শিরোনাম
চাঁদপুরে এক ইলিশ ২৩ হাজার টাকায় বিক্রি অনিয়ম-দুর্নীতির রাজত্ব : পুঠিয়ার পাইকপাড়া ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া মিলছে না সেবা বান্দরবানে অস্ত্রসহ কেএনএফ সদস্য আটক "দুদক একটি অকার্যকর ও দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান"- ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বৈরী আবহাওয়ায় উত্তাল সাগর: সুন্দরবন ও উপকূলে জেলেদের নিরাপদ আশ্রয় হালুয়াঘাট প্রেসক্লাবের নতুন ভবনের শুভ উদ্বোধন মধ্যনগরে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণে আমাদের কাজ করতে হবে এবং উন্নয়ন করতে হবে: এমপি ফজলুল হক মিলন পোরশায় এমপি মোস্তাফিজুর রহমানের গোরখাই দাখিল মাদ্রাসা পরিদর্শন, উন্নয়নের আশ্বাস লালমোহন কৃষ্ণ কালী মন্দিরে দুর্ধর্ষ চুরি
রবিবার ০৫ জুলাই ২০২৬
রবিবার ০৫ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরায় ‘প্রেরণা’ এনজিও’র আড়ালে শম্পা’র কোটি টাকার সম্পত্তি, দ্বৈত নাগরিকত্বে অর্থ পাচার ও নৈতিক স্খলনের চাঞ্চল্যকর খতিয়ান

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ জুলাই ২০২৬ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ জুলাই ২০২৬ | অনলাইন সংস্করণ

Image



গাজী হাবিব, সাতক্ষীরা: 

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অনুমতি না নিয়ে কৃষি জমিতে ভবন নির্মাণ করেছে প্রেরণা নামের একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)। এই সংস্থাটি পরিবেশ সুরক্ষা ও সমাজসেবার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে পরিবেশ নষ্ট করছে এলাকায় বলে অভিযোগ রয়েছে ‘প্রেরণা’ নামের এই বেসরকারি সংস্থার পরিচালক শম্পা গোস্বামী ওরফে চ্যাটার্জী। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে সখ্যতা এবং স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় তিনি জড়িয়ে পড়েন জমি দখল, সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ, অর্থ পাচার এবং ভারত-বাংলাদেশ দ্বৈত নাগরিকত্ব প্রহণের মতো মারাত্মক অপরাধে। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর এলাকায় তীব্র জনরোষের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা তার এনজিওর লাইসেন্স বাতিল, অবৈধ সম্পদের তদন্ত ও গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন জানিয়েছেন।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, শম্পা গোস্বামীর স্বামী আনন্দ মোহন চ্যাটার্জী একটি কলেজের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী ছিলেন। অনেক যোগাযোগের পর তিনি তার স্ত্রীকে কালিগঞ্জ মোজাহার মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকের চাকরির ব্যবস্থা করে দেন ২০০২ সালের ২০ জুন। কিন্তু চাকরিতে যোগদানের পর থেকেই শম্পার বিরুদ্ধে নানা অনৈতিক ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠতে থাকে। স্থানীয় শালিস-বিচার ও নানা বিতর্কের পর বিদ্যালয় থেকে শম্পাকে চলতি বছর অপসারণ করা হয়।  

পরবর্তী ২০১৬ সালের দিকে তিনি এনজিও খাতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ‘প্রেরণা’ নামের একটি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক হন। তবে তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ড আরও বিস্তার লাভ করে। কালিগঞ্জ সরকারি কলেজের ছাত্রাবাসসহ মূল্যবান জমি দখল ও সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। কালিগঞ্জ সদরের ডাকবাংলো মোড়ে, নলতা ও পূর্ব নারায়নপুর গ্রামে জেলা পরিষদেও জায়গা ইজারা নিয়ে তাকে বিপদে পড়তে হয়। ছাড়তে হয় ওইসব জমি। ২০২৫ সালে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে সাজা দিলেও এক সাংবাদিকের প্রভাবে আইনি ফাঁক ফোঁকড় দিয়ে কারাগারে ঢোকার এক ঘণ্টা পর বের হয়ে আসা সম্ভব হয়। একপর্যায়ে তার এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে কালিগঞ্জে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য শাহাদৎ হোসেন এবং বরেণ্য সাহিত্যিক ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক গাজী আজিজুর রহমান। তীব্র জনরোষের মুখে শম্পা গোস্বামী কালিগঞ্জ থেকে তার অফিস গুটিয়ে শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ এলাকায় আস্তানা গাড়েন।

শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ নেকজানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি একতলা বাড়ি ভাড়া নিয়ে বর্তমানে সেখানে থাকেন শম্পা গোস্বামী। স্থানীয়দের অভিযোগ, এনজিওর কাজের আড়ালে ওই বাড়িতে নিয়মিত অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা ‘রঙ্গলীলা’ চলে।

সাতক্ষীরা কাস্টমস অফিস সংলগ্ন ‘প্রেরণা’র প্রধান কার্যালয়ের একটি নির্দিষ্ট কক্ষে থাকতেন শম্পা। সেখানে তৌহিদুর রহমান লিপন নামের এক কর্মচারীর সাথে তার চলাফেরা ও একই ভবনে রাতযাপন বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। সেই সময় অফিসের এক কর্মী শাহীন কক্ষের বাইরে পাহারাদারের ভূমিকা পালন করতেন। পরবর্তীতে লিপনের সাথে শম্পার সম্পর্কের বিষয়টি শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ এলাকায় জানাজানি হয়। একপর্যায়ে জনরোষ থেকে বাঁচতে লিপন সাতক্ষীরা ছেড়ে চলে যান। লিপন পালিয়ে যাওয়ার পর তার স্থলাভিষিক্ত হন নাজমুল ওরফে বেহায়া হুদা নামের অপর এক কর্মচারী। নাজমুল বর্তমানে নিজেকে ‘প্রেরণা’র প্রোগ্রাম প্রধান হিসেবে পরিচয় দিলেও মূলত তিনি শম্পা গোস্বামীর ব্যক্তিগত সহকারী। লিপন চলে যাওয়ার পরপরই নাজমুল সাতক্ষীরা শহরের মাঠপাড়ায় ভাড়াবাড়ি থেকে তার স্ত্রী ও সন্তানদের রংপুরের গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন এবং মুন্সিগঞ্জের ওই একতলা বাড়িতে শম্পা গোস্বামীর সাথে অবস্থান শুরু করেন। এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাহারাদার হিসেবে কাজ করছেন শিরিনা নামের এক নারী কর্মী। এই নারী কর্মীর ভাই স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়ি চালক হওয়ায় তারা ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন।  


আইন লঙ্ঘন করে শম্পা গোস্বামী ওরফে চ্যাটার্জী বাংলাদেশ ও ভারত-উভয় দেশের দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। ভারতে তার নামে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড এবং ইনকাম ট্যাক্স কার্ডসহ সমস্ত বৈধ কাগজপত্র রয়েছে।


পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট কলেজ শাখা পোস্ট অফিসে তার নামে তিনটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। কেভিপি (কিসান বিকাশ পত্র) ৬৩৭২০৭৫১১২২৮ জুন ২০১৭ তারিখে খোলা। ২৯ জুন ২০১৭ তারিখে এক লক্ষ রুপির ১০ বছর মেয়াদী ফিক্সড ডিপোজিট করা হয়, যার মেয়াদ শেষ হবে ২৮ জুন ২০২৭। এছাড়া আর (রিকারিং ডিপোজিট)৬৩৭১৯২১৫০৪ ও এসবি (সেভিংস ব্যাংক) ৬৩৭১৫০০৯৪৫ শম্পা চ্যাটার্জী নামে সক্রিয়। এছাড়া শম্পা গোস্বামী ও তার মা অনিতা গোস্বামীর যৌথ নামে বসিরহাট পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের (কলেজ শাখা) ১৫৮৭০১০০২৫৫০৪ নম্বর অ্যাকাউন্টটি পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ওই হিসাব নম্বরে ৯৩ হাজার রুপি তিনি ভারতের বসিরহাট শহরের মির্জাপুর মৌজায় মায়ের নামে একটি বাড়ি নির্মাণ করেছেন এবং তার পাশেই ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে ছয় লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে অনুরূপ স্যান্নালসহ ছয়জনের কাছ থেকে ৬৮৯৯ নং রেজিস্ট্রি কোবলা দলিরমূলেনিজের নামে ৮ দশমিক ২৬৪ শতক জমি কিনেছেন।২০২২ সালের ২৬ এপ্রিল পোস্ট অফিসের কেভিপি (৬৩৭২০৭৫১১২) অ্যাকাউন্ট বইটি হারিয়ে গেলে শম্পা গোস্বামী সশরীরে বসিরহাট থানায় হাজির হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন, যেখানে তার নিজস্ব স্বাক্ষর রয়েছে। তার বাংলাদেশী পাসপোর্ট (নম্বর: অ০৮০৯৪৩০০) পরীক্ষা করলেই ২০১৭ সালের ২৯ জুন এবং ২০২২ সালের ২৬ এপ্রিল তার ভারত সফর ও অবস্থানের সত্যতা প্রমাণিত হবে।


২০১৬ সালে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করার পর শম্পা গোস্বামীর বড় মেয়ে বৈশাখী চ্যাটার্জী কালীগঞ্জ নলতা খান বাহাদুর আহছানিয়া কলেজে ভর্তি হয়। কিন্তু সেখান থেকে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ছাড়পত্র (টিসি) না নিয়ে, তথ্য গোপন করে ২০১৭ সালে ভারতের বসিরহাট শহরের ‘বসিরহাট রায়বাটী পঞ্চানন হাইস্কুল’-এ পুনরায় নবম শ্রেণীতে ভর্তি হয়। ২০১৮ সালে ওই ভারতীয় স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাস করে কলকাতার ক্যানিং এলাকার একটি কলেজে ভর্তি হয়। ভারতীয় ভিসা ও পাসপোর্ট রেকর্ড অনুযায়ী, ভারতে পড়াশোনাকালীন তিনি মাসের পর মাস ভারতে থাকতেন এবং মাঝেসাঝে বাংলাদেশে ২-৪ দিনের জন্য আসতেন। ভারতে পড়ালেখা শেষ না করে তিনি পুনরায় বাংলাদেশে ফিরে আসেন। সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের নলতা খান বাহাদুর আহছানিয়া কলেজে দীর্ঘ দুই বছর কোনো ক্লাস না করেই ২০২০ সালে এইচএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ করতে যান। কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রথমে আপত্তি করলেও, শম্পা গোস্বামীর প্রভাবশালী কথিত সাংবাদিক ‘দাদা’র দাপট ও রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে কর্তৃপক্ষকে ফরম পূরণ করতে বাধ্য করেন।


শ্যামনগরের মোহন মন্ডল জানান, শম্পা গোস্বামী শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জে টেকনিক্যাল কলেজের পাশে ১৫৭২/২৫ নং রেজিষ্ট্রি কোবালা দলিল মূলে ২৬ কাঠা কৃষি জমি কিনেছেন। ওই জমির দাতা অসিত কুমার জেয়ারদারকে ২৬ লাখ টাকা পরিশোধ করলেও সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিতে তিনি দলিলে জমির ক্রয় মূল্য আট লাখ ৬১ হাজার টাকা দেখিয়েছেন। নিজে এনজিও পরিচালক হলেও দলিলে পেশা উল্লেখ করেছন গৃহিনী। সরকারি অনুমোদন ছাড়া কৃষি জমিতে ভবন নির্মাণের আইন। বিশেষ করে বেসরকারি এটি করতে পারে না। অথচ শম্পা গোস্বামী কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই তার ওই সাংবাদিক দাদার প্রভাব ঘাটিয়ে জমি কেনার কিছুদিন পরেই সেখানে তিনি বহুতল ভবন নির্মাণ করা অব্যাত রেখেছেন।


মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (ইউএলও) আবু সুফিয়ান জানান, কৃষি জমিতে ভবন নির্মাণ করার কোন সুযোগ নেই। ভবন নির্মাণ করতে চাইলে আগে সরকারি অনুমোদ নিতে হবে। তবে ২ জুলাই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রেরণা সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের কাছে কোন আবেদন করেনি। এ বিষয় তিনি খোঁজ খবর নেবেন। 


বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শম্পা গোস্বামী ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ছেলে শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতির সঙ্গে তার গভীর ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। জ্যোতি তার ‘ব্যক্তিগত বন্ধু’ এবং তার সাথে যৌথ এনজিও প্রজেক্ট রয়েছে বলেশম্পা বিভিন্ন মহলে পরিচয় দিতেন । তার দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলার শিকার হয়েছেন কালিগঞ্জের বাজারগ্রাম রহিমপুরের আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে বাবু ও নুরুজ্জামান গাজীসহ অনেকেই।


২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাতারাতি শম্পা গোস্বামীর দৃশ্যমান সম্পদ জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায়। স্থানীয়দের মতে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলে জ্যোতির গচ্ছিত টাকা দিয়েই তিনি এই বিপুল সাম্রাজ্য গড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মুন্সিগঞ্জে ২৬ কাঠা নিচু জমি কিনে তা মাটি ভরাট করেছেন। বাঁশ ও গোলপাতা দিয়ে পাঁচ কক্ষ বিশিষ্ট একটি শপিং সেন্টার এবং ৫ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে একটি বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ চলিয়ে যাচ্ছেন। । এই নির্মাণযজ্ঞে এককোটি টাকারও বেশি খরচ করা হয়েছে বলে মনে করা হয়। এনজিও প্রজেক্টগুলোতে নামমাত্র কাজ করে বিপুল টাকা আত্মসাৎ ছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলে জ্যোতির অর্থেই তিনি বিলাশ বহুল জীবনযাপন করছেন। শম্পা গোস্বামীর তেমন কোন আয়ের উৎস নেই।


আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে থানায় একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেছেন শম্পা গোস্বামী। কোন সাংবাদিক এসব বিষয় নিয়ে নিউজ কিম্বা তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি তার ওই প্রভাবশালী সাংবাদিক দাদাকে দিয়ে নানাভাবে হুমকি-ধামকি ও হয়রানি করে থাকেন।  


নামমাত্র কাজ করে প্রজেক্ট থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ, দ্বৈত নাগরিকত্ব, অর্থ পাচার ও জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণাদিসহ শম্পা গোস্বামীর এনজিও ব্যুরোর রেজিস্ট্রেশন বাতিল, বাংলাদেশী নাগরিকত্ব বাতিল এবং তাকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে গ্রেপ্তারের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাতক্ষীরাবাসী। 


এ ব্যাপারে শনিবার বিকেল ৫টা ২৮ মিনিটে শম্পা গোস্বামীর ০১৭২০-৩৬০৭৬৭ নং মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে প্রথমে তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে ইতিপূর্বে বিভিন্ন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি দাম্ভিকতার সাথে বলেন, "আমি 'র'-এর এজেন্ট এবং স্বৈরাচারের দোসর-সবই ঠিক আছে। আপনারা নিউজ করেন, আমার জনপ্রিয়তা অনেক বেড়ে যাচ্ছে।


আরও খবর




হালুয়াঘাটে কটন রিফাইনিং মিলে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে গেল গুদাম ও তুলা

পঞ্চগড়ের বোদা সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, এক বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

লালপুরে নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

রাণীনগরে ভেকু মেশিনে ছেঁড়া বৈদ্যুতিক খুঁটির তারে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু

মনপুরার কোস্টগার্ড ও থানা পুলিশের অভিযানে মিয়ানমারে পাচারের সময় সিমেন্ট-সার বোঝাই ট্রলার জব্দ!আটক ১

মনপুরার কোস্টগার্ড ও থানা পুলিশের অভিযানে মিয়ানমারে পাচারের সময় সিমেন্ট-সার বোঝাই ট্রলার জব্দ!আটক ১

মোটরসাইকেল নিয়ে জাফলং ঘুরতে গিয়ে স্কুলছাত্র নিহত, আহত ২ বন্ধু

প্রশাসনকে জনবান্ধব করতে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

এক ভয়ংকর প্রতিশোধ

কটিয়াদীতে ভাইরাল ভিডিও ঘিরে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পড়েনি

দেবীগঞ্জ পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠিত

লালপুরে ৩০ পুরিয়া হেরোইনসহ দুই জন আটক

চাঁদপুরে এক ইলিশ ২৩ হাজার টাকায় বিক্রি

অনিয়ম-দুর্নীতির রাজত্ব : পুঠিয়ার পাইকপাড়া ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া মিলছে না সেবা

সাতক্ষীরায় ‘প্রেরণা’ এনজিও’র আড়ালে শম্পা’র কোটি টাকার সম্পত্তি, দ্বৈত নাগরিকত্বে অর্থ পাচার ও নৈতিক স্খলনের চাঞ্চল্যকর খতিয়ান

জেলা বিএনপির নেতা ও জজ কোর্টের মুহুরী পরিচয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে

সরকারি ভাতার টাকা মসজিদ ফান্ডে জমা না দেওয়ায় ইমামকে চাকরিচ্যুতের অভিযোগ

পোলশার বারিন্দা গ্রামে সরকারি রাস্তা ও খাস জমি দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ

কাশিমপুরে ফুটপাত দখল করে চাঁদাবাজি, থামছে না নেতার ভাইয়ের দৌরাত্ম্য

সনদ নেই, নিবন্ধন নেই; তবুও কাশিমপুরে ‘ডাক্তার’ পরিচয়ে চলছে চিকিৎসা

শ্রীপুরে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ,থানা হেফাজতে দোকানদার

টাঙ্গাইল সদরে ২৫ পরিবারকে ব্র্যাকের ২৫০ মুরগির বাচ্চা বিতরণ

আদালতে সাক্ষ্য ঠেকাতে প্রাণনাশের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় জিডি

প্রস্তুতি ম্যাচে জিতল ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা দুই দলই

২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ডুয়েট ব্রাজিল ফ্যান ক্লাবের ১৫৩ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রত্যাশী আজমল হোসেন হিরো

'অপয়া' সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠল ব্রাজিলের জার্সির রঙ

২৪ নং ওয়ার্ডে লাইসেন্সবিহীন বেকারি ও আইসক্রিম কারখানা: হুমকিতে জনস্বাস্থ্য

চিরিরবন্দরে সাপের কামড়ে গৃহবধুর মৃত্যু

চাঁদপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সেনবাগ পাঠাগারের সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত


এই সম্পর্কিত আরও খবর

হালুয়াঘাটে কটন রিফাইনিং মিলে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে গেল গুদাম ও তুলা

পঞ্চগড়ের বোদা সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, এক বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

লালপুরে নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

রাণীনগরে ভেকু মেশিনে ছেঁড়া বৈদ্যুতিক খুঁটির তারে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু

মনপুরার কোস্টগার্ড ও থানা পুলিশের অভিযানে মিয়ানমারে পাচারের সময় সিমেন্ট-সার বোঝাই ট্রলার জব্দ!আটক ১

মনপুরার কোস্টগার্ড ও থানা পুলিশের অভিযানে মিয়ানমারে পাচারের সময় সিমেন্ট-সার বোঝাই ট্রলার জব্দ!আটক ১

মোটরসাইকেল নিয়ে জাফলং ঘুরতে গিয়ে স্কুলছাত্র নিহত, আহত ২ বন্ধু

প্রশাসনকে জনবান্ধব করতে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

এক ভয়ংকর প্রতিশোধ

কটিয়াদীতে ভাইরাল ভিডিও ঘিরে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পড়েনি