
মো. আল আমিন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিকিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ স্মৃতিসৌধের চারপাশে নির্মিত কাঁটাতারের বেড়ার বিভিন্ন অংশ বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। অনেক স্থানে কাঁটাতার ছিঁড়ে গেছে, একাধিক পিলার ভেঙে মাটিতে পড়ে রয়েছে। প্রবেশপথের বেড়া ও পিলার ভেঙে যাওয়ায় স্মৃতিসৌধের অংশ এবং পাশের সড়ক প্রায় একাকার হয়ে গেছে। এতে স্মৃতিসৌধের নিরাপত্তা, সৌন্দর্য ও সংরক্ষণ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।সরেজমিনে দেখা যায়, স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে রোপণ করা অনেক গাছের চারার সুরক্ষাব্যবস্থাও নেই। অনেক চারাগুলোর চারপাশে দেওয়া বেড়া উধাও হয়ে গেছে। এছাড়া স্মৃতিসৌধের বেড়া ঘেঁষেই গড়ে উঠেছে অস্থায়ী দোকানপাট, যা স্থাপনাটির সৌন্দর্য ও পরিবেশের সঙ্গে বেমানান বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বেড়ার বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত থাকলেও তা দৃশ্যমান সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। স্মৃতিসৌধের ভিত্তিফলকে উল্লেখ রয়েছে, কটিয়াদী উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মাঈদুল ইসলাম। ২০২৫ সালের ৫ অক্টোবর (২০ আশ্বিন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। প্রকল্পটি উপজেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিলের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হয় এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছিল ইসলাম ট্রেডার্স।উল্লেখ্য, স্মৃতিসৌধটি উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের একেবারেই নিকটবর্তী স্থানে অবস্থিত। এত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার চারপাশের অবকাঠামো দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত বেড়া ও পিলার সংস্কার, গাছের চারার সুরক্ষাব্যবস্থা পুনঃস্থাপন, অবৈধভাবে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানপাট অপসারণ এবং স্মৃতিসৌধের সার্বিক সৌন্দর্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।





























