
গাজী হাবিব, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ীতে ধর্ষণের শিকার দ্বিতীয় শ্রেণীেতে পড়ুয়া ওই শিশুর চিকিৎসা খরচ বহনের আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসন কর্তৃক সাতক্ষীরা মেডিকেল যাওয়া প্রতিনিধিদল। সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন শিশুটির সার্বিক খোঁজ নিয়ে এ দায়িত্বভার গ্রহণের ঘোষণা দেন তারা।প্রতিনিধিদলে ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, সহকারী কমিশনার সাইফুল ইসলাম, ইসতিয়াক আহমেদ অপু ও মো. শাহেদ হোসেনসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।শিশুটির বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস বলেন, সাত বছর বয়সী একটি শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুটির খোঁজখবর নিতে এসেছি এবং চিকিৎসকের সাথে কথা বলেছি। শিশুটিকে কেবিন থেকে বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে। সে শারীরিকভাবে এখন আশঙ্কামুক্ত হলেও কিছুটা মানসিক ট্রমার মধ্যে রয়েছে। আমরা ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে আছি এবং তার চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয় বহনের আশ্বাস দিয়েছি।উল্লেখ্য, রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ীর কুলতিয়া গ্রামে দ্বিতীয় শ্রেণীর এক শিশুকে (৮) পেয়ারার প্রলোভন দেখিয়ে ছাদে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে আহসান উল্লাহ (১৬) নামের এক তরুন। একপর্যায়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে সে কান্নাকাতি করতে থাকে। এ সময় শিশুটির এক আত্মীয় ঘটনাটি দেখে ফেললে অভিযুক্ত তরুন আহসান উল্লাহ পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে রাতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে শিশুটির শরীরে ৪ টি সেলাই দিতে হয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা রেকর্ড হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের সর্বাত্মক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





























