
মাসুম বিল্লাহ রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তিল্লা গ্রামে সবজি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মো. সোহাগ (৩০) আহত হয়েছেন। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাঁকে গলাচিপা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা হলেন মো. ফারুক প্যাদা (৫৫), তাঁর ছেলে মো. সোহাগ (৩০) ও মোছা. মাহিনুর বেগম (৪৫)। ফারুক প্যাদার অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে তাঁদের ঢেঁড়স গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। শনিবার সকালে বিষয়টি দেখতে গেলে বজলু মাতুব্বরের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। একপর্যায়ে বজলু মাতুব্বরের ছেলে যুবরাজ ও সুমন সেখানে এসে সোহাগকে ধাক্কা দিয়ে পানিতে ফেলে দেন। পরে লাঠি দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।সোহাগ বলেন, পানিতে পড়ে যাওয়ার পর উঠে আসার সময় যুবরাজ তাঁকে প্রথমে পেছনে ও পরে মাথায় আঘাত করেন। এতে তাঁর মাথা ফেটে যায় এবং তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।প্রত্যক্ষদর্শী বাচ্চু ফকির ও নাচ্চু ফকির বলেন, তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সোহাগকে যুবরাজ আঘাত করতে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।অভিযোগের বিষয়ে বজলু মাতুব্বর, যুবরাজ, সুমন ও লিখন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বজলু মাতুব্বর বলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। বরং তাঁদেরই ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়েছে। তাঁর ছেলে যুবরাজকেও গাছের ডাল দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে রাঙ্গাবালী চৌকি আদালতে সি.আর. মামলা এবং রাঙ্গাবালী থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।




























