
। মোতালেব হোসেন (কুমিল্লা)।। কুমিল্লার দেবিদ্বারে নিজ মাকে কুপিয়ে এবং আট মাস বয়সী ভাতিজিকে আছড়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ইমন (২৪) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর ভাবী রাবেয়া আক্তার। ঘটনার পর স্থানীয়রা ইমনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণপাড়া মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন ইমনের মা মোছা. পিয়ারা বেগম (৬৫) ও তাঁর আট মাস বয়সী ভাতিজি ইসরাত জাহান। গুরুতর আহত রাবেয়া আক্তারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে ইমন দা দিয়ে তাঁর মা পিয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এরপর আট মাস বয়সী ভাতিজি ইসরাত জাহানকে আছড়ে হত্যা করা হয়। এ সময় বাধা দিতে এগিয়ে এলে ভাবী রাবেয়া আক্তারকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।ঘটনার পর স্থানীয়রা ইমনকে আটক করে একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে হেফাজতে নেয়। আটক ইমন ওই বাড়ির মৃত ফরিদ মিয়ার ছেলে।ইমনের বড় ভাই মো. সুজন (৩৫) বলেন, ২০১৮ সালে পা ভাঙার পর থেকে ইমন বাড়িতে ছিলেন। তাঁর দুইবার অস্ত্রোপচার হয়েছে। এরপর থেকে তাঁর মধ্যে মানসিক সমস্যার লক্ষণ দেখা দেয়। সোমবার সকাল ৭টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে খবর পান, তাঁর মা ও ভাতিজিকে হত্যা এবং স্ত্রীকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে।দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ইমনকে আটক করেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তবে কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।




























