সিডিউল পাওয়া একজন রোগীর প্রতিবার ডায়ালাইসিসের জন্য খরচ নেওয়া হয় ৫৬৩ টাকা। আর সিডিউল ছাড়া প্রতিবার ডায়ালিসিসের জন্য খরচ হচ্ছে ৩ হাজার ৮০ টাকা। অর্থাৎ প্রতিমাসে দুটি হিসেবে সাধারণ রোগীদের ৮টি ডায়ালিসিসের খরচ হচ্ছে ২৪ হাজার ৬৪০ টাকা। বেসরকারি হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মান বিবেচনায় এ খরচ আরও বহুগুণ বেশি। এছাড়া যাতায়াত, হাসপাতালে অবস্থান, ওষুধ ও ডায়ালাইসিসি সংক্রান্ত আনুসঙ্গিক খরচ তো আছেই।


এমন অবস্থায় সচেতনতা বাড়ানোর বিষয়ে জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞদের। চিকিৎসকরা বলছেন, কিডনি মানব শরীরে অনেকটা ফিল্টারের মতো কাজ করে। এটি শরীরের দূষিত ও ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়। কিন্তু কিডনি যদি সে কাজ করার সক্ষমতা হারায় তখন তাকে ক্রনিক কিডনি ডিজিজ বলা হয়। এ অবস্থায় রোগীর জন্য দুটি পথ খোলা থাকে। একটি ডায়ালাইসিসি অথবা কিডনি প্রতিস্থাপন, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তবে প্রাথমিক অবস্থায় রোগটি ধরা পড়লে চিকিৎসা ও ওষুধের মাধ্যমে কিডনিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এতে খরচ ও ভোগান্তি উভয়ই কমে আসে।



এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিডনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক হারুন-উর-রশিদ বলেন, শুরুর দিকে কিডনি রোগের কোনো উপসর্গ থাকে না। শতকরা ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর উপসর্গ দেখা দেয়। আক্রান্তদের একটা বড় অংশ দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে ভোগে। কিন্তু ৫৫ শতাংশ মানুষ জানেই না তার ডায়াবেটিস রয়েছে। আর উচ্চ রক্তচাপে ভোগাদের  ৬০ শতাংশ রোগীও তা জানে না। কারণ তারা চিকিৎসকের কাছে যায় না। এতে রোগটি ক্রনিক রূপ নেয় এবং নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে হয়। কিডনি যদি অকেজো হয়ে যায় তাহলে কিডনি প্রতিস্থাপন ও ডায়ালাইসিস ছাড়া বাঁচার উপায় থাকে না। কিন্তু এই দুটি চিকিৎসা পদ্ধতি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ৯০ শতাংশ রোগীর সেই সামর্থ্য না থাকায় মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করে দেয়।



দেশে কিডনি রোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিস্থাপন বাড়াতে হবে বলে মনে করেন ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন অধ্যাপক ডা. মো. শওকত আলম।  তিনি বলেন, দেশে প্রতিবছর পাঁচ হাজার মানুষের কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩৬৫ জনের। যা প্রয়োজনের মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। দেশে কিডনি দাতার সংকট রয়েছে। একইসঙ্গে এ বিষয়ক আইনি জটিলতাও রয়েছে। এছাড়া বছরে আমাদের দেশে যে পরিমাণ অঙ্গ প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে আমাদের দক্ষ লোকবল তৈরি করতে হবে। এ খাতে সরকারের কোনো বরাদ্দও নেই। ফলে রোগীরা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।


দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের তথ্য তুলে ধরে শওকত আলম জানান, বাংলাদেশে প্রথম কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয় ১৯৮২ সালে। আর দ্বিতীয় প্রতিস্থাপনটি হয় ১৯৮৮ সালে। এর ধারাবাহিকতায় এ পর্যন্ত তিন হাজার ৬৫ কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। রোগীর সংখ্যা বিবেচনায় তা খুবই কম।


আরও খবর




বাঙ্গরা উপজেলা বেসরকারি এতিমখানা কল্যাণ পরিষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও ধর্মমন্ত্রীর জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত

হলি ৮৬ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘বৃক্ষরোপণ,ফলজ গাছের চারা বিতরণ

কাশিমপুরে কুরিয়ার ডেলিভারি এজেন্টকে কুপিয়ে ৫৬ হাজার টাকা ছিনতাই

লেবানন বাংলাদেশ অর্গানাইজেশন এর উদ্যোগে টিউবওয়েল বৃক্ষ বিতরণ ও দোয়া মাহফিল

ধর্মপাশায় মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

কাশিমপুরে সড়ক উন্নয়ন ও সবুজায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন শওকত হোসেন সরকার

গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন মীম শরৎ গ্রুপের এমডি মোহাম্মদ সোহাগ

সীতাকুণ্ডে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম উদ্বোধন

পোরশার সড়কে অপরাধ ও মাদক প্রতিরোধে কমিউনিটি পুলিশিং সভা ও পুলিশ বক্স উদ্বোধন

সমাজ ও সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আলাউদ্দিন আদরকে সম্মাননা

শহীদ লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষায় কুমিল্লা জোনের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান

লালমোহনে বাস চাপায় শিশু নিহত

ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষকের পাশে লালমোহন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি

জামালগঞ্জে এসিল্যান্ড"র বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা

সস্তা জনপ্রিয়তার নামে রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট,উপজেলা প্রকৌশলীর ক্ষোভ

চাঁদপুরে সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পোলশার বারিন্দা গ্রামে সরকারি রাস্তা ও খাস জমি দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আদালতে সাক্ষ্য ঠেকাতে প্রাণনাশের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় জিডি

ধর্মপাশায় সেলবরষ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার তুঙ্গে রায়হান আহমেদ বাদশা

নরসিংদীতে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মা-ছেলেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

চন্দনাইশ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ভিডিও ভাইরাল

চিরিরবন্দরে সাপের কামড়ে গৃহবধুর মৃত্যু

চাঁদপুরে যুব মহিলা লীগের সভাপতি ফরিদা ইলিয়াস গ্রেপ্তার

বৃত্তির ফল নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অভিযোগে আলোচনায় আহাদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল

ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়া সহ অসংখ্য অভিযোগ কবিরের বিরুদ্ধে

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল পরিদর্শন করে সন্তুষ্ট ইফার ফিল্ড অফিসার

আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার

মাটির মা ফাউন্ডেশনের ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সভাপতি মোজাম্মেল হক, সম্পাদক কাজী আলম ভূঁঞা

দয়ারামপুর (তালতলা, বিলপাড়া ও কাজিরদিয়ার) আদর্শ গ্রাম বিনির্মাণে ১১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকরী (আহবায়ক) কমিটি গঠন

বাজেট সংকটে কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশনের সংস্কার কাজ বন্ধ: মরণফাঁদে পরিণত প্ল্যাটফর্ম, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

সমাজ ও সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আলাউদ্দিন আদরকে সম্মাননা

শিক্ষায় মানোন্নয়নে একাধিক উদ্যোগের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

বিজিবির বাধায় দৌলতপুর সীমান্তে পুশ-ইন ব্যর্থ

স্পিডবোট চালক নির্যাতনের অভিযোগে নাম জড়ানো ভিত্তিহীন, নিরপেক্ষ তদন্ত চান যুবদল নেতা এম শহীদ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর পুনর্নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটির সভা

৫ আগস্ট খুলে দেয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিমন্ত্রী

উত্তোলনের তুলনায় মাটির নিচে পানি জমছে কম, খরাপ্রবণ এলাকায় বড় শঙ্কা

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী ফ্রান্স: রাষ্ট্রদূত

দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী